রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলায় আলোচিত মঞ্জুরুল হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনে আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি মোঃ শফিকুল ইসলাম (৩৮)।
পুলিশ জানায়, গত ১৮ মার্চ ২০২৬ রাতে তারাগঞ্জ থানার সমন্বয়ে রংপুর জেলা পুলিশের একটি চৌকস টিম বিশেষ অভিযান চালিয়ে তারাগঞ্জের নতুন চৌপথি বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে আটক করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্ত মোঃ রাফিউল ইসলাম ওরফে লাভলু (৩২) আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে শফিকুল ইসলামসহ আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। তার ভিত্তিতেই শফিকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, নিহত মঞ্জুরুলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব থাকা সত্ত্বেও অনলাইন জুয়া (ক্যাসিনো) সংক্রান্ত টাকার ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘটনার প্রায় ১০-১২ দিন আগে থেকেই অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে হত্যার ছক কষে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কোনো এক সময়ে অভিযুক্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে মঞ্জুরুলকে নির্মমভাবে হত্যা করে। পরে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে তারাগঞ্জ থানাধীন ২নং কুর্শা ইউনিয়নের রামপুরা এলাকায় একটি আলুর ক্ষেতে মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয় এবং ভিকটিমের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মারুফাত হুসাইন জানান, “মামলার আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে। ভিকটিমের পরিবার ন্যায়বিচার পাবে।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত শফিকুল ইসলামকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।





















