Dhaka ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
আমেরিকা প্রবাসী উপদেষ্টাকে সংবর্ধনা দিলো ‘সেবা সংগঠন’ রতনপুরে দিনব্যাপী গনসংযোগ ও মতবিনিময় করেন এমপি রবিউল বাশার তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জের উত্তর শ্রীপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চুরি থানায় অভিযোগ বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে গ্রহণযোগ্য আহ্বায়ক কমিটি চায় শ্যামনগর বিএনপির তৃণমূল শার্শার বাহাদুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আসাদুজ্জামান আসাদ রাতের খাবারে চেতনানাশক,একই পরিবারের ৩ সদস্য হাসপাতালে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে বিদেশী মদ জব্দ রাজারহাটে অবৈধ মাছ শিকারে অভিযান, ৫০টি নিষিদ্ধ জাল জব্দ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, শুরু হচ্ছে ৭ দিনের বিশেষ অভিযান’

কুড়িগ্রামে চিলমারী ব্রহ্মপুত্রের তীরে ‘অষ্টমী স্নানে’অর্ধকোটি বেশি ভক্তদের ঢল

২৬ মার্চ ২০২৬ রোজ বৃহস্পতিবার গভীর বিশ্বাস, ভক্তি ও আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষার এক অনন্য প্রকাশ হিসেবে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের বালুচরে পবিত্র ‘অষ্টমী স্নান’ উৎসব পালন করতে অর্ধকোটিবেশি ভক্তের সমাগম ঘটে।

 

ভোরের আলো ফুটতেই মানুষের ঢলে পরিণত হয়। নারী, পুরুষ ও শিশুসহ অসংখ্য তীর্থযাত্রী রাণীগঞ্জ, নয়ারহাট, থানাহাট, রমনা, অষ্টমী চরসহ চিলমারীর বিভিন্ন ইউনিয়নের চরাঞ্চলে ভিড় জমান। চারপাশে ভেসে ওঠে ভক্তিমূলক সঙ্গীত, প্রার্থনা আর গভীর আধ্যাত্মিক অনুভবের আবহ।

আরও পড়ুনঃ  জেলা আ'লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসন তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্নান অনুষ্ঠান সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল ভাবে সম্পন্নের লক্ষে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্হা গ্রহণ করেন। যাতে করে পবিত্র এই আচার নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে রমনা ঘাট, বলাবাড়ি হাট, রাণীগঞ্জ হাট ও ফকিরের হাটে নির্ধারিত স্নানঘাটে ভক্তরা শৃঙ্খলার সঙ্গে স্নান করতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ  বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস ইসলামের সঙ্গে নাগরিক অধিকার আন্দোলন, যশোরের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে ‘অষ্টমী স্নান’—যা ‘পুণ্য স্নান’ নামেও পরিচিত—শুধু একটি আনুষ্ঠানিক স্নান নয়, বরং আত্মার পরিশুদ্ধির প্রতীকী এক গভীর আধ্যাত্মিক সাধনা। ভক্তদের বিশ্বাস, এই পুণ্য তিথিতে ব্রহ্মপুত্রের পবিত্র জলে স্নান করলে জীবনের সঞ্চিত পাপ মোচন হয় এবং লাভ হয় ঈশ্বরের আশীর্বাদ, মানসিক শান্তি ও আত্মিক পুনর্জাগরণ।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তীর্থযাত্রীরা এই উৎসবে অংশ নিতে আসেন, বিশেষ করে রংপুর বিভাগের আট জেলার মানুষের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। বাংলা মাস চৈত্র বা বৈশাখের প্রথম সপ্তাহে আয়োজিত শতবর্ষী এই উৎসবটি এ অঞ্চলের ধর্মীয় জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত।

