Dhaka ১১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বেড়ায় এডিস মশা নির্মূল ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান কালিগঞ্জের চাঁচাই অবশেষে বৃক্ষমেলার উদ্বোধন দেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকোরেক্সসহ নারী আটক সাতক্ষীরা জেলা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনে ১৫টি বুথে ১৫৯৫ ভোটারের লড়াইয়ে ৫৮ প্রার্থী কেশবপুরে সৌদি আরবে হুতি হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন সাতক্ষীরায় ছুরিকাঘাতে তরুণের মৃত্যু কালিগঞ্জে নাশকতা মামলায় শ্রমিকলীগ নেতা ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার তিনশ বছরের ঐতিহ্যের গুড়পুকুর মেলা উদ্বোধন আশাশুনির বাঁকড়ায় পুলিশের আওয়ামী লীগ কর্মী আজিজুল গ্রেপ্তার গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নে ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

সাতক্ষীরা জেলা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনে ১৫টি বুথে ১৫৯৫ ভোটারের লড়াইয়ে ৫৮ প্রার্থী

সাতক্ষীরা জেলা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনে ১৫টি বুথে ১৫৯৫ ভোটারের লড়াইয়ে ৫৮ প্রার্থী

 

উৎসবমুখর পরিবেশ, ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণার মধ্য দিয়ে আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হচ্ছে সাতক্ষীরা জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজিঃ নং-খুলনা-৫৫০)-এর ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬। নির্বাচনকে ঘিরে শ্রমিকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহন শুরু কথা থাকলেও প্রকৃতপক্ষে সকাল ৯ টায় শুরু হয়।
বিরতিহীনভাবে এ ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

ত্রিবার্ষিক এ নির্বাচনে ইউনিয়নের ১ হাজার ৫৯৫ জন শ্রমিক ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। ভোটগ্রহণের জন্য ১৫টি বুথ প্রস্তুত করা হয়েছে। মোট ২১টি পদে ৫৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এ নির্বাচনে দুটি প্রধান প্যানেলের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও মাঠে রয়েছেন। এর মধ্যে জামায়াত সমর্থিত মোজাফফর-সেলিম পরিষদ ২০টি পদে, বিএনপি সমর্থিত টিটু-মামুন পরিষদ ২১টি পদে এবং বিভিন্ন পদে ১৭ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোজাফফর-সেলিম পরিষদ: ‘উন্নয়ন, ঐক্য ও ন্যায্য অধিকার রক্ষা’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে জামায়াতের শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সমর্থিত মোজাফফর-সেলিম পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ 

জামায়াত সমর্থিত এ প্যানেলে সভাপতি পদে শেখ মোজাফফর হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. সেলিম রেজা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সহ-সভাপতি পদে শেখ রাশেদ আলী (দুলাভাই), যুগ্ম সম্পাদক পদে আব্দুর রহমান বাপ্পী এবং সহ-যুগ্ম সম্পাদক পদে মো. বাবুল হোসেন (বাবু) প্রার্থী হয়েছেন।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. মাজেদ সরকার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. সালাম ব্যাপারী, প্রচার সম্পাদক পদে মীর হায়দার আলী, সহ-প্রচার সম্পাদক পদে মো. সুমন হোসেন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মো. আজগর আলী, অফিস সম্পাদক পদে মো. নূর হোসেন এবং কোষাধ্যক্ষ পদে শেখ আব্দুল মজিদ (চান্দু) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া কার্যকরী সদস্য পদে মো. রাজিব হোসেন, মো. আব্দুস সামাদ, শেখ আনারুল ইসলাম (ভুতু), শেখ মকজুল হক (বাবু), মো. আব্দুল মালেক, শেখ শফিকুল ইসলাম (মিন্টু), শেখ সাদেকুর রহমান ও সুবিদ আলী গাজী প্রার্থী হয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে স্বামী নিহত, স্ত্রী হাসপাতালে

অপরদিকে ‘দুনিয়ার মজদুর এক হও’ স্লোগানকে সামনে রেখে বিএনপি সমর্থিত টিটু-মামুন পরিষদও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এই প্যানেলে সভাপতি পদে মো. জাকির হোসেন (টিটু) এবং সাধারণ সম্পাদক পদে শেখ মামুন-অর-রশিদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সহ-সভাপতি পদে মো. জাহিদুল ইসলাম ও মো. জাফুরুল ইসলাম (জাফর), যুগ্ম সম্পাদক পদে মো. রুহুল আমিন (টুটুল) এবং সহ-যুগ্ম সম্পাদক পদে মো. কামাল হোসেন (কামাল) প্রার্থী হয়েছেন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে শেখ মিরাজুল ইসলাম (মিরাজ), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মীর নাজমুল হায়াৎ (হীরা),

প্রচার সম্পাদক পদে মো. মিন্টু, সহ-প্রচার সম্পাদক পদে মো. আনোয়ার হোসেন (আনকু), সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মো. জুলফিকার হোসেন (সবুজ), অফিস সম্পাদক পদে মো. তরিকুল ইসলাম এবং কোষাধ্যক্ষ পদে শেখ হুমায়ুন কবির (স্বপন) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কার্যকরী সদস্য পদে মো. বিল্লাল হোসেন, মো. হোসেন মোল্যা, মো. কবিরুল ইসলাম (কবির), মো. আছমাতুল্লাহ্, মো. হোসেন আলী সরদার, মো. হুমায়ুন কবির, মেনেজামের হোসেন (মোজাম) ও মো. মেরাজম (মোন) প্রার্থী হয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জে সাংবাদিকদের নৌ-ভ্রমণ উপলক্ষে মতবিনিময় সভা

এছাড়া এই নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১৭ জন প্রার্থী ভোটের মাঠে রয়েছেন। এদের মধ্যে সাধারণ সম্পাদক পদে মো. ফারুক হোসেন বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছন।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত কয়েক দিন ধরে দুই প্যানেলের প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা, গণসংযোগ ও ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় ছিল তুঙ্গে।

পছন্দের প্রার্থীকে জয়ী করতে সমর্থকেরা বিভিন্নভাবে ভোটারদের কাছে নিজেদের বক্তব্য ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। এতে সাতক্ষীরা শহর ও শ্রমিক সংগঠনের কার্যক্রম ঘিরে তৈরি হয়েছে উৎসবের আমেজ। প্রার্থীদের বক্তব্যে শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণ, সংগঠনের উন্নয়ন, ঐক্য জোরদার এবং সদস্যদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে।

ভোটারদের মধ্যেও পছন্দের নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে রয়েছে আগ্রহ ও কৌতূহল। নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীদের প্রচার শেষ হলেও এখন সবার দৃষ্টি ভোটকেন্দ্রে।

বেড়ায় এডিস মশা নির্মূল ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

সাতক্ষীরা জেলা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনে ১৫টি বুথে ১৫৯৫ ভোটারের লড়াইয়ে ৫৮ প্রার্থী

আপডেটের সময়: ০৯:৪৩:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

সাতক্ষীরা জেলা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনে ১৫টি বুথে ১৫৯৫ ভোটারের লড়াইয়ে ৫৮ প্রার্থী

 

উৎসবমুখর পরিবেশ, ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণার মধ্য দিয়ে আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হচ্ছে সাতক্ষীরা জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজিঃ নং-খুলনা-৫৫০)-এর ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬। নির্বাচনকে ঘিরে শ্রমিকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহন শুরু কথা থাকলেও প্রকৃতপক্ষে সকাল ৯ টায় শুরু হয়।
বিরতিহীনভাবে এ ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

ত্রিবার্ষিক এ নির্বাচনে ইউনিয়নের ১ হাজার ৫৯৫ জন শ্রমিক ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। ভোটগ্রহণের জন্য ১৫টি বুথ প্রস্তুত করা হয়েছে। মোট ২১টি পদে ৫৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এ নির্বাচনে দুটি প্রধান প্যানেলের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও মাঠে রয়েছেন। এর মধ্যে জামায়াত সমর্থিত মোজাফফর-সেলিম পরিষদ ২০টি পদে, বিএনপি সমর্থিত টিটু-মামুন পরিষদ ২১টি পদে এবং বিভিন্ন পদে ১৭ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোজাফফর-সেলিম পরিষদ: ‘উন্নয়ন, ঐক্য ও ন্যায্য অধিকার রক্ষা’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে জামায়াতের শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সমর্থিত মোজাফফর-সেলিম পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  রামগঞ্জ কে একটি আধুনিক রামগঞ্জ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই এম পি

