Dhaka ০১:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রৌমারীতে ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ী দিবস পালিত, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি।

রৌমারীতে ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ী দিবস পালিত, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি।

 

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ী সীমান্ত সংঘর্ষের ২৫তম বর্ষপূর্তি দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে বড়াইবাড়ী বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে এই দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ, বিশেষ অতিথি জেলা বিএনপির আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান, যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব, রাজীবপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোখলেছুর রহমান,

আরও পড়ুনঃ  জিডি করতে গিয়ে সাংবাদিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, লকআপে নেওয়ার চেষ্টা—অভিযোগ

 

রৌমারী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান রঞ্জু, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইমান আলী, কলাবাড়ী বিবিসি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোজাফ্ফর হোসেন, শহীদ ল্যান্স নায়েক ওয়াহিদুজ্জামান ছেলে দেলোয়ার হোসেন, যুদ্ধাহত সিপাহী এসএম জাহিদুন্নবী প্রমুখ। এছাড়া শহীদ পরিবার ও যুদ্ধাহত পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। সভায় সঞ্চালনা করেন রৌমারী উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান পলাশ।

আরও পড়ুনঃ  ফুলচাষি নেতার ওপর হামলার জেরে ২ পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬

আলোচনা সভায় বক্তারা দ্রুত বড়াইবাড়ী দিবসটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতির জোর দাবি জানান।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালের ১৮ এপ্রিল ভোররাতে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশি সীমান্তে অনাধিকার প্রবেশ করে বড়াইবাড়ী গ্রামের ঘুমন্ত মানুষের উপর হামলা চালায় ও বাড়িঘর নির্বিচারে জ¦ালিয়ে দেয়। ওই দিন হামলার দাঁতভাঙ্গা জবাব দিয়েছিল বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) এবং স্থানীয় জনতা। যৌথ সেই প্রতিরোধে বিএসএফের ১৬ জোয়ান নিহত হন।

আরও পড়ুনঃ  পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

ওই ঘটনায় শহীদ হয়েছিলেন বিডিয়ারের ৩৩ রাইফেলস্ ব্যাটালিয়নের ল্যান্স নায়েক ওয়াহিদুজ্জামান, সিপাহী মাহফুজার রহমান এবং ২৬ রাইফেলস্ ব্যাটালিয়নের সিপাহী আব্দুল কাদের। এছাড়া আহত হন হাবিলদার আব্দুল গনি, নায়েক নজরুল ইসলাম, ল্যান্স নায়েক আবু বক্কর সিদ্দিক, সিপাহি হাবিবুর রহমান ও সিপাহি জাহিদুন্নবী। এছাড়াও বিএসএফের তান্ডবে ওই ঘটনায় পুড়ে ছাই হয়েছিল বড়াইবাড়ী গ্রামের ৮৯টি বাড়ি। সরকারি হিসেবে মোট ক্ষতির পরিমাণ ছিল ৭২ লাখ টাকা।

 

জনপ্রিয় পোস্ট

রৌমারীতে ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ী দিবস পালিত, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি।

আপডেটের সময়: ০৮:০৪:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

রৌমারীতে ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ী দিবস পালিত, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি।

 

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ী সীমান্ত সংঘর্ষের ২৫তম বর্ষপূর্তি দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে বড়াইবাড়ী বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে এই দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ, বিশেষ অতিথি জেলা বিএনপির আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান, যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব, রাজীবপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোখলেছুর রহমান,

আরও পড়ুনঃ  জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধান চায় নাগরিক কমিটি

 

রৌমারী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান রঞ্জু, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইমান আলী, কলাবাড়ী বিবিসি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোজাফ্ফর হোসেন, শহীদ ল্যান্স নায়েক ওয়াহিদুজ্জামান ছেলে দেলোয়ার হোসেন, যুদ্ধাহত সিপাহী এসএম জাহিদুন্নবী প্রমুখ। এছাড়া শহীদ পরিবার ও যুদ্ধাহত পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। সভায় সঞ্চালনা করেন রৌমারী উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান পলাশ।

আরও পড়ুনঃ  প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা শুরুর দিনেই অনুপস্থিত ৩ হাজারের বেশি

আলোচনা সভায় বক্তারা দ্রুত বড়াইবাড়ী দিবসটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতির জোর দাবি জানান।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালের ১৮ এপ্রিল ভোররাতে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশি সীমান্তে অনাধিকার প্রবেশ করে বড়াইবাড়ী গ্রামের ঘুমন্ত মানুষের উপর হামলা চালায় ও বাড়িঘর নির্বিচারে জ¦ালিয়ে দেয়। ওই দিন হামলার দাঁতভাঙ্গা জবাব দিয়েছিল বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) এবং স্থানীয় জনতা। যৌথ সেই প্রতিরোধে বিএসএফের ১৬ জোয়ান নিহত হন।

আরও পড়ুনঃ  ফুলচাষি নেতার ওপর হামলার জেরে ২ পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬

 

ওই ঘটনায় শহীদ হয়েছিলেন বিডিয়ারের ৩৩ রাইফেলস্ ব্যাটালিয়নের ল্যান্স নায়েক ওয়াহিদুজ্জামান, সিপাহী মাহফুজার রহমান এবং ২৬ রাইফেলস্ ব্যাটালিয়নের সিপাহী আব্দুল কাদের। এছাড়া আহত হন হাবিলদার আব্দুল গনি, নায়েক নজরুল ইসলাম, ল্যান্স নায়েক আবু বক্কর সিদ্দিক, সিপাহি হাবিবুর রহমান ও সিপাহি জাহিদুন্নবী। এছাড়াও বিএসএফের তান্ডবে ওই ঘটনায় পুড়ে ছাই হয়েছিল বড়াইবাড়ী গ্রামের ৮৯টি বাড়ি। সরকারি হিসেবে মোট ক্ষতির পরিমাণ ছিল ৭২ লাখ টাকা।