নওগাঁর মান্দায় পৈত্রিক ভোগদখলীয় সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগ উপজেলার ৭নং প্রসাদপুর ইউনিয়নের দারিয়াপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছ।
ভুক্তভোগী মোঃ চকউলী ডিগ্রি কলেজের সহ কারী অধ্যাপক এস,এম ইছমাইল হোসেন জানান দারিয়াপুর মৌজার আর, এস খতিয়ানে ৯২তে জমির পরিমাণ ১ একর ৪৪ শতাংশের মধ্যে ৫০ শতাংশ এবং ১৩৫ খতিয়ানে মোট জমির পরিমাণ ৪ একর ১০ শতাংশের মধ্যে ৩৪ শতক জমির ( বাড়ি ভিটা ১১) গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে ৭ নং প্রসাদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মন্ডল ইউপি সদস্য ইসমাইল হোসেন বাচ্চু গ্রাম্য মাতব্বর আমজাদ হোসেন সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে ইসমাইল গং দের দুইটি খতিয়ানে মোট ৮৪ শতক জমি ভোগ দখলের জন্য বুঝিয়ে দেন।
এরপর থেকে শান্তিপূর্ণভাবে উক্ত জমি চাষাবাদ করে আসছেন ইসমাইল গং রা এমতাবস্থায় ১৯ জানুয়ারি সকাল ৯ টার সময় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একই গ্রামের প্রতিপক্ষের মোসলেম উদ্দিন সরদার , আব্দুর সাত্তার , উভয় পিতা আবের আলী, মজিবর ও তার ছেলে রইচ উদ্দিন হাবিবুর এর ছেলে নজরুল ইসলাম নজু সহ অন্যান্য আরও বেশ কয়েকজন ইসমাইল গঙ্গের ভোগ দখলীয় সম্পত্তি সীমানা পিলার উপরে ফেলে হাল চাষ করে জমির আইল কেটে জোরপূর্বক দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে ।
এ সময় ভুক্তভোগীরা বাধা প্রদান করতে গেলে প্রাণনাশের হুমকি ধামকি প্রদান করে বিবাদীদের সঙ্গে শক্তিতে নানা পেরে তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত হবিবরের কাছে জমি জবর দখলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন সালিশের মাধ্যমে তাদেরকে জমি বের করে দিয়েছিলাম তারা দুইটি ফসল উৎপাদন করেছে । তাহলে কেন জমি জবরদখল করলে এমন প্রশ্নের জবাবে কৌশলে সাংবাদিকদের এড়িয়ে পালিয়ে যান ।
এ বিষয়ে মাতব্বর আমজাদ হোসেন বলেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য ও গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে তাদেরকে জমি বের করে দেওয়া হয়েছিল । মোসলেম গং রা কোন ক্ষমতার বলে সেই জমি আবারো জবরদখলের চেষ্টা করছে ।
এ বিষয়ে ৭ নং প্রসাদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মন্ডল বলেন, এই জমি নিয়ে বহুদিন দরবার হয়েছে। পরবর্তীতে দুই পক্ষের সম্মতিক্রমে কাগজপত্র যাচাই করে, ইছমাইল গংদের জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয় তারা ফসলও করছে। তাহলে কেন আবার তারা জোরপূর্বক জমি জবরদখলের চেষ্টা করছে।




















