Dhaka ১১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
পেশাগত ঝুঁকি এড়াতে খুলনা বিভাগের ৬০ সাংবাদিককে দেওয়া হলো বিশেষ নিরাপত্তা সরঞ্জাম চুরি-ছিনতাইয়ের ১১ মামলার আসামি রাহাত ইসলাম শান্ত গ্রেপ্তার আমেরিকা প্রবাসী উপদেষ্টাকে সংবর্ধনা দিলো ‘সেবা সংগঠন’ রতনপুরে দিনব্যাপী গনসংযোগ ও মতবিনিময় করেন এমপি রবিউল বাশার তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জের উত্তর শ্রীপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চুরি থানায় অভিযোগ বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে গ্রহণযোগ্য আহ্বায়ক কমিটি চায় শ্যামনগর বিএনপির তৃণমূল শার্শার বাহাদুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আসাদুজ্জামান আসাদ রাতের খাবারে চেতনানাশক,একই পরিবারের ৩ সদস্য হাসপাতালে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে বিদেশী মদ জব্দ

জেলা প্রশানের নির্দেশ অমান্য সাতক্ষীরা সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

জেলা প্রশাসনের ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আলাউদ্দীনের বিরুদ্ধে ৪র্থ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রাখার অভিযোগ উঠেছে।

 

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১১ মার্চ জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভর্তি কমিটির সভায় অভিভাবকদের আবেদন বিবেচনায় নিয়ে সাতক্ষীরার সরকারি দুই বিদ্যালয়ে মোট ১৩ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভর্তির জন্য সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ জন এবং সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭ জন শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্ত ছিল।

 

ভর্তি কমিটিতে জেলা প্রশাসক সভাপতি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই শেষে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা বিদ্যালয়গুলোতে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুনঃ  আমেরিকা প্রবাসী উপদেষ্টাকে সংবর্ধনা দিলো ‘সেবা সংগঠন'

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, এক মাসের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত কোনো শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়নি। এমনকি অভিভাবকদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগও করা হয়নি বলে জানা গেছে। কয়েকজন অভিভাবক অভিযোগ করেছেন, যোগাযোগ করলে তাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সরকারি স্কুলে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠিত কমিটিতে জেলা প্রশাসক সভাপতি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তারা সদস্য হিসেবে থাকেন। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ  চুরি-ছিনতাইয়ের ১১ মামলার আসামি রাহাত ইসলাম শান্ত গ্রেপ্তার

একজন অভিভাবক শাহিদুন নেছা জানান, তিনি জানুয়ারি মাসে তার মেয়েকে ৪র্থ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেন। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের যাচাই-বাছাই শেষে তার মেয়ের ভর্তি সুপারিশ করা হয়। ৮ এপ্রিল স্কুলে গেলে প্রধান শিক্ষক তাকে ভর্তি ফি ও কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেন। তবে নির্ধারিত দিনে গেলে তাকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় রেখে শেষ পর্যন্ত ভর্তি না নিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এছাড়া কয়েকজন অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ভর্তি কমিটির সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো যোগাযোগ না করায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এতে ভর্তি নীতিমালা লঙ্ঘন হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেন।
অন্যদিকে, নীতিমালার ১১.৮ ধারা অনুযায়ী কোনো কোটা আসন শূন্য রাখা যাবে না এবং কোটা পূরণ না হলে সাধারণ কোটা থেকে ভর্তি সম্পন্ন করার নির্দেশনা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে গ্রহণযোগ্য আহ্বায়ক কমিটি চায় শ্যামনগর বিএনপির তৃণমূল

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আলাউদ্দীন অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, তিনি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) কে বিষয়টি জানিয়েছেন এবং দুইটি আবেদনের কারণে কিছু জটিলতা ছিল। তিনি আরও বলেন, আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে, তবে ভর্তি কার্যক্রম এখনও সম্পন্ন হয়নি।

এ ঘটনায় জেলা প্রশাসনের ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

পেশাগত ঝুঁকি এড়াতে খুলনা বিভাগের ৬০ সাংবাদিককে দেওয়া হলো বিশেষ নিরাপত্তা সরঞ্জাম

জেলা প্রশানের নির্দেশ অমান্য সাতক্ষীরা সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

আপডেটের সময়: ১০:৩২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

জেলা প্রশাসনের ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আলাউদ্দীনের বিরুদ্ধে ৪র্থ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রাখার অভিযোগ উঠেছে।

 

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১১ মার্চ জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভর্তি কমিটির সভায় অভিভাবকদের আবেদন বিবেচনায় নিয়ে সাতক্ষীরার সরকারি দুই বিদ্যালয়ে মোট ১৩ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভর্তির জন্য সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ জন এবং সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭ জন শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্ত ছিল।

 

ভর্তি কমিটিতে জেলা প্রশাসক সভাপতি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই শেষে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা বিদ্যালয়গুলোতে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুনঃ  রতনপুরে দিনব্যাপী গনসংযোগ ও মতবিনিময় করেন এমপি রবিউল বাশার

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, এক মাসের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত কোনো শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়নি। এমনকি অভিভাবকদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগও করা হয়নি বলে জানা গেছে। কয়েকজন অভিভাবক অভিযোগ করেছেন, যোগাযোগ করলে তাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সরকারি স্কুলে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠিত কমিটিতে জেলা প্রশাসক সভাপতি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তারা সদস্য হিসেবে থাকেন। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ  চুরি-ছিনতাইয়ের ১১ মামলার আসামি রাহাত ইসলাম শান্ত গ্রেপ্তার

একজন অভিভাবক শাহিদুন নেছা জানান, তিনি জানুয়ারি মাসে তার মেয়েকে ৪র্থ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেন। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের যাচাই-বাছাই শেষে তার মেয়ের ভর্তি সুপারিশ করা হয়। ৮ এপ্রিল স্কুলে গেলে প্রধান শিক্ষক তাকে ভর্তি ফি ও কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেন। তবে নির্ধারিত দিনে গেলে তাকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় রেখে শেষ পর্যন্ত ভর্তি না নিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এছাড়া কয়েকজন অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ভর্তি কমিটির সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো যোগাযোগ না করায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এতে ভর্তি নীতিমালা লঙ্ঘন হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেন।
অন্যদিকে, নীতিমালার ১১.৮ ধারা অনুযায়ী কোনো কোটা আসন শূন্য রাখা যাবে না এবং কোটা পূরণ না হলে সাধারণ কোটা থেকে ভর্তি সম্পন্ন করার নির্দেশনা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জের উত্তর শ্রীপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চুরি থানায় অভিযোগ

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আলাউদ্দীন অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, তিনি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) কে বিষয়টি জানিয়েছেন এবং দুইটি আবেদনের কারণে কিছু জটিলতা ছিল। তিনি আরও বলেন, আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে, তবে ভর্তি কার্যক্রম এখনও সম্পন্ন হয়নি।

এ ঘটনায় জেলা প্রশাসনের ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।