Dhaka ০৯:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
উপকূলে বেড়িবাঁধে ব্যবহৃত জিও বস্তা চুরি ঠেকাতে দ্বিপ ইউনিয়ন গাবুরায় মানববন্ধন সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযানে চিংড়ীরেনুসহ প্রায় ১৮ লাখ টাকার চোরাচালানী মালামাল জব্দ গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের গণমিছিল শার্শায় স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের চেষ্টায় অভিযুক্ত যুবক আটক হত্যা করলো রামগঞ্জে লাশ মিললো হাজিগঞ্জে গাইবান্ধায় টেকসই কৃষি ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত জেলা পুলিশের উদ্যোগে বিজয়নগরে মাদকবিরোধী সমাবেশ উলিপুরে এনসিপিতে যোগ দিলেন বিভিন্ন দলের নেতারা সাতক্ষীরার সীমান্ত থেকে ক্রিস্টাল মেথসহ প্রায় ৬ কোটি টাকার মাদক ও চোরাচালানী পণ্য জব্দ উলিপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের গণমিছিল

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের গণমিছিল

গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং সার্বিক জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের উদ্যোগে একটি বিশাল গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

শনিবার (২ মে) বিকাল সাড়ে ৫টায় শহরের প্রাণকেন্দ্র শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক প্রাঙ্গনে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে এ গণমিছিল শুরু হয়।

 

সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সরকারের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা করে দ্রুত জনদাবি বাস্তবায়নের আহবান জানান। তারা বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি সংকট এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্থিতিশীল বাজার পরিস্থিতি জনজীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। এ অবস্থায় জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।

আরও পড়ুনঃ  রেলস্টেশনে অজ্ঞাত শিশু উদ্ধার 

 

সমাবেশ শেষে একটি সুসজ্জিত গণমিছিল শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে শুরু হয়ে পাকাপুল মোড়, নিউমার্কেট মোড়, তুফান মোড়, বড়বাজার এবং থানা মসজিদ এলাকা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। মিছিলে বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। মিছিল চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন, যা পুরো শহরের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

 

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা ১১ দলের আহবায়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাতক্ষীরা জেলা আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল। তিনি বলেন, অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। অন্যথায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

আরও পড়ুনঃ  লালমনিরহাটে মরিচ ক্ষেতে ট্রাক উল্টে পড়ে কৃষকের মৃত্যু

 

জামায়াতের জেলা সেক্রেটারী মাওলানা আজিজুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত পূর্বসমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শেখ নূরুল হুদা, সহকারী সেক্রেটারী মো. ওমর ফারুক, মাওলানা ওসমান গণি, শহর শিবির সভাপতি মেহেদি হোসেন, জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট আজিজুল ইসলাম, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বারী, অফিস সেক্রেটারী রুহুল আমিন, শহর আমীর জাহিদুল ইসলাম, সদর আমীর মাওলানা মোশারফ হোসেন, শহর সেক্রেটারী খোরশেদ আলম এবং সদর সেক্রেটারী মাওলানা হাবিবুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

 

আরও পড়ুনঃ  ৩ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অভিযানে ৮৪ টি মোবাইল ও নগদ অর্থ উদ্ধার।

বক্তাগণ তাদের বক্তব্যে দেশের চলমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা দাবি করেন, সরকার যদি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তাহলে দেশের সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

 

সমগ্র কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলেও এতে জনসাধারণের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে, যা গণদাবির প্রতি জনগণের সমর্থনের প্রতিফলন বলে ১১ দলের নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন।

জনপ্রিয় পোস্ট

উপকূলে বেড়িবাঁধে ব্যবহৃত জিও বস্তা চুরি ঠেকাতে দ্বিপ ইউনিয়ন গাবুরায় মানববন্ধন

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের গণমিছিল

আপডেটের সময়: ০৭:৫৭:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের গণমিছিল

গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং সার্বিক জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের উদ্যোগে একটি বিশাল গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

শনিবার (২ মে) বিকাল সাড়ে ৫টায় শহরের প্রাণকেন্দ্র শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক প্রাঙ্গনে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে এ গণমিছিল শুরু হয়।

 

সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সরকারের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা করে দ্রুত জনদাবি বাস্তবায়নের আহবান জানান। তারা বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি সংকট এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্থিতিশীল বাজার পরিস্থিতি জনজীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। এ অবস্থায় জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।

আরও পড়ুনঃ  স্কুলে বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসনে নবদিগন্তের টিউবওয়েল উপহার

 

সমাবেশ শেষে একটি সুসজ্জিত গণমিছিল শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে শুরু হয়ে পাকাপুল মোড়, নিউমার্কেট মোড়, তুফান মোড়, বড়বাজার এবং থানা মসজিদ এলাকা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। মিছিলে বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। মিছিল চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন, যা পুরো শহরের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

 

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা ১১ দলের আহবায়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাতক্ষীরা জেলা আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল। তিনি বলেন, অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। অন্যথায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

আরও পড়ুনঃ  ৩ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অভিযানে ৮৪ টি মোবাইল ও নগদ অর্থ উদ্ধার।

 

জামায়াতের জেলা সেক্রেটারী মাওলানা আজিজুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত পূর্বসমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শেখ নূরুল হুদা, সহকারী সেক্রেটারী মো. ওমর ফারুক, মাওলানা ওসমান গণি, শহর শিবির সভাপতি মেহেদি হোসেন, জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট আজিজুল ইসলাম, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বারী, অফিস সেক্রেটারী রুহুল আমিন, শহর আমীর জাহিদুল ইসলাম, সদর আমীর মাওলানা মোশারফ হোসেন, শহর সেক্রেটারী খোরশেদ আলম এবং সদর সেক্রেটারী মাওলানা হাবিবুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

 

আরও পড়ুনঃ  রেলস্টেশনে অজ্ঞাত শিশু উদ্ধার 

বক্তাগণ তাদের বক্তব্যে দেশের চলমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা দাবি করেন, সরকার যদি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তাহলে দেশের সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

 

সমগ্র কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলেও এতে জনসাধারণের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে, যা গণদাবির প্রতি জনগণের সমর্থনের প্রতিফলন বলে ১১ দলের নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন।