এফবিসিসিআই নির্বাচনে আসন্ন
১২ ফেব্রুয়ারির বহু কাঙ্ক্ষিত জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিজয়ী প্রার্থীদেরকে বিশেষ করে ব্যবসায়ী নেতৃত্ব হিসাবে খ্যাত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে সম্ভাব্য এফবিসিসিআই সম্মানিত প্রার্থীগণ তাদের নির্বাচনী কার্যক্রম পুনরায় শুরু করেছেন বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।
কেননা বিজয়ী ব্যবসায়ী সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী গণ আগামী দিনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড তথা দেশ পরিচালনায় মুখ্য ভূমিকা রাখবেন বলে সহজেই অনুমেয়। তাই তাঁদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করার মধ্য দিয়ে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা ও দোয়া প্রার্থনা দুটোই সম্পন্ন হচ্ছে বলা যেতে পারে।
এসকল বিষয়ে আমাদের বিজনেস কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ বেশ চৌকশ বটে। তাঁরা অভিনন্দন ও তাঁদের বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান ও সাক্ষাতের বহু তথ্য ও ছবি পুনঃপুনঃ পোস্ট করতে যথেষ্ট পারদর্শী (অনেক সময় যার অনেক কিছু প্রাসঙ্গিক নয়), অথচ এফবিসিসিআইতে তাদের কাঙ্ক্ষিত পদে নির্বাচিত হলে কি করবেন সে বিষয়ে খুব কম প্রার্থীকে মত প্রকাশ বা লেখালেখি করতে দেখা যায়।
তাই দেশের অর্থনীতি ও ব্যবসা বাণিজ্যের উন্নয়নে, নতুন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে তাঁদের সক্ষমতা, দৃষ্টিভঙ্গি, পরিকল্পনা জানার সুযোগ খুব কম। দুই একটি ব্যতিক্রম ছাড়া নিকট অতীতে নির্বাচিত অনেকেই পরবর্তীতে ব্যবসায়ীদের নিয়ে উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম করেছেন, তেমনটি চোখে পড়েনি। এবার সেরকম হলে বর্তমান ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক মন্দা থেকে উত্তরণের পরিবর্তে দেশের অর্থনৈতিক খাত আরও সংকটে নিপতিত হবে।
ডিজিটাল ও স্মার্ট এআই তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক পৃথিবীতে একমাত্র যথোপযুক্ত শিক্ষিত যোগ্য প্রার্থী তথা নেতৃত্ব প্রত্যাশিত। তাই এবার সেই যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনের বিকল্প নাই। দ্রুত এফবিসিসিআই নির্বাচনের ঘোষণা প্রত্যাশিত।
সকল পদের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিকট তাঁদের অর্থনৈতিক ভাবনা ও পরিকল্পনা জানাতে অনুরোধ রইলো।
ইফতার বা আপ্যায়নের চেয়ে, সংশ্লিষ্ট সবাইকে অর্থনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণে আমাদের উপযুক্ত নেতৃত্ব বাছাইয়ের কাঙ্ক্ষিত ক্ষুদা পূরণের আহ্বান জানাচ্ছি। আজ রমজান মাসের প্রথম দিন। আল্লাহ্ সকল মুসলমানদের তাঁদের নেক আমূল করার তৌফিক দান করুন। ধন্যবাদ সকলকে।
মোহাম্মদ ইকবাল জামাল
এফবিসিসিআই নির্বাচনে আসন্ন


















