Dhaka ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সাতক্ষীরায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৪৫৭ জন বিরলে বাসচাপায় এক বছরের শিশুর মৃত্যু। দিনাজপুরে তদন্ত সক্ষমতা বৃদ্ধি কোর্সের উদ্বোধন। চরপাড়া মোড়ে স্মার্ট এলইডি লাইট উদ্বোধন, “জামিয়া স্কয়ার” নামকরণের ঘোষণা বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকতে হলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে এগিয়ে যেতে হবে- সাতক্ষীরার ডিসি আফরোজা আখতার দুষ্কৃতীদের গুলিতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাসহ আহত ১০ ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দ্বিতীয় স্ত্রী এখন পুলিশি হেফাজতে যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সঙ্গে এটিএন নিউজ প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ কালিগঞ্জে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিন সম্পন্ন, অনুপস্থিত ১৩ কুশুলিয়া পুলিনবাবুর হাটখোলায় নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থাপনায় টানা দ্বিতীয় দিন শান্তিপূর্ণভাবে ডিজেল বিক্রি

মনির মোল্লা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন।

মনির মোল্লা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন।

আপনাদের সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আমি নিম্ন সাক্ষরকারী মো. শ্যামল মোল্লা, পিতা: মৃত, মনির মোল্লা, স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: উত্তর ভুকৈলাশ, চর বানিয়াল, বাংলাবাজার ইউনিয়ন, থানা ও জেলা: মুন্সীগঞ্জ। আজ ভগ্ন হৃদয়ে আপনাদের সামনে এসে হাজির হয়েছি আমার পিতা মৃত, মনির মোল্লার হত্যাকান্ডে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি নিয়ে। আমরা তিন ভাই, আমাদের কোনো বোন নেই।

 

আমার পিতা মনির মোল্লা পেশায় একজন কৃষক ছিল। আমরা তিন ভাই ঢাকায় ব্যবসা করি এবং আমার পিতাসহ পরিবারের জীবন-যাপনের খরচ বহন করি। আমার পিতা আমাদের পালন করা গুরুর দুধ বিক্রয় করে এবং সামান্য চাষাবাদ করে হাত খরচ চালাতো। গত ৪ মার্চ ২০২৬ইং তারিখ সকাল অনুমান সাড়ে ৭টার দিকে আমার পিতা ও মায়ের মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়।

 

বাগড়ার কথা নিকটস্থ প্রতিবেশী আমার মায়ের দুর সম্পর্কের খালতো ভাই ১ নম্বর বিবাদী নিজাম মিজি ঝগড়ার কথা শুনে আগ বাড়িয়ে মিটিয়ে দেয়ার কথা বলে নিজাম মিজির বাড়ীতে আমার মা ও বাবাকে ডেকে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে নিজাম মিজি আমার বাবার সাথে তর্কাতর্কিতে লিপ্ত হয়। উল্লেখ্য আমার বাবার সাথে নিজাম মিজির এলাকার বিভিন্ন বিষয় নিয়া মতবিরোধ ও শত্রুতা চলে আসছিল।

আরও পড়ুনঃ  ইসলামপুরে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত

যা থানার মামলা করার ঘটনাও ঘটেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ও আমার মায়ের সাথে বাবার ঝগড়ার মত তুচ্ছ বিষয় নিয়া নিজাম মিজির কাছে বিচার দেয়ায় বা বিষয়টি অবগত করানোর অজুহাতে নিজাম মিজি তর্কাতর্কির একপর্যায়ে আমার বাবাকে একটি কাঠের ডাসা দিয়ে তার পাছার মধ্যে বেশ কয়েকটি আঘাত করে।

 

আমার বাবা প্রতিহত করতে চাইলে ওই সময়ে উপস্থিত ২. খোরশেদ আলম ওরফে খুইশ্যা মাঝি (৪০), ৩. বিলকিস বেগম (৫০), ৪. নিশি (২৫), ও ৫. ইতি (২৩) আমার বাবাকে এলোপাথারী কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে থাকে। ধস্তা-ধস্তির একপর্যায়ে আমার বাবা মাটিতে পড়ে গেলে বিবাদী নিজাম মিজি আমার বাবাকে খুন করার উদ্দেশ্যে তার অন্ডকোষে জোরে আঘাত করলে আমার মা আমার বাবাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসলে ৩ নম্বর আসামী বিলকিস বেগম তাকে চুল ধরে টেনে-হিঁচড়ে চর থাপ্পর মারতে থাকে।

 

একপর্যায়ে আমার বাবা বাঁচার জন্য নিজাম মিজির হাতে কামড় দিলে ২ নম্বর আসামী তার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে আমার বাবার পিঠে ও শরীরের বিভিন্ন অংশে লাঠি দিয়ে আঘাত করে। আমার বাবার আর্তচিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে গুরুতর অসুস্থ্য অবস্থায় লোকজন আমার বাবাকে ধরাধরি করে প্রথমে আমাদের বাড়ীতে এনে মাথায় পানি দেয়। তিনি কিছুটা সুস্থ্য হলে তাকে চিকিৎসার জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার প্রস্রাবের রাস্তা দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে।

আরও পড়ুনঃ  ইয়াবাসহ মাদক সম্রাট আরাফাত র‍্যাবের হাতে আটক

 

হাসপাতালের ডাক্তাররা তাকে ভর্তি করলেও ধীরে ধীরে তার শরীর নিস্তেজ হতে থাকলে ওই হাসপাতালের ডাক্তাররা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন। তখন লোকজনের সহায়তায় আবার বাবাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে নিয়ে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। গত ৫ মার্চ ২০২৬ ইং তারিখ সকাল অনুমান সাড়ে ৭টার দিকে আমার বাবা ঢাকার ডেমরা থানা এলাকার বাঁশেরপুল সংলগ্ন সালামবাগ মসজিদের পাশে আমার ছোট ভাই তাজুল ইসলামের ভাড়া বাসায় চিকিৎসারত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

 

পরে বিষয়টি মুন্সীগঞ্জ থানা পুলিশকে অবগত করলে মুন্সীগঞ্জ থানা পুলিশের পরামর্শে ডিএমপি, ঢাকার ডেমরা থানাকে অবহিত করি। তখন ডেমরা থানা পুলিশ আমার ছোট ভাইয়ের বাসায় যায় এবং ডেমরা থানার একটি ডিজিমূলে (জিডি নং-৩২২, তাং-০৫/০৩/২০২৬ ইং) আমার বাবার মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে এবং মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। ময়না তদন্তের পর আমার বাবার মৃতদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ীর কবরস্তানে দাফন সম্পন্ন করি।

আরও পড়ুনঃ  বিষ্ণুপুরে দেড় কিলোমিটার কার্পেটিং সড়কের নির্মাণকাজ উদ্বোধন

 

প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা, ঘটনায় জড়িত বিবাদীরা পূর্ব শত্রুতা ও মতবিরোধের জেরে পরস্পর একই উদ্দেশ্যে আমাদেরকে সামজিক ও পারিবারিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে আমার বাবাকে হত্যা করে। এ ঘটনায় মুন্সীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করি (মামলা নং- ১৮, তারিখ: ০৭/০৩/২০২৬ ইং)। কিন্তু মামলা দায়েরের দীর্ঘ দিন পার হলেও থানা পুলিশ কোনো আসামীকে গ্রেপ্তার করেনি। বরং আসামীদের পক্ষ থেকে পারুল নামের এক নারী মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করায় তিনি কোনো আসামীকে গ্রেপ্তার করেননি।

 

আমরা তার সাথে যোগাযোগ করে আসামীদের গ্রেপ্তারের কথা বললে তিনি বিভিন্ন প্রসঙ্গে কথা বলে তা এড়িয়ে যান। এমতাবস্থায় আপনাদের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপির কাছে জোড় অনুরোধ জানিয়ে বলছি হত্যা মামলার আসামীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা হোক এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের ব্যবস্থা করা হোক।

 

এমতাবস্থায় এলাকার দাঙ্গাবাজ ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তারে সংশ্লিষ্টদের জরুরী হস্তক্ষেপের দাবি জানাচ্ছি। এতক্ষণ আমার বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনার জন্য সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

জনপ্রিয় পোস্ট

সাতক্ষীরায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৪৫৭ জন

মনির মোল্লা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন।

আপডেটের সময়: ০৭:০৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

মনির মোল্লা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন।

আপনাদের সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আমি নিম্ন সাক্ষরকারী মো. শ্যামল মোল্লা, পিতা: মৃত, মনির মোল্লা, স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: উত্তর ভুকৈলাশ, চর বানিয়াল, বাংলাবাজার ইউনিয়ন, থানা ও জেলা: মুন্সীগঞ্জ। আজ ভগ্ন হৃদয়ে আপনাদের সামনে এসে হাজির হয়েছি আমার পিতা মৃত, মনির মোল্লার হত্যাকান্ডে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি নিয়ে। আমরা তিন ভাই, আমাদের কোনো বোন নেই।

 

আমার পিতা মনির মোল্লা পেশায় একজন কৃষক ছিল। আমরা তিন ভাই ঢাকায় ব্যবসা করি এবং আমার পিতাসহ পরিবারের জীবন-যাপনের খরচ বহন করি। আমার পিতা আমাদের পালন করা গুরুর দুধ বিক্রয় করে এবং সামান্য চাষাবাদ করে হাত খরচ চালাতো। গত ৪ মার্চ ২০২৬ইং তারিখ সকাল অনুমান সাড়ে ৭টার দিকে আমার পিতা ও মায়ের মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়।

 

বাগড়ার কথা নিকটস্থ প্রতিবেশী আমার মায়ের দুর সম্পর্কের খালতো ভাই ১ নম্বর বিবাদী নিজাম মিজি ঝগড়ার কথা শুনে আগ বাড়িয়ে মিটিয়ে দেয়ার কথা বলে নিজাম মিজির বাড়ীতে আমার মা ও বাবাকে ডেকে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে নিজাম মিজি আমার বাবার সাথে তর্কাতর্কিতে লিপ্ত হয়। উল্লেখ্য আমার বাবার সাথে নিজাম মিজির এলাকার বিভিন্ন বিষয় নিয়া মতবিরোধ ও শত্রুতা চলে আসছিল।

আরও পড়ুনঃ  আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২০

যা থানার মামলা করার ঘটনাও ঘটেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ও আমার মায়ের সাথে বাবার ঝগড়ার মত তুচ্ছ বিষয় নিয়া নিজাম মিজির কাছে বিচার দেয়ায় বা বিষয়টি অবগত করানোর অজুহাতে নিজাম মিজি তর্কাতর্কির একপর্যায়ে আমার বাবাকে একটি কাঠের ডাসা দিয়ে তার পাছার মধ্যে বেশ কয়েকটি আঘাত করে।

 

আমার বাবা প্রতিহত করতে চাইলে ওই সময়ে উপস্থিত ২. খোরশেদ আলম ওরফে খুইশ্যা মাঝি (৪০), ৩. বিলকিস বেগম (৫০), ৪. নিশি (২৫), ও ৫. ইতি (২৩) আমার বাবাকে এলোপাথারী কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে থাকে। ধস্তা-ধস্তির একপর্যায়ে আমার বাবা মাটিতে পড়ে গেলে বিবাদী নিজাম মিজি আমার বাবাকে খুন করার উদ্দেশ্যে তার অন্ডকোষে জোরে আঘাত করলে আমার মা আমার বাবাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসলে ৩ নম্বর আসামী বিলকিস বেগম তাকে চুল ধরে টেনে-হিঁচড়ে চর থাপ্পর মারতে থাকে।

