ইখলাসের ক্লু-লেস হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন ও ০২ জন আসামী গ্রেফতার।
গত ২২/০৯/২০২৬ তারিখ সকাল অনুমান ০৯:৩০ ঘটিকায় যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানাধীন গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের গঙ্গানন্দপুর পূর্বপাড়া জনৈক মারুফ মল্লিক এর ব্রয়লার ফার্মের পিছনে কপোতক্ষ নদীতে মৃতদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন ঝিকরগাছা থানা পুলিশকে সংবাদ দেয়।
থানা পুলিশ উক্ত স্থানে গিয়ে মৃতদেহটি পানি থেকে তুললে পরিবারের লোকজন তাকে মোঃ ইখলাস বলে শনাক্ত করে। তার পরিবারের লোকজন জানাই গত ১৯/০৯/২০২৬ তারিখ সকাল অনুমান ০৮:৩০ ঘটিকার সময় ভিকটিম মোঃ ইখলাস ভ্যান নিয়ে ভাড়ায় বের হয়।

সে বাড়ীতে না ফেরায় পরিবারের সদস্য চৌগাছা থানাতে ২০-০৯-২০২৬ তারিখ জিডি করেন। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে ঝিকরগাছা থানাতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির নামে মামলা দায়ের করেন। নাভারন সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আরিফ হোসের এর নেতৃত্বে ঝিকরগাছা থানার ওসি তদন্ত মোঃ ইদ্দ্রিস আলী ও উক্ত মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই(নিঃ) মোল্লা রেজাউল করিমসহ একটি চৌকস টিম ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটনের জন্য তদন্ত শুরু করেন।
তদন্তকালে ইং- ২৩/০৯/২০২৬ তারিখ সন্ধিগ্ধ আসামী মোঃ মেহেদী হাসান (২৯) কে কোতয়ালী থানাধীন ঝাউদিয়া গ্রাম হতে গ্রেফতার করেন। তার দেওয়া তথ্য মতে অন্য আসামী আশরাফুল আলম (২১) কে ঝিকরগাছা থানাধীন গঙ্গানন্দপুর এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারের পর উভয় আসামী মোঃ ইখলাস এর হত্যার কথা অকপটে স্বীকার করে এবং তাদের দেওয়া তথ্য মতে লুকিয়ে রাখা স্থান হতে মোঃ ইখলাস এর ভ্যানটি উদ্ধার করা হয়।
আসামীরা বলে ভিকটিমের ভ্যানটি নিজেদের দখলে নিয়ে বিক্রয় করে অর্থ লাভের উদ্দেশ্যে কোমল পানীয়তে চেতনানাশক ঔষুধ মিশিয়ে, তাকে পান করিয়ে, গলায় ফাঁস দিয়ে ও পানিতে চুবিয়ে হত্যা করে এবং মৃতদেহটি গোপন করার জন্য ০৪ টি ইট বেঁধে কপোতক্ষ নদীতে ডুবিয়ে দেয়।
আসামীদের ইং- ২৪/০৯/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়।
আসামীদের নাম ও ঠিকানাঃ
০১। মোঃ মেহেদী হাসান (২৯)
পিতাঃ ইদ্রিস আলী
সাং- গঙ্গানন্দপুর, থানা- ঝিকরগাছা, জেলা- যশোর ।
০২। আশরাফুল আলম(২১)
পিতা- মোস্তফা কামাল
সাং- বিষহরি, থানা- ঝিকরগাছা, জেলা- যশোর ।



















