Dhaka ১১:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সন্তানদের জন্য বাঁচতে চান মিলন নামের এক অসহায় পিতা সাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্র বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত ও কার্যকর করতে সাতক্ষীরায় পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি সম্মেলন মালয়েশিয়ায় মাটিধসে নিহত শরিফুল ফিরলেন কফিনবন্দি হয়ে শয়তানের নিঃশ্বাস” আতঙ্কে পুলিশ সুপারের বরাবর এলাকাবাসীর আবেদন গোপালগঞ্জ মাদক নির্মূলে প্রয়োজন সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস — এমপি গোপালগঞ্জে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার সাতক্ষীরার বাবুলিয়া জেএস হাইস্কুলে কমিটি বাতিলের চাপ, প্রধান শিক্ষককে হুমকির অভিযোগ সাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে হলেন সহকারী সিভিল জজ,আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রাম সাংবাদিকদের অধিকার ও পেশাগত মানোন্নয়নে ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত

সাতক্ষীরায় ভাড়ায় চালিত বাইকারদের তেল সিন্ডিকেট সংকটে সাধারণ মানুষ

সাতক্ষীরা জেলা জুড়ে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকদের একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, যার ফলে তীব্র জ্বালানি সংকটে পড়েছে সাধারণ মানুষ। অভিযোগ উঠেছে, এসব বাইকার দিনের নির্দিষ্ট সময়ে ফিলিং স্টেশন থেকে তেল সংগ্রহ করে তা মজুদ রেখে পরবর্তীতে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে।

সোমবার ও মঙ্গলবার (২৩-২৪ মার্চ) বিভিন্ন এলাকায় অনুসন্ধান চালিয়ে এমন চিত্র পাওয়া গেছে। জানা যায়, সকাল, বিকাল ও রাত এই তিন সময়ে তারা তেল সংগ্রহ করে স্থানীয় গ্যারেজ ও নির্দিষ্ট পয়েন্টে ‘জোক সাজানো’ পদ্ধতিতে উচ্চ মূল্যে বিক্রি করছে।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জ ডিআরএম ইউনাইটেড আইডিয়াল কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জরুরি প্রয়োজনে তেল না পেয়ে বাধ্য হয়ে চড়া দামে কিনতে হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রেতা জানান, সোমবার উপজেলার বাঁশতলা বাজার থেকে দর কষাকষির পর ৩ লিটার অকটেন ১১০০ টাকায় কিনতে হয়েছে। একইভাবে কৃষ্ণনগর বাজারের একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজ থেকে ১ লিটার পেট্রোল কিনতে গুনতে হয়েছে ৩৩০ টাকা।

আরও পড়ুনঃ  গোবিপ্রবিতে আন্তঃবিভাগ ভলিবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ শুরু

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, নলতা, কালিগঞ্জ সদরের তারালী চৌরাস্তা, ফুলতলা মোড়, পাওখালী, রতনপুর বাজার, মৌতলা বাজার এবং বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এই অবৈধ তেল বাণিজ্য দেদারছে চলছে।

স্থানীয়দের মতে, ফিলিং স্টেশনগুলো থেকে জ্বালানি সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও একটি সংঘবদ্ধ চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। সিন্ডিকেটটি ভাঙতে না পারলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

আরও পড়ুনঃ  বেনাপোলে যুবদলের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ

ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল বলছেন, উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সমন্বিত ও কঠোর পদক্ষেপ ছাড়া এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

জনপ্রিয় পোস্ট

সন্তানদের জন্য বাঁচতে চান মিলন নামের এক অসহায় পিতা

সাতক্ষীরায় ভাড়ায় চালিত বাইকারদের তেল সিন্ডিকেট সংকটে সাধারণ মানুষ

আপডেটের সময়: ০৮:৫৯:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

সাতক্ষীরা জেলা জুড়ে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকদের একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, যার ফলে তীব্র জ্বালানি সংকটে পড়েছে সাধারণ মানুষ। অভিযোগ উঠেছে, এসব বাইকার দিনের নির্দিষ্ট সময়ে ফিলিং স্টেশন থেকে তেল সংগ্রহ করে তা মজুদ রেখে পরবর্তীতে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে।

সোমবার ও মঙ্গলবার (২৩-২৪ মার্চ) বিভিন্ন এলাকায় অনুসন্ধান চালিয়ে এমন চিত্র পাওয়া গেছে। জানা যায়, সকাল, বিকাল ও রাত এই তিন সময়ে তারা তেল সংগ্রহ করে স্থানীয় গ্যারেজ ও নির্দিষ্ট পয়েন্টে ‘জোক সাজানো’ পদ্ধতিতে উচ্চ মূল্যে বিক্রি করছে।

আরও পড়ুনঃ  মুকসুদপুর ও গোপালগঞ্জে পৃথক তিন সড়ক দুর্ঘটনা,নিহত ১

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জরুরি প্রয়োজনে তেল না পেয়ে বাধ্য হয়ে চড়া দামে কিনতে হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রেতা জানান, সোমবার উপজেলার বাঁশতলা বাজার থেকে দর কষাকষির পর ৩ লিটার অকটেন ১১০০ টাকায় কিনতে হয়েছে। একইভাবে কৃষ্ণনগর বাজারের একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজ থেকে ১ লিটার পেট্রোল কিনতে গুনতে হয়েছে ৩৩০ টাকা।

আরও পড়ুনঃ  বেনাপোলে যুবদলের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, নলতা, কালিগঞ্জ সদরের তারালী চৌরাস্তা, ফুলতলা মোড়, পাওখালী, রতনপুর বাজার, মৌতলা বাজার এবং বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এই অবৈধ তেল বাণিজ্য দেদারছে চলছে।

স্থানীয়দের মতে, ফিলিং স্টেশনগুলো থেকে জ্বালানি সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও একটি সংঘবদ্ধ চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। সিন্ডিকেটটি ভাঙতে না পারলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

আরও পড়ুনঃ  বেনাপোলে দুই মাসে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ভারতীয় ইলিশ আমদানি

ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল বলছেন, উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সমন্বিত ও কঠোর পদক্ষেপ ছাড়া এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।