জামায়াত সমর্থিত এ প্যানেলে সভাপতি পদে শেখ মোজাফফর হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. সেলিম রেজা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সহ-সভাপতি পদে শেখ রাশেদ আলী (দুলাভাই), যুগ্ম সম্পাদক পদে আব্দুর রহমান বাপ্পী এবং সহ-যুগ্ম সম্পাদক পদে মো. বাবুল হোসেন (বাবু) প্রার্থী হয়েছেন।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. মাজেদ সরকার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. সালাম ব্যাপারী, প্রচার সম্পাদক পদে মীর হায়দার আলী, সহ-প্রচার সম্পাদক পদে মো. সুমন হোসেন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মো. আজগর আলী, অফিস সম্পাদক পদে মো. নূর হোসেন এবং কোষাধ্যক্ষ পদে শেখ আব্দুল মজিদ (চান্দু) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া কার্যকরী সদস্য পদে মো. রাজিব হোসেন, মো. আব্দুস সামাদ, শেখ আনারুল ইসলাম (ভুতু), শেখ মকজুল হক (বাবু), মো. আব্দুল মালেক, শেখ শফিকুল ইসলাম (মিন্টু), শেখ সাদেকুর রহমান ও সুবিদ আলী গাজী প্রার্থী হয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ 

অপরদিকে ‘দুনিয়ার মজদুর এক হও’ স্লোগানকে সামনে রেখে বিএনপি সমর্থিত টিটু-মামুন পরিষদও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এই প্যানেলে সভাপতি পদে মো. জাকির হোসেন (টিটু) এবং সাধারণ সম্পাদক পদে শেখ মামুন-অর-রশিদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সহ-সভাপতি পদে মো. জাহিদুল ইসলাম ও মো. জাফুরুল ইসলাম (জাফর), যুগ্ম সম্পাদক পদে মো. রুহুল আমিন (টুটুল) এবং সহ-যুগ্ম সম্পাদক পদে মো. কামাল হোসেন (কামাল) প্রার্থী হয়েছেন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে শেখ মিরাজুল ইসলাম (মিরাজ), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মীর নাজমুল হায়াৎ (হীরা),

প্রচার সম্পাদক পদে মো. মিন্টু, সহ-প্রচার সম্পাদক পদে মো. আনোয়ার হোসেন (আনকু), সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মো. জুলফিকার হোসেন (সবুজ), অফিস সম্পাদক পদে মো. তরিকুল ইসলাম এবং কোষাধ্যক্ষ পদে শেখ হুমায়ুন কবির (স্বপন) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কার্যকরী সদস্য পদে মো. বিল্লাল হোসেন, মো. হোসেন মোল্যা, মো. কবিরুল ইসলাম (কবির), মো. আছমাতুল্লাহ্, মো. হোসেন আলী সরদার, মো. হুমায়ুন কবির, মেনেজামের হোসেন (মোজাম) ও মো. মেরাজম (মোন) প্রার্থী হয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  বেনাপোলে ৪৩ বোতল বিদেশি মদসহ চোরাচালান পণ্য জব্দ

এছাড়া এই নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১৭ জন প্রার্থী ভোটের মাঠে রয়েছেন। এদের মধ্যে সাধারণ সম্পাদক পদে মো. ফারুক হোসেন বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছন।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত কয়েক দিন ধরে দুই প্যানেলের প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা, গণসংযোগ ও ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় ছিল তুঙ্গে।

পছন্দের প্রার্থীকে জয়ী করতে সমর্থকেরা বিভিন্নভাবে ভোটারদের কাছে নিজেদের বক্তব্য ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। এতে সাতক্ষীরা শহর ও শ্রমিক সংগঠনের কার্যক্রম ঘিরে তৈরি হয়েছে উৎসবের আমেজ। প্রার্থীদের বক্তব্যে শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণ, সংগঠনের উন্নয়ন, ঐক্য জোরদার এবং সদস্যদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে।

ভোটারদের মধ্যেও পছন্দের নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে রয়েছে আগ্রহ ও কৌতূহল। নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীদের প্রচার শেষ হলেও এখন সবার দৃষ্টি ভোটকেন্দ্রে।