Dhaka ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একটু বৃষ্টিতেই সড়ক জলমগ্ন চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

একটু বৃষ্টিতেই সড়ক জলমগ্ন চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ চম্পকনগর-মহেশপুর সড়কটি দীর্ঘদিনের অবহেলা ও সংস্কারহীনতায় এখন কার্যত চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের অসংখ্য গর্ত পানিতে তলিয়ে যায়, ফলে কোথায় গর্ত আর কোথায় সড়ক—তা বোঝা দায় হয়ে পড়ে। এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা, চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কের অধিকাংশ অংশের কার্পেটিং উঠে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ। কোথাও কোথাও গর্ত এতটাই গভীর যে, অল্প বৃষ্টিতেই তা পানিতে ভরে ছোট জলাধারের মতো রূপ নেয়। এতে চলাচলের সময় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকি বেড়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ  ময়মনসিংহে পুলিশ কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়ন

সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য। পণ্য পরিবহনে বিলম্ব ও অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে ক্ষতির মুখে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স, স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও পণ্যবাহী যানবাহনের চালকরা। জরুরি রোগী পরিবহনেও সৃষ্টি হচ্ছে বিলম্ব, যা অনেক ক্ষেত্রে জীবনঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আরও পড়ুনঃ  নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন

স্থানীয় চালক ও পথচারীদের অভিযোগ, ভারী যানবাহন—বিশেষ করে ট্রাক ও পাওয়ার টিলারের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল এবং দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবেই সড়কটির এমন দুরবস্থা তৈরি হয়েছে। বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে; পানিতে ঢেকে যায় গর্তগুলো, ফলে চালকদের পক্ষে সড়কের প্রকৃত অবস্থা বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে প্রায়ই যানবাহনের যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিচ্ছে এবং বাড়ছে রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়।

আরও পড়ুনঃ  বিজয়নগরে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠিত

এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করে। স্থানীয়দের দাবি, সময়মতো রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের অভাবেই সড়কটি এখন জনদুর্ভোগের প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

এ বিষয়ে বিজয়নগর উপজেলার প্রকৌশলী মুহাম্মদ আশিকুর রহমান ভুইয়া বলেন, “সড়কটি উন্নয়নের জন্য সদর দপ্তরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে সড়কটি সংস্কার করা হবে।

জনপ্রিয় পোস্ট

একটু বৃষ্টিতেই সড়ক জলমগ্ন চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

আপডেটের সময়: ০৬:০২:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

একটু বৃষ্টিতেই সড়ক জলমগ্ন চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ চম্পকনগর-মহেশপুর সড়কটি দীর্ঘদিনের অবহেলা ও সংস্কারহীনতায় এখন কার্যত চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের অসংখ্য গর্ত পানিতে তলিয়ে যায়, ফলে কোথায় গর্ত আর কোথায় সড়ক—তা বোঝা দায় হয়ে পড়ে। এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা, চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কের অধিকাংশ অংশের কার্পেটিং উঠে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ। কোথাও কোথাও গর্ত এতটাই গভীর যে, অল্প বৃষ্টিতেই তা পানিতে ভরে ছোট জলাধারের মতো রূপ নেয়। এতে চলাচলের সময় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকি বেড়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ  ময়মনসিংহে পুলিশ কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়ন

সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য। পণ্য পরিবহনে বিলম্ব ও অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে ক্ষতির মুখে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স, স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও পণ্যবাহী যানবাহনের চালকরা। জরুরি রোগী পরিবহনেও সৃষ্টি হচ্ছে বিলম্ব, যা অনেক ক্ষেত্রে জীবনঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আরও পড়ুনঃ  মাদক কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে গনসচেতনতা মূলক অভিযান।

স্থানীয় চালক ও পথচারীদের অভিযোগ, ভারী যানবাহন—বিশেষ করে ট্রাক ও পাওয়ার টিলারের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল এবং দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবেই সড়কটির এমন দুরবস্থা তৈরি হয়েছে। বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে; পানিতে ঢেকে যায় গর্তগুলো, ফলে চালকদের পক্ষে সড়কের প্রকৃত অবস্থা বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে প্রায়ই যানবাহনের যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিচ্ছে এবং বাড়ছে রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়।

আরও পড়ুনঃ  ঘুষ কেলেঙ্কারিতে এলজিইডির হিসাব রক্ষক মোস্তাফিজ সাময়িক বরখাস্ত

এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করে। স্থানীয়দের দাবি, সময়মতো রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের অভাবেই সড়কটি এখন জনদুর্ভোগের প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

এ বিষয়ে বিজয়নগর উপজেলার প্রকৌশলী মুহাম্মদ আশিকুর রহমান ভুইয়া বলেন, “সড়কটি উন্নয়নের জন্য সদর দপ্তরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে সড়কটি সংস্কার করা হবে।