Dhaka ০৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণের দায়ে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত

ধর্ষণের দায়ে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত

 

কুষ্টিয়ায় বিয়ের প্রলোভনে এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে জনি ওরফে রাজিম (২৮) নামে এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকার জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের দণ্ডদেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল) বিচারক জয়নাল আবেদীন আদালতে পলাতক আসামীর অনুপস্থিতিতে এই রায় দেন।

আরও পড়ুনঃ  কুড়িগ্রামে ভাঙা সেতুতে দুর্ভোগে ৫০ হাজার মানুষ

 

দন্ডপ্রাপ্ত জনি ওরফে রাজিম কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার ষোলদাগ গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে। মামলা সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয়ের পর সম্পর্ক গড়ে তুলে নিজেকে সেনাসদস্য পরিচয় দেন জনি। ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি রাতে ভুক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে তার বাবা-মায়ের অনুপস্থিতির সুযোগে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।

আরও পড়ুনঃ  নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং

 

পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে বিয়ের জন্য চাপ দিলে আসামী বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন এবং প্রমোশনের কথা বলে ঘুষ দেওয়ার অজুহাতে ৮ লাখ টাকা দাবি করেন। ভুক্তভোগীর প্রবাসী বাবা মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে ওই টাকা দেন। এরপর আসামী যোগাযোগ বন্ধ করে দেন এবং সন্তানের পিতৃত্ব অস্বীকার করেন।

আরও পড়ুনঃ  ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু ফাহিম বাঁচতে চায়

 

পরে ২০২৩ সালের ২ মার্চ ভুক্তভোগীর একটি ছেলে সন্তান জন্ম হয়। পরবর্তীতে ২২ জুন ভুক্তভোগী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।

 

তদন্ত শেষে ডিএনএ পরীক্ষায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ভেড়ামারা থানার উপপরিদর্শক মিন্টু মিয়া ২০২৩ সালের ৩১ অক্টোবর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার বিচার শেষে আদালত এ রায় দেন।

জনপ্রিয় পোস্ট

ধর্ষণের দায়ে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত

আপডেটের সময়: ০৬:৪৯:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

ধর্ষণের দায়ে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত

 

কুষ্টিয়ায় বিয়ের প্রলোভনে এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে জনি ওরফে রাজিম (২৮) নামে এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকার জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের দণ্ডদেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল) বিচারক জয়নাল আবেদীন আদালতে পলাতক আসামীর অনুপস্থিতিতে এই রায় দেন।

আরও পড়ুনঃ  বীরগঞ্জে ২১০ পরিবারের মাঝে নগদ সহায়তা বিতরণ

 

দন্ডপ্রাপ্ত জনি ওরফে রাজিম কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার ষোলদাগ গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে। মামলা সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয়ের পর সম্পর্ক গড়ে তুলে নিজেকে সেনাসদস্য পরিচয় দেন জনি। ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি রাতে ভুক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে তার বাবা-মায়ের অনুপস্থিতির সুযোগে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।

আরও পড়ুনঃ  ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু ফাহিম বাঁচতে চায়

 

পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে বিয়ের জন্য চাপ দিলে আসামী বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন এবং প্রমোশনের কথা বলে ঘুষ দেওয়ার অজুহাতে ৮ লাখ টাকা দাবি করেন। ভুক্তভোগীর প্রবাসী বাবা মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে ওই টাকা দেন। এরপর আসামী যোগাযোগ বন্ধ করে দেন এবং সন্তানের পিতৃত্ব অস্বীকার করেন।

আরও পড়ুনঃ  অস্ত্রোপচারের সময় শিশুর মৃত্যু দুই চিকিৎসক আটক

 

পরে ২০২৩ সালের ২ মার্চ ভুক্তভোগীর একটি ছেলে সন্তান জন্ম হয়। পরবর্তীতে ২২ জুন ভুক্তভোগী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।

 

তদন্ত শেষে ডিএনএ পরীক্ষায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ভেড়ামারা থানার উপপরিদর্শক মিন্টু মিয়া ২০২৩ সালের ৩১ অক্টোবর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার বিচার শেষে আদালত এ রায় দেন।