আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা তুঙ্গে। পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈল উপজেলার গ্রাম-গঞ্জ, হাট-বাজারে এখন বইছে ভোটের হাওয়া। এই আসনে হেভিওয়েট প্রার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের নজর কেড়েছেন স্বতন্ত্র নারী প্রার্থী মোছা. আশা মনি। তার প্রতীক ‘ফুটবল’ নিয়ে দিন-রাত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তিনি।
৩১ জানুয়ারি রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকায় গণসংযোগকালে এক সাক্ষাৎকারে আশা মণি বলেন, তরুণ ভোটারদের কাছ থেকে তিনি নিয়মিত বিয়ের ব্যবস্থা করে দেওয়ার অনুরোধ পাচ্ছেন।এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেক তরুণ ভাই আমাকে বলছেন আপা, আমাদের বিয়ের ব্যবস্থা করেন। তাদের উদ্দেশে আমার কথা, আমাকে একটা করে ভোট দিন, আমি বিজয়ী হলে আপনাদের বিয়ের ব্যবস্থা সহজ করে দেব।
শুধু তরুণ ভোটার নয়, দাদা-দাদি, নানা-নানি, চাচা-চাচিসহ সব বয়সী ভোটারের কাছেই ‘বিয়ের উপহার’ হিসেবে একটি করে ভোট চেয়েছেন তিনি।
আশা মণির এই বক্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাস্যরসের জোয়ার বইছে।
জয়দেব দেবনাথ নামে এক নেটিজেন মন্তব্য করেন, কেউ দিতে চাচ্ছে বেহেশত, কেউ ফ্যামিলি কার্ড, আর আশা মণি আপা দিতে চাচ্ছেন বউ অথবা স্বামী!
উল্লেখ্য, এর আগেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন আশা মণি। তবে সে সময় তিনি অল্প কয়েকটি ভোট পেয়েছিলেন। ভোটের ফলাফল যাই হোক, স্থানীয় সমাজকর্মী আম্বিয়া খাতুন মনে করেন, নারী ক্ষমতায়ন ও অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আশা মণি একজন সাহসী পথযাত্রী।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মণিসহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পুরো ঠাকুরগাঁও জেলায় তিনটি সংসদীয় আসনের বিপরীতে নারী প্রার্থী রয়েছেন মাত্র দুজন। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে জাতীয় পার্টির নূরুন্নাহার বেগম ‘লাঙ্গল’ প্রতীক এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আশা মনির ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।













