Dhaka ১২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে বিদেশী মদ জব্দ রাজারহাটে অবৈধ মাছ শিকারে অভিযান, ৫০টি নিষিদ্ধ জাল জব্দ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, শুরু হচ্ছে ৭ দিনের বিশেষ অভিযান’ জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস ইসলামের সঙ্গে নাগরিক অধিকার আন্দোলন, যশোরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ভিনিসিয়ুসের জন্য মোটা অঙ্কের প্রস্তাব দিতে প্রস্তুত আর্সেনাল! সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দুই চিকিৎসক ও এক নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা পাবনায় সাড়ে ১৩ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ১, মামলা দায়ের: স্বাস্থ্য মন্ত্রীর তালা হসপিটাল পরিদর্শন ডাক্তারকে বদলি ও নৈশ প্রহরী বরখাস্ত যশোরে বিজিবি’র অভিযানে স্বর্ণের বারসহ আটক-১

ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু ফাহিম বাঁচতে চায়

অর্থের অভাবে থমকে আছে চিকিৎসা, ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু ফাহিম বাঁচতে চায়

 

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের তালুক আষারু গ্রামের বাসিন্দা মিজানুর রহমান ও ফেন্সি আক্তার দম্পতির একমাত্র সন্তান ফাহিম আহমেদ (৫)। প্রায় এক বছর আগে রাজধানীর একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে পরীক্ষার পর তার শরীরে ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে।

 

এরপর থেকেই ছেলেকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে ওঠে পরিবার।
মোবাইল মেকানিক বাবা মিজানুর রহমান ছেলের চিকিৎসার জন্য নিজের দোকানসহ সব মালামাল বিক্রি করে দেন। এরপর একটি বেসরকারি সংস্থা থেকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা ঋণ নেন। তাতেও না পেরে বসতবাড়ি ব্যাংকে বন্ধক রেখে আরও ছয় লাখ টাকা সংগ্রহ করেন। আত্মীয়স্বজন ও সহৃদয় মানুষের সহায়তায় এখন পর্যন্ত প্রায় ২৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে ফাহিমের চিকিৎসায়।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দুই চিকিৎসক ও এক নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

দীর্ঘ ১০ মাস চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থতার পথে ফিরেছে ফাহিম। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, নিয়মিত আরও প্রায় দেড় বছর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারলে সে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে। তবে বর্তমানে কেমোথেরাপি ও প্রয়োজনীয় ওষুধের খরচ জোগাড় করাই পরিবারের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা সম্পন্ন করতে আরও পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা প্রয়োজন, যা তাদের পক্ষে জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব।

আরও পড়ুনঃ  বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি'র অভিযানে বিদেশী মদ জব্দ

ফাহিমের দাদা আব্বাছ আলী বলেন, “নাতির চিকিৎসার জন্য বাড়িঘর, দোকানপাট সবই শেষ হয়ে গেছে। এখন নিজেদের চলাই কষ্টকর, চিকিৎসা করাব কীভাবে?।

বাবা মিজানুর রহমান বলেন, “আমার ছেলেটা এখন অনেকটাই ভালো। আর কিছুদিন চিকিৎসা চালাতে পারলে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবে। কিন্তু আমাদের আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছি।

আরও পড়ুনঃ  যশোর নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন

মা ফেন্সি আক্তার বলেন, “অন্য বাচ্চারা খেলতে যায়, স্কুলে যায়। আমার ছেলে আমাকে জিজ্ঞেস করে ‘মা, আমি কবে খেলতে যাব, কবে স্কুলে যাব?’ তখন বুকটা ভেঙে যায়।”
দাদি মমতা বেগমও নাতির চিকিৎসা চালিয়ে নিতে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।

ছোট্ট ফাহিম সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলেছে, সে যেন আবার সুস্থ হয়ে স্কুলে যেতে পারে এবং অন্য শিশুদের মতো খেলতে পারে।ফাহিমের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে সহায়তার জন্য পরিবারটি সবার কাছে আন্তরিক আবেদন জানিয়েছে।
সাহায্য পাঠাতে পরিবারের সাথে যোগাযোগ করুন: ০১৭৬৭২৮০০১১

জনপ্রিয় পোস্ট

বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে বিদেশী মদ জব্দ

ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু ফাহিম বাঁচতে চায়

আপডেটের সময়: ০২:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

অর্থের অভাবে থমকে আছে চিকিৎসা, ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু ফাহিম বাঁচতে চায়

 

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের তালুক আষারু গ্রামের বাসিন্দা মিজানুর রহমান ও ফেন্সি আক্তার দম্পতির একমাত্র সন্তান ফাহিম আহমেদ (৫)। প্রায় এক বছর আগে রাজধানীর একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে পরীক্ষার পর তার শরীরে ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে।

 

এরপর থেকেই ছেলেকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে ওঠে পরিবার।
মোবাইল মেকানিক বাবা মিজানুর রহমান ছেলের চিকিৎসার জন্য নিজের দোকানসহ সব মালামাল বিক্রি করে দেন। এরপর একটি বেসরকারি সংস্থা থেকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা ঋণ নেন। তাতেও না পেরে বসতবাড়ি ব্যাংকে বন্ধক রেখে আরও ছয় লাখ টাকা সংগ্রহ করেন। আত্মীয়স্বজন ও সহৃদয় মানুষের সহায়তায় এখন পর্যন্ত প্রায় ২৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে ফাহিমের চিকিৎসায়।

আরও পড়ুনঃ  জেলা আ'লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার

দীর্ঘ ১০ মাস চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থতার পথে ফিরেছে ফাহিম। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, নিয়মিত আরও প্রায় দেড় বছর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারলে সে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে। তবে বর্তমানে কেমোথেরাপি ও প্রয়োজনীয় ওষুধের খরচ জোগাড় করাই পরিবারের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা সম্পন্ন করতে আরও পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা প্রয়োজন, যা তাদের পক্ষে জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব।

আরও পড়ুনঃ  নাভারণ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন

ফাহিমের দাদা আব্বাছ আলী বলেন, “নাতির চিকিৎসার জন্য বাড়িঘর, দোকানপাট সবই শেষ হয়ে গেছে। এখন নিজেদের চলাই কষ্টকর, চিকিৎসা করাব কীভাবে?।

বাবা মিজানুর রহমান বলেন, “আমার ছেলেটা এখন অনেকটাই ভালো। আর কিছুদিন চিকিৎসা চালাতে পারলে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবে। কিন্তু আমাদের আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছি।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দুই চিকিৎসক ও এক নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

মা ফেন্সি আক্তার বলেন, “অন্য বাচ্চারা খেলতে যায়, স্কুলে যায়। আমার ছেলে আমাকে জিজ্ঞেস করে ‘মা, আমি কবে খেলতে যাব, কবে স্কুলে যাব?’ তখন বুকটা ভেঙে যায়।”
দাদি মমতা বেগমও নাতির চিকিৎসা চালিয়ে নিতে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।

ছোট্ট ফাহিম সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলেছে, সে যেন আবার সুস্থ হয়ে স্কুলে যেতে পারে এবং অন্য শিশুদের মতো খেলতে পারে।ফাহিমের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে সহায়তার জন্য পরিবারটি সবার কাছে আন্তরিক আবেদন জানিয়েছে।
সাহায্য পাঠাতে পরিবারের সাথে যোগাযোগ করুন: ০১৭৬৭২৮০০১১