কুড়িগ্রামে ভাঙা সেতুতে দুর্ভোগে ৫০ হাজার মানুষ
কুড়িগ্রাম পৌরসভার টাপু ভেলাকোপা সড়কের ভেঙে পড়া সেতুর সংযোগ সড়ক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। দীর্ঘ ৯ বছরেও কোনো কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
শুক্রবার( ২৪ এপ্রিল) বিকেলে পৌর শহরের ভেলাকোপা বটতলী বাজার এলাকায় ‘তারুণ্যের উচ্ছ্বাস’ মানবিক যুব সংগঠনের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন এবং দ্রুত সেতুটি সংস্কারের জোর দাবি জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক আহ্বায়ক আ. আজিজ নাহিদ, তারুণ্যের উচ্ছ্বাস মানবিক সংগঠনের উপদেষ্টা মো. এরশাদুল হক, সভাপতি জীবন কুমার সেন, কোষাধ্যক্ষ মো. মিনহাজুল ইসলাম, মো. হাফেজ শাহীন, জিয়াউর রহমানসহ স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চলাচলের একমাত্র এ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বাধ্য হয়ে তারা বাঁশ ও কাঠ দিয়ে অস্থায়ী পাটাতন তৈরি করে যাতায়াত করছেন, যা বর্তমানে অত্যন্ত নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। এতে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে।
জানা গেছে, ২০১১ সালে নির্মিত প্রায় ৬০ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে ১০ ফুট প্রস্থের সেতুটির সংযোগ সড়ক ২০১৭ সালের বন্যায় ধসে পড়ে। এরপর থেকে তা আর সংস্কার করা হয়নি। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন আশপাশের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ।
মানববন্ধনে উপস্থিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক আহ্বায়ক আ. আজিজ নাহিদ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে মানুষের দুর্ভোগ দেখেও সংশ্লিষ্টদের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া দুঃখজনক। আমরা দ্রুত সমাধান চাই।
তারুণ্যের উচ্ছ্বাস মানবিক যুব সংগঠনের উপদেষ্টা মো. এরশাদুল হক বলেন, ‘এই সড়কটি দিয়ে কৃষিপণ্য পরিবহন, রোগী নেওয়া সবই ব্যাহত হচ্ছে। অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত চলাচল করতে পারে না। দ্রুত সেতু নির্মাণ না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।
এদিকে, কুড়িগ্রাম পৌরসভার প্রশাসক বি এম কুদরত-এ-খুদা জানান, আপাতত কাঠের অস্থায়ী ব্যবস্থা দিয়ে চলাচল চালু রাখা হয়েছে। খুব শিগগিরই সেতুটি নির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।



















