Dhaka ০২:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সুলতানপুর বড়বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে অসম্পূর্ণ ভোটার তালিকা সংশোধন করে নির্বাচনের দাবি নবারুণ বালিকা বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলা ও পাঠদান নিয়ে প্রশ্ন গোপালগঞ্জে মুকসুদপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মোট ১২ বার চুরি টুঙ্গিপাড়ায় দুই খাবার হোটেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা ১৪ হাজার টাকা স্বচ্ছলতার স্বপ্নে প্রবাসে পাড়ি, মাটিচাপায় নিভে গেল শরিফুলের প্রাণ কাশিয়ানীতে র‌্যাব সদস্যের দাপটে অসহায় ১০ পরিবার দেবীচরণ দুর্গা মন্দিরের ভাঙা প্রবেশপথে জিও-ব্যাগ ও ভিডি বালু  গ্রাম আদালতকে জনপ্রিয় করতে কুড়িগ্রামে মতবিনিময় শার্শায় পাটের বাম্পার ফলন, ভালো দাম পেয়ে খুশি চাষিরা সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানী মালামাল জব্দ

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রেকর্ড ১৯৮ কোটি টাকা কর আদায়।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ইতিহাসে নতুন মাইলফলক: চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রেকর্ড ১৯৮ কোটি টাকা কর আদায়।

 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ইতিহাসে রাজস্ব আদায়ে এক অভূতপূর্ব ও ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে বকেয়া পৌরকর (হোল্ডিং ট্যাক্স) বাবদ রেকর্ড ১৯৮ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫১ টাকা আদায় নিশ্চিত করেছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। চসিকের ইতিহাসে একক কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে এত বিপুল পরিমাণ বকেয়া রাজস্ব আদায়ের ঘটনা এটাই প্রথম, যা নগর সংস্থার আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এক অনন্য নজির স্থাপন করল।

আরও পড়ুনঃ  স্বচ্ছলতার স্বপ্নে প্রবাসে পাড়ি, মাটিচাপায় নিভে গেল শরিফুলের প্রাণ

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে চসিকের এই বিশাল অঙ্কের পৌরকর দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া পড়েছিল। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই চসিকের আর্থিক শৃঙ্খলা ও রাজস্ব বৃদ্ধিতে বিশেষ জোর দেন। বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চসিকের দীর্ঘদিনের বকেয়া কর আদায়ে তিনি কার্যকর আইনি ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নেন। মেয়রের দূরদর্শী নেতৃত্ব, ধারাবাহিক ফলপ্রসূ আলোচনা এবং চসিকের প্রশাসনিক তৎপরতার মাধ্যমেই এই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় সম্ভব হয়েছে।

এই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায়ের ফলে চসিকের আর্থিক ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আদায়কৃত এই অর্থ নগরীর সার্বিক উন্নয়নে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে:

আরও পড়ুনঃ  টুঙ্গিপাড়ায় দুই খাবার হোটেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা ১৪ হাজার টাকা

অবকাঠামো ও সড়ক উন্নয়ন: নগরীর ভাঙাচোরা রাস্তাঘাটের সংস্কার এবং নতুন সড়ক নির্মাণে গতি আসবে।

চট্টগ্রামের অন্যতম প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা দূরীকরণে চলমান প্রকল্পগুলোতে অর্থায়ন সহজ হবে। নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ: মশা নিধন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গতি ফিরবে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা: চসিক পরিচালিত হাসপাতাল, নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সেবার মান আরও উন্নত করা সম্ভব হবে।

“এটি চসিকের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ কর আদায়ের ঘটনা। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর রাজস্ব বৃদ্ধি, আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং নগর উন্নয়নে যে সাহসী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, এই কর আদায় তারই একটি উল্লেখযোগ্য ও দৃশ্যমান সাফল্য।”

আরও পড়ুনঃ  বিমানবন্দর এলাকায় থাকতেন চালক সেজে, গোপালগঞ্জে অস্ত্র ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য :-

— চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা

নগরবাসী ও বিশিষ্টজনরা চসিকের এই ঐতিহাসিক অর্জনকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করছেন, এই টাকা সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে নগরীর প্রকৃত উন্নয়নে ব্যয় করা হবে, যার সুফল সরাসরি ভোগ করবেন সাধারণ নাগরিকরা।

জনপ্রিয় পোস্ট

সুলতানপুর বড়বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে অসম্পূর্ণ ভোটার তালিকা সংশোধন করে নির্বাচনের দাবি

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রেকর্ড ১৯৮ কোটি টাকা কর আদায়।

আপডেটের সময়: ০৬:৫৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ইতিহাসে নতুন মাইলফলক: চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রেকর্ড ১৯৮ কোটি টাকা কর আদায়।

 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ইতিহাসে রাজস্ব আদায়ে এক অভূতপূর্ব ও ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে বকেয়া পৌরকর (হোল্ডিং ট্যাক্স) বাবদ রেকর্ড ১৯৮ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫১ টাকা আদায় নিশ্চিত করেছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। চসিকের ইতিহাসে একক কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে এত বিপুল পরিমাণ বকেয়া রাজস্ব আদায়ের ঘটনা এটাই প্রথম, যা নগর সংস্থার আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এক অনন্য নজির স্থাপন করল।

আরও পড়ুনঃ  বেনাপোল পৌরবাসীর উন্নয়ন ও ভাগ্য পরিবর্তনের অঙ্গীকার

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে চসিকের এই বিশাল অঙ্কের পৌরকর দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া পড়েছিল। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই চসিকের আর্থিক শৃঙ্খলা ও রাজস্ব বৃদ্ধিতে বিশেষ জোর দেন। বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চসিকের দীর্ঘদিনের বকেয়া কর আদায়ে তিনি কার্যকর আইনি ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নেন। মেয়রের দূরদর্শী নেতৃত্ব, ধারাবাহিক ফলপ্রসূ আলোচনা এবং চসিকের প্রশাসনিক তৎপরতার মাধ্যমেই এই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় সম্ভব হয়েছে।

এই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায়ের ফলে চসিকের আর্থিক ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আদায়কৃত এই অর্থ নগরীর সার্বিক উন্নয়নে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে:

আরও পড়ুনঃ  বিমানবন্দর এলাকায় থাকতেন চালক সেজে, গোপালগঞ্জে অস্ত্র ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য :-

অবকাঠামো ও সড়ক উন্নয়ন: নগরীর ভাঙাচোরা রাস্তাঘাটের সংস্কার এবং নতুন সড়ক নির্মাণে গতি আসবে।

চট্টগ্রামের অন্যতম প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা দূরীকরণে চলমান প্রকল্পগুলোতে অর্থায়ন সহজ হবে। নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ: মশা নিধন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গতি ফিরবে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা: চসিক পরিচালিত হাসপাতাল, নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সেবার মান আরও উন্নত করা সম্ভব হবে।

“এটি চসিকের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ কর আদায়ের ঘটনা। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর রাজস্ব বৃদ্ধি, আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং নগর উন্নয়নে যে সাহসী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, এই কর আদায় তারই একটি উল্লেখযোগ্য ও দৃশ্যমান সাফল্য।”

আরও পড়ুনঃ  কুড়িগ্রাম জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

— চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা

নগরবাসী ও বিশিষ্টজনরা চসিকের এই ঐতিহাসিক অর্জনকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করছেন, এই টাকা সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে নগরীর প্রকৃত উন্নয়নে ব্যয় করা হবে, যার সুফল সরাসরি ভোগ করবেন সাধারণ নাগরিকরা।