Dhaka ১২:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে কুড়িগ্রামে বৃক্ষরোপণ

পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বিএনপির চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রীর- তারেক রহমান-এর নির্দেশনায় দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় কুড়িগ্রামে অনুষ্ঠিত বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে স্থানীয় তরুণ ও ছাত্র নেতাদের ব্যাপক সক্রিয় অংশগ্রহণ পরিলক্ষিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) দিনব্যাপী এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (AUST) শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ায়েস কারণি। তিনি কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের জ্যেষ্ঠ পুত্র।

আরও পড়ুনঃ  মাদকবিরোধী বার্তায় গোলাপগঞ্জে নারী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ আয়নাল হক, স্থানীয় তরুণ নেতাকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীবৃন্দ।

কর্মসূচির অংশগ্রহণকারীরা কেবল গাছ রোপণই করেননি, পাশাপাশি স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে পরিবেশ রক্ষার প্রয়োজনীয়তা ও সচেতনতা তুলে ধরেন। তারা বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় দেশব্যাপী ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। বিশেষ করে আমাদের কুড়িগ্রামের মতো জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে এই উদ্যোগ প্রাণঘাতী প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

আরও পড়ুনঃ  প্রশাসনের আয়োজনে ভেড়ামারায়া বর্ষবরণ উৎসব

ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ায়েস কারণি তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর পরিচর্যা করে বড় করে তোলাও আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।” তিনি সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

আরও পড়ুনঃ  উৎসবের রঙে রাঙা বৈশাখী আমেজে মুখর সাতক্ষীরায় শুরু হলো সপ্তাহব্যাপী মেলা

স্থানীয় আয়োজকরা জানান, শুধু কুড়িগ্রামেই নয়, তারেক রহমানের ঘোষিত এ কর্মসূচি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে পরিবেশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে এবং একটি সবুজ, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হয়।

জনপ্রিয় পোস্ট

তারেক রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে কুড়িগ্রামে বৃক্ষরোপণ

আপডেটের সময়: ০৮:১৯:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বিএনপির চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রীর- তারেক রহমান-এর নির্দেশনায় দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় কুড়িগ্রামে অনুষ্ঠিত বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে স্থানীয় তরুণ ও ছাত্র নেতাদের ব্যাপক সক্রিয় অংশগ্রহণ পরিলক্ষিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) দিনব্যাপী এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (AUST) শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ায়েস কারণি। তিনি কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের জ্যেষ্ঠ পুত্র।

আরও পড়ুনঃ  সাংবাদিক পেটানো ঘটনায় আসামি কারাগারে

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ আয়নাল হক, স্থানীয় তরুণ নেতাকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীবৃন্দ।

কর্মসূচির অংশগ্রহণকারীরা কেবল গাছ রোপণই করেননি, পাশাপাশি স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে পরিবেশ রক্ষার প্রয়োজনীয়তা ও সচেতনতা তুলে ধরেন। তারা বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় দেশব্যাপী ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। বিশেষ করে আমাদের কুড়িগ্রামের মতো জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে এই উদ্যোগ প্রাণঘাতী প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

আরও পড়ুনঃ  রৌমারীতে ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ী দিবস পালিত, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি।

ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ওয়ায়েস কারণি তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর পরিচর্যা করে বড় করে তোলাও আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।” তিনি সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

আরও পড়ুনঃ  ধ*র্ষ*ণ মামলায় ৩ নম্বর: আসামি গ্রে*প্তা*র।

স্থানীয় আয়োজকরা জানান, শুধু কুড়িগ্রামেই নয়, তারেক রহমানের ঘোষিত এ কর্মসূচি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে পরিবেশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে এবং একটি সবুজ, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হয়।