Dhaka ১০:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, শুরু হচ্ছে ৭ দিনের বিশেষ অভিযান’ জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস ইসলামের সঙ্গে নাগরিক অধিকার আন্দোলন, যশোরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ভিনিসিয়ুসের জন্য মোটা অঙ্কের প্রস্তাব দিতে প্রস্তুত আর্সেনাল! সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দুই চিকিৎসক ও এক নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা পাবনায় সাড়ে ১৩ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ১, মামলা দায়ের: স্বাস্থ্য মন্ত্রীর তালা হসপিটাল পরিদর্শন ডাক্তারকে বদলি ও নৈশ প্রহরী বরখাস্ত যশোরে বিজিবি’র অভিযানে স্বর্ণের বারসহ আটক-১ যশোরে বিদেশী পিস্তলসহ সন্ত্রাসী আটক গাইবান্ধায় বসুন্ধরা শুভ সংঘের সেলাই মেশিন বিতরণ

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রেকর্ড ১৯৮ কোটি টাকা কর আদায়।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ইতিহাসে নতুন মাইলফলক: চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রেকর্ড ১৯৮ কোটি টাকা কর আদায়।

 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ইতিহাসে রাজস্ব আদায়ে এক অভূতপূর্ব ও ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে বকেয়া পৌরকর (হোল্ডিং ট্যাক্স) বাবদ রেকর্ড ১৯৮ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫১ টাকা আদায় নিশ্চিত করেছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। চসিকের ইতিহাসে একক কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে এত বিপুল পরিমাণ বকেয়া রাজস্ব আদায়ের ঘটনা এটাই প্রথম, যা নগর সংস্থার আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এক অনন্য নজির স্থাপন করল।

আরও পড়ুনঃ  স্বাস্থ্য মন্ত্রীর তালা হসপিটাল পরিদর্শন ডাক্তারকে বদলি ও নৈশ প্রহরী বরখাস্ত

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে চসিকের এই বিশাল অঙ্কের পৌরকর দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া পড়েছিল। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই চসিকের আর্থিক শৃঙ্খলা ও রাজস্ব বৃদ্ধিতে বিশেষ জোর দেন। বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চসিকের দীর্ঘদিনের বকেয়া কর আদায়ে তিনি কার্যকর আইনি ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নেন। মেয়রের দূরদর্শী নেতৃত্ব, ধারাবাহিক ফলপ্রসূ আলোচনা এবং চসিকের প্রশাসনিক তৎপরতার মাধ্যমেই এই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় সম্ভব হয়েছে।

এই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায়ের ফলে চসিকের আর্থিক ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আদায়কৃত এই অর্থ নগরীর সার্বিক উন্নয়নে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে:

আরও পড়ুনঃ  যশোর নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন

অবকাঠামো ও সড়ক উন্নয়ন: নগরীর ভাঙাচোরা রাস্তাঘাটের সংস্কার এবং নতুন সড়ক নির্মাণে গতি আসবে।

চট্টগ্রামের অন্যতম প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা দূরীকরণে চলমান প্রকল্পগুলোতে অর্থায়ন সহজ হবে। নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ: মশা নিধন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গতি ফিরবে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা: চসিক পরিচালিত হাসপাতাল, নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সেবার মান আরও উন্নত করা সম্ভব হবে।

“এটি চসিকের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ কর আদায়ের ঘটনা। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর রাজস্ব বৃদ্ধি, আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং নগর উন্নয়নে যে সাহসী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, এই কর আদায় তারই একটি উল্লেখযোগ্য ও দৃশ্যমান সাফল্য।”

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরায় ৩ রেস্তোরাঁকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

— চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা

নগরবাসী ও বিশিষ্টজনরা চসিকের এই ঐতিহাসিক অর্জনকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করছেন, এই টাকা সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে নগরীর প্রকৃত উন্নয়নে ব্যয় করা হবে, যার সুফল সরাসরি ভোগ করবেন সাধারণ নাগরিকরা।

জনপ্রিয় পোস্ট

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, শুরু হচ্ছে ৭ দিনের বিশেষ অভিযান’

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রেকর্ড ১৯৮ কোটি টাকা কর আদায়।

আপডেটের সময়: ০৬:৫৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ইতিহাসে নতুন মাইলফলক: চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রেকর্ড ১৯৮ কোটি টাকা কর আদায়।

 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ইতিহাসে রাজস্ব আদায়ে এক অভূতপূর্ব ও ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে বকেয়া পৌরকর (হোল্ডিং ট্যাক্স) বাবদ রেকর্ড ১৯৮ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫১ টাকা আদায় নিশ্চিত করেছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। চসিকের ইতিহাসে একক কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে এত বিপুল পরিমাণ বকেয়া রাজস্ব আদায়ের ঘটনা এটাই প্রথম, যা নগর সংস্থার আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এক অনন্য নজির স্থাপন করল।

আরও পড়ুনঃ  মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, শুরু হচ্ছে ৭ দিনের বিশেষ অভিযান'

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে চসিকের এই বিশাল অঙ্কের পৌরকর দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া পড়েছিল। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই চসিকের আর্থিক শৃঙ্খলা ও রাজস্ব বৃদ্ধিতে বিশেষ জোর দেন। বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চসিকের দীর্ঘদিনের বকেয়া কর আদায়ে তিনি কার্যকর আইনি ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নেন। মেয়রের দূরদর্শী নেতৃত্ব, ধারাবাহিক ফলপ্রসূ আলোচনা এবং চসিকের প্রশাসনিক তৎপরতার মাধ্যমেই এই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় সম্ভব হয়েছে।

এই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায়ের ফলে চসিকের আর্থিক ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আদায়কৃত এই অর্থ নগরীর সার্বিক উন্নয়নে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে:

আরও পড়ুনঃ  নওগাঁয় যুবক অপহরণ, নির্যাতন; ফাঁকা চেকে সই, স্ত্রীর কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ

অবকাঠামো ও সড়ক উন্নয়ন: নগরীর ভাঙাচোরা রাস্তাঘাটের সংস্কার এবং নতুন সড়ক নির্মাণে গতি আসবে।

চট্টগ্রামের অন্যতম প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা দূরীকরণে চলমান প্রকল্পগুলোতে অর্থায়ন সহজ হবে। নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ: মশা নিধন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গতি ফিরবে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা: চসিক পরিচালিত হাসপাতাল, নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সেবার মান আরও উন্নত করা সম্ভব হবে।

“এটি চসিকের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ কর আদায়ের ঘটনা। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর রাজস্ব বৃদ্ধি, আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং নগর উন্নয়নে যে সাহসী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, এই কর আদায় তারই একটি উল্লেখযোগ্য ও দৃশ্যমান সাফল্য।”

আরও পড়ুনঃ  যশোরে বিদেশী পিস্তলসহ সন্ত্রাসী আটক

— চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা

নগরবাসী ও বিশিষ্টজনরা চসিকের এই ঐতিহাসিক অর্জনকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করছেন, এই টাকা সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে নগরীর প্রকৃত উন্নয়নে ব্যয় করা হবে, যার সুফল সরাসরি ভোগ করবেন সাধারণ নাগরিকরা।