Dhaka ০৯:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সন্তানদের জন্য বাঁচতে চান মিলন নামের এক অসহায় পিতা সাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্র বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত ও কার্যকর করতে সাতক্ষীরায় পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি সম্মেলন মালয়েশিয়ায় মাটিধসে নিহত শরিফুল ফিরলেন কফিনবন্দি হয়ে শয়তানের নিঃশ্বাস” আতঙ্কে পুলিশ সুপারের বরাবর এলাকাবাসীর আবেদন গোপালগঞ্জ মাদক নির্মূলে প্রয়োজন সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস — এমপি গোপালগঞ্জে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার সাতক্ষীরার বাবুলিয়া জেএস হাইস্কুলে কমিটি বাতিলের চাপ, প্রধান শিক্ষককে হুমকির অভিযোগ সাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে হলেন সহকারী সিভিল জজ,আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রাম সাংবাদিকদের অধিকার ও পেশাগত মানোন্নয়নে ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত

সাতক্ষীরার বাবুলিয়া জেএস হাইস্কুলে কমিটি বাতিলের চাপ, প্রধান শিক্ষককে হুমকির অভিযোগ

সাতক্ষীরার বাবুলিয়া জেএস হাইস্কুলে কমিটি বাতিলের চাপ, প্রধান শিক্ষককে হুমকির অভিযোগ

 

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাবুলিয়া জেএস হাইস্কুলের এডহক কমিটি বাতিল ও চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে প্রধান শিক্ষক নাজনীন আক্তারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ছড়িয়ে পড়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলছেন। এ সময় তাদের এডহক কমিটি বাতিলের জন্য প্রধান শিক্ষককে চাপ দিতে এবং কমিটির সভাপতি শহিদুজ্জামান (শহিদ)কে বিদ্যালয়ে না ডাকার কথা বলতে শোনা যায়।

আরও পড়ুনঃ  শার্শায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল বিএইচই ইউনিয়ন

অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় সাদেক ড্রাইভার ও কবিরের নেতৃত্বে আঁগরদাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়ারুল, জামারুল, কানা সাঈদ, রফিকুলসহ আরও কয়েকজন ওই ঘটনায় জড়িত। অভিযোগকারীদের দাবি, কমিটি বাতিলের দাবি না মানলে প্রধান শিক্ষককে পথে-ঘাটে হেনস্তা ও জীবননাশের হুমকি দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ  যশোর সীমান্তে চোরাচালানী মালামাল জব্দ

সিসিটিভি ফুটেজে এডহক কমিটির সভাপতি শহিদুজ্জামানকে নিয়ে অশ্লীল ও আপত্তিকর ভাষায় কথাবার্তাও শোনা যায় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে মোবাইল ফোনে প্রধান শিক্ষককে একাধিকবার হুমকি দেওয়া হয়। একইসঙ্গে তার কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগও করা হয়েছে।

এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক- লাইব্রেরিয়ান মোহাম্মদ আব্দুল জলিল ও মোহাম্মদ আবু রায়হানের সম্পৃক্ততা ও যোগসাজশের অভিযোগও উঠেছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং তাদের বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্র

ঘটনার পর বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

জনপ্রিয় পোস্ট

সন্তানদের জন্য বাঁচতে চান মিলন নামের এক অসহায় পিতা

সাতক্ষীরার বাবুলিয়া জেএস হাইস্কুলে কমিটি বাতিলের চাপ, প্রধান শিক্ষককে হুমকির অভিযোগ

আপডেটের সময়: ০৭:৪০:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাতক্ষীরার বাবুলিয়া জেএস হাইস্কুলে কমিটি বাতিলের চাপ, প্রধান শিক্ষককে হুমকির অভিযোগ

 

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাবুলিয়া জেএস হাইস্কুলের এডহক কমিটি বাতিল ও চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে প্রধান শিক্ষক নাজনীন আক্তারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ছড়িয়ে পড়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলছেন। এ সময় তাদের এডহক কমিটি বাতিলের জন্য প্রধান শিক্ষককে চাপ দিতে এবং কমিটির সভাপতি শহিদুজ্জামান (শহিদ)কে বিদ্যালয়ে না ডাকার কথা বলতে শোনা যায়।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্র

অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় সাদেক ড্রাইভার ও কবিরের নেতৃত্বে আঁগরদাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়ারুল, জামারুল, কানা সাঈদ, রফিকুলসহ আরও কয়েকজন ওই ঘটনায় জড়িত। অভিযোগকারীদের দাবি, কমিটি বাতিলের দাবি না মানলে প্রধান শিক্ষককে পথে-ঘাটে হেনস্তা ও জীবননাশের হুমকি দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা

সিসিটিভি ফুটেজে এডহক কমিটির সভাপতি শহিদুজ্জামানকে নিয়ে অশ্লীল ও আপত্তিকর ভাষায় কথাবার্তাও শোনা যায় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে মোবাইল ফোনে প্রধান শিক্ষককে একাধিকবার হুমকি দেওয়া হয়। একইসঙ্গে তার কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগও করা হয়েছে।

এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক- লাইব্রেরিয়ান মোহাম্মদ আব্দুল জলিল ও মোহাম্মদ আবু রায়হানের সম্পৃক্ততা ও যোগসাজশের অভিযোগও উঠেছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং তাদের বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুনঃ  গোবিপ্রবিতে নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্যের যোগদান

ঘটনার পর বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।