Dhaka ১০:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কালিগঞ্জে নাশকতা মামলায় শ্রমিকলীগ নেতা ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার তিনশ বছরের ঐতিহ্যের গুড়পুকুর মেলা উদ্বোধন আশাশুনির বাঁকড়ায় পুলিশের আওয়ামী লীগ কর্মী আজিজুল গ্রেপ্তার গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নে ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন রামগঞ্জের প্রবীণ সাংবাদিক মুক্তিযোদ্ধা ওবায়েদুল হকের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত রামগঞ্জ কে একটি আধুনিক রামগঞ্জ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই এম পি সন্তানকে নিয়ে বাঁচতে চান একরামুল, চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৬ লাখ টাকা গোপালগঞ্জে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে স্বামী নিহত, স্ত্রী হাসপাতালে বেনাপোলে ৪৩ বোতল বিদেশি মদসহ চোরাচালান পণ্য জব্দ

জেলা প্রশানের নির্দেশ অমান্য সাতক্ষীরা সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

জেলা প্রশাসনের ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আলাউদ্দীনের বিরুদ্ধে ৪র্থ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রাখার অভিযোগ উঠেছে।

 

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১১ মার্চ জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভর্তি কমিটির সভায় অভিভাবকদের আবেদন বিবেচনায় নিয়ে সাতক্ষীরার সরকারি দুই বিদ্যালয়ে মোট ১৩ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভর্তির জন্য সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ জন এবং সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭ জন শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্ত ছিল।

 

ভর্তি কমিটিতে জেলা প্রশাসক সভাপতি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই শেষে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা বিদ্যালয়গুলোতে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরায় পরকীয়া করে অন্যের স্ত্রীকে ফুসলিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ মেম্বারের বিরুদ্ধে

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, এক মাসের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত কোনো শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়নি। এমনকি অভিভাবকদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগও করা হয়নি বলে জানা গেছে। কয়েকজন অভিভাবক অভিযোগ করেছেন, যোগাযোগ করলে তাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সরকারি স্কুলে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠিত কমিটিতে জেলা প্রশাসক সভাপতি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তারা সদস্য হিসেবে থাকেন। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জ মধুমতী খাল থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার :

একজন অভিভাবক শাহিদুন নেছা জানান, তিনি জানুয়ারি মাসে তার মেয়েকে ৪র্থ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেন। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের যাচাই-বাছাই শেষে তার মেয়ের ভর্তি সুপারিশ করা হয়। ৮ এপ্রিল স্কুলে গেলে প্রধান শিক্ষক তাকে ভর্তি ফি ও কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেন। তবে নির্ধারিত দিনে গেলে তাকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় রেখে শেষ পর্যন্ত ভর্তি না নিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এছাড়া কয়েকজন অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ভর্তি কমিটির সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো যোগাযোগ না করায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এতে ভর্তি নীতিমালা লঙ্ঘন হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেন।
অন্যদিকে, নীতিমালার ১১.৮ ধারা অনুযায়ী কোনো কোটা আসন শূন্য রাখা যাবে না এবং কোটা পূরণ না হলে সাধারণ কোটা থেকে ভর্তি সম্পন্ন করার নির্দেশনা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সন্তানকে নিয়ে বাঁচতে চান একরামুল, চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৬ লাখ টাকা

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আলাউদ্দীন অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, তিনি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) কে বিষয়টি জানিয়েছেন এবং দুইটি আবেদনের কারণে কিছু জটিলতা ছিল। তিনি আরও বলেন, আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে, তবে ভর্তি কার্যক্রম এখনও সম্পন্ন হয়নি।

এ ঘটনায় জেলা প্রশাসনের ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

কালিগঞ্জে নাশকতা মামলায় শ্রমিকলীগ নেতা ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

জেলা প্রশানের নির্দেশ অমান্য সাতক্ষীরা সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

আপডেটের সময়: ১০:৩২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

জেলা প্রশাসনের ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আলাউদ্দীনের বিরুদ্ধে ৪র্থ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রাখার অভিযোগ উঠেছে।

 

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১১ মার্চ জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভর্তি কমিটির সভায় অভিভাবকদের আবেদন বিবেচনায় নিয়ে সাতক্ষীরার সরকারি দুই বিদ্যালয়ে মোট ১৩ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভর্তির জন্য সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ জন এবং সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭ জন শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্ত ছিল।

 

ভর্তি কমিটিতে জেলা প্রশাসক সভাপতি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই শেষে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা বিদ্যালয়গুলোতে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, এক মাসের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত কোনো শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়নি। এমনকি অভিভাবকদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগও করা হয়নি বলে জানা গেছে। কয়েকজন অভিভাবক অভিযোগ করেছেন, যোগাযোগ করলে তাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সরকারি স্কুলে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠিত কমিটিতে জেলা প্রশাসক সভাপতি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তারা সদস্য হিসেবে থাকেন। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ  সন্তানকে নিয়ে বাঁচতে চান একরামুল, চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৬ লাখ টাকা

একজন অভিভাবক শাহিদুন নেছা জানান, তিনি জানুয়ারি মাসে তার মেয়েকে ৪র্থ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেন। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের যাচাই-বাছাই শেষে তার মেয়ের ভর্তি সুপারিশ করা হয়। ৮ এপ্রিল স্কুলে গেলে প্রধান শিক্ষক তাকে ভর্তি ফি ও কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেন। তবে নির্ধারিত দিনে গেলে তাকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় রেখে শেষ পর্যন্ত ভর্তি না নিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এছাড়া কয়েকজন অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ভর্তি কমিটির সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো যোগাযোগ না করায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এতে ভর্তি নীতিমালা লঙ্ঘন হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেন।
অন্যদিকে, নীতিমালার ১১.৮ ধারা অনুযায়ী কোনো কোটা আসন শূন্য রাখা যাবে না এবং কোটা পূরণ না হলে সাধারণ কোটা থেকে ভর্তি সম্পন্ন করার নির্দেশনা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নে ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আলাউদ্দীন অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, তিনি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) কে বিষয়টি জানিয়েছেন এবং দুইটি আবেদনের কারণে কিছু জটিলতা ছিল। তিনি আরও বলেন, আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে, তবে ভর্তি কার্যক্রম এখনও সম্পন্ন হয়নি।

এ ঘটনায় জেলা প্রশাসনের ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।