 

একপর্যায়ে আমার বাবা বাঁচার জন্য নিজাম মিজির হাতে কামড় দিলে ২ নম্বর আসামী তার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে আমার বাবার পিঠে ও শরীরের বিভিন্ন অংশে লাঠি দিয়ে আঘাত করে। আমার বাবার আর্তচিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে গুরুতর অসুস্থ্য অবস্থায় লোকজন আমার বাবাকে ধরাধরি করে প্রথমে আমাদের বাড়ীতে এনে মাথায় পানি দেয়। তিনি কিছুটা সুস্থ্য হলে তাকে চিকিৎসার জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার প্রস্রাবের রাস্তা দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে।

আরও পড়ুনঃ  ইয়াবাসহ মাদক সম্রাট আরাফাত র‍্যাবের হাতে আটক

 

হাসপাতালের ডাক্তাররা তাকে ভর্তি করলেও ধীরে ধীরে তার শরীর নিস্তেজ হতে থাকলে ওই হাসপাতালের ডাক্তাররা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন। তখন লোকজনের সহায়তায় আবার বাবাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে নিয়ে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। গত ৫ মার্চ ২০২৬ ইং তারিখ সকাল অনুমান সাড়ে ৭টার দিকে আমার বাবা ঢাকার ডেমরা থানা এলাকার বাঁশেরপুল সংলগ্ন সালামবাগ মসজিদের পাশে আমার ছোট ভাই তাজুল ইসলামের ভাড়া বাসায় চিকিৎসারত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

 

পরে বিষয়টি মুন্সীগঞ্জ থানা পুলিশকে অবগত করলে মুন্সীগঞ্জ থানা পুলিশের পরামর্শে ডিএমপি, ঢাকার ডেমরা থানাকে অবহিত করি। তখন ডেমরা থানা পুলিশ আমার ছোট ভাইয়ের বাসায় যায় এবং ডেমরা থানার একটি ডিজিমূলে (জিডি নং-৩২২, তাং-০৫/০৩/২০২৬ ইং) আমার বাবার মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে এবং মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। ময়না তদন্তের পর আমার বাবার মৃতদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ীর কবরস্তানে দাফন সম্পন্ন করি।

আরও পড়ুনঃ  সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন বিজয়নগরের নাদিয়া পাঠান পাপন

 

প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা, ঘটনায় জড়িত বিবাদীরা পূর্ব শত্রুতা ও মতবিরোধের জেরে পরস্পর একই উদ্দেশ্যে আমাদেরকে সামজিক ও পারিবারিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে আমার বাবাকে হত্যা করে। এ ঘটনায় মুন্সীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করি (মামলা নং- ১৮, তারিখ: ০৭/০৩/২০২৬ ইং)। কিন্তু মামলা দায়েরের দীর্ঘ দিন পার হলেও থানা পুলিশ কোনো আসামীকে গ্রেপ্তার করেনি। বরং আসামীদের পক্ষ থেকে পারুল নামের এক নারী মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করায় তিনি কোনো আসামীকে গ্রেপ্তার করেননি।

 

আমরা তার সাথে যোগাযোগ করে আসামীদের গ্রেপ্তারের কথা বললে তিনি বিভিন্ন প্রসঙ্গে কথা বলে তা এড়িয়ে যান। এমতাবস্থায় আপনাদের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপির কাছে জোড় অনুরোধ জানিয়ে বলছি হত্যা মামলার আসামীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা হোক এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের ব্যবস্থা করা হোক।

 

এমতাবস্থায় এলাকার দাঙ্গাবাজ ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তারে সংশ্লিষ্টদের জরুরী হস্তক্ষেপের দাবি জানাচ্ছি। এতক্ষণ আমার বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনার জন্য সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।