‘নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতে সচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই
মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান রুখতে চাই নিরাপদ অভিবাসন সম্পর্কে তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। মানবতাবিরোধী এই অপরাধ দমনে আইনের প্রয়োগ জোরদার করার পাশাপাশি নিয়মিত সচেতনতামূলক সভা ও কর্মকাণ্ড আয়োজন করা জরুরি।
(২৯ এপ্রিল ২০২৬) বুধবার সকালে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। অস্ট্রেলিয়া সরকার ও ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের বাস্তবায়নে ‘ম্যাস ক্যাম্পেইন টু কমব্যাট হিউম্যান ট্রাফিকিং অ্যান্ড পিপল স্মাগলিং’ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা পর্যায়ের এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উখিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল ইসলাম সিরাজী বলেন, “নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে পারলে মানবপাচার ও চোরাচালান কমে আসবে। তবে এর জন্য সাধারণ মানুষকে সঠিক তথ্য দিয়ে সচেতন করতে হবে এবং আইনি ব্যবস্থা জোরদার করতে আরও কঠোর হতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উখিয়া থানার এসআই শুভ পাল পাচারকারীদের বিষয়ে সতর্ক করে বলেন, “পাচারকারীদের ধরা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে, কারণ অপরাধ করে তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়। এই এলাকায় অভিবাসী চোরাচালানের সংখ্যা অনেক বেশি, বিশেষ করে জালিয়াপালং ইউনিয়নে এই হার সবচেয়ে আশঙ্কাজনক।
উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা গোলাম মোরশেদ বলেন, মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালানের মতো কঠিন সংকট মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্র্যাকের মতো প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা ও সমন্বিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা জরুরি।
ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের কক্সবাজারের সেন্টার ম্যানেজার মোঃ আজিমুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাক সদর দপ্তরের সিনিয়র অফিসার আরলিন করিম। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার, ইমাম, গ্রাম পুলিশ, যুব প্রতিনিধি এবং ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়ক অজিত নন্দীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বিশ্বের সর্ববৃহৎ উন্নয়ন সংস্থা এবং সারা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় এনজিও- ব্র্যাক, ১৯৭২ সালের প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে দেশে ও দেশের বাইরে নানাবিধ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।
ব্র্যাকের বিভিন্ন কর্মসূচিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি কর্মসূচি হল মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম।




