আরও পড়ুনঃ  রাজারহাটে অবৈধ মাছ শিকারে অভিযান, ৫০টি নিষিদ্ধ জাল জব্দ

তবে আগের বছরের তুলনায় এবার কোনো বিদেশি ভক্তের উপস্থিতি দেখা যায়নি। অতীতে প্রতিবেশী ভারত ও নেপাল থেকেও বহু তীর্থযাত্রী এই উৎসবে অংশ নিতেন, যা এ উৎসবের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় গুরুত্বকে বাড়িয়ে দিত।

জনপ্রিয় পোস্ট

আমেরিকা প্রবাসী উপদেষ্টাকে সংবর্ধনা দিলো ‘সেবা সংগঠন’

কুড়িগ্রামে চিলমারী ব্রহ্মপুত্রের তীরে ‘অষ্টমী স্নানে’অর্ধকোটি বেশি ভক্তদের ঢল

আপডেটের সময়: ০৯:০৭:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

২৬ মার্চ ২০২৬ রোজ বৃহস্পতিবার গভীর বিশ্বাস, ভক্তি ও আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষার এক অনন্য প্রকাশ হিসেবে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের বালুচরে পবিত্র ‘অষ্টমী স্নান’ উৎসব পালন করতে অর্ধকোটিবেশি ভক্তের সমাগম ঘটে।

 

ভোরের আলো ফুটতেই মানুষের ঢলে পরিণত হয়। নারী, পুরুষ ও শিশুসহ অসংখ্য তীর্থযাত্রী রাণীগঞ্জ, নয়ারহাট, থানাহাট, রমনা, অষ্টমী চরসহ চিলমারীর বিভিন্ন ইউনিয়নের চরাঞ্চলে ভিড় জমান। চারপাশে ভেসে ওঠে ভক্তিমূলক সঙ্গীত, প্রার্থনা আর গভীর আধ্যাত্মিক অনুভবের আবহ।

আরও পড়ুনঃ  বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস ইসলামের সঙ্গে নাগরিক অধিকার আন্দোলন, যশোরের সৌজন্য সাক্ষাৎ

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসন তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্নান অনুষ্ঠান সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল ভাবে সম্পন্নের লক্ষে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্হা গ্রহণ করেন। যাতে করে পবিত্র এই আচার নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে রমনা ঘাট, বলাবাড়ি হাট, রাণীগঞ্জ হাট ও ফকিরের হাটে নির্ধারিত স্নানঘাটে ভক্তরা শৃঙ্খলার সঙ্গে স্নান করতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ  আমেরিকা প্রবাসী উপদেষ্টাকে সংবর্ধনা দিলো ‘সেবা সংগঠন'

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে ‘অষ্টমী স্নান’—যা ‘পুণ্য স্নান’ নামেও পরিচিত—শুধু একটি আনুষ্ঠানিক স্নান নয়, বরং আত্মার পরিশুদ্ধির প্রতীকী এক গভীর আধ্যাত্মিক সাধনা। ভক্তদের বিশ্বাস, এই পুণ্য তিথিতে ব্রহ্মপুত্রের পবিত্র জলে স্নান করলে জীবনের সঞ্চিত পাপ মোচন হয় এবং লাভ হয় ঈশ্বরের আশীর্বাদ, মানসিক শান্তি ও আত্মিক পুনর্জাগরণ।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তীর্থযাত্রীরা এই উৎসবে অংশ নিতে আসেন, বিশেষ করে রংপুর বিভাগের আট জেলার মানুষের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। বাংলা মাস চৈত্র বা বৈশাখের প্রথম সপ্তাহে আয়োজিত শতবর্ষী এই উৎসবটি এ অঞ্চলের ধর্মীয় জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত।

আরও পড়ুনঃ  রতনপুরে দিনব্যাপী গনসংযোগ ও মতবিনিময় করেন এমপি রবিউল বাশার

তবে আগের বছরের তুলনায় এবার কোনো বিদেশি ভক্তের উপস্থিতি দেখা যায়নি। অতীতে প্রতিবেশী ভারত ও নেপাল থেকেও বহু তীর্থযাত্রী এই উৎসবে অংশ নিতেন, যা এ উৎসবের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় গুরুত্বকে বাড়িয়ে দিত।