Dhaka ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মিরসরাইয়ে ৫ ফার্মেসিকে জরিমানা জব্দ করা হলো নিষিদ্ধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ। বৌলাই নদীতে নিখোঁজ থাকা নারী,দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজি পর লাশ উদ্ধার। চতুর্থ বাংলাদেশি হিসেবে তাসকিনের নতুন রেকর্ড সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৩ লাখ টাকার মালামাল জব্দ সাদুল্লাপুর থানা ছাত্রলীগ কর্মী গ্রেপ্তার সাতক্ষীরায় মোবাইল কোর্টের অভিযানে দুই ফার্মেসিকে জরিমানা বিশ্বকাপ উন্মাদনায় রামগঞ্জে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবের সঙ্গে জেলা ছাত্রদলের শুভেচ্ছা বিনিময় এনসিটি পরিচালনা: বিদেশি ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে এবার লড়াইতে দেশীয় ‘জোট’। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লিফলেট তৈরির অভিযোগে নারী নেত্রীসহ আটক ২

রোজার আগেই বাজারে অস্থিরতা।

ছোলা–চিনিতে কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ

পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখেই আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার। রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে চাল, ডাল, ভোজ্যতেলসহ বিভিন্ন পণ্যের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। এর পাশাপাশি সপ্তাহের ব্যবধানে চিনি ও ছোলার দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

শীত মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই সরবরাহ কমার অজুহাতে বেড়েছে অধিকাংশ সবজির দামও।
শনিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা দরে। এক সপ্তাহ আগেও একই ছোলা বিক্রি হয়েছে ৯৫ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে। অর্থাৎ মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। একইভাবে চিনির বাজারেও অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দুই সপ্তাহ আগেই চিনির দাম কেজিতে ৯০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০ টাকা ছাড়ায়। গত সপ্তাহে সেই দাম আরও ৭ থেকে ৮ টাকা বেড়ে এখন সর্বোচ্চ ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারেই দাম বাড়তি। ফলে বাধ্য হয়েই বেশি দামে পণ্য বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে ভোক্তাদের অভিযোগ ভিন্ন। তাঁদের মতে, রোজাকে কেন্দ্র করেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়াচ্ছেন।

আরও পড়ুনঃ  ভিন্ন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষকে একসঙ্গে অবস্থানকালে আটক করে থানা পুলিশ

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য বলছে, দেশে বছরে ছোলার চাহিদা প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে ২ লাখ টন। অথচ এই চাহিদার চেয়ে অন্তত ১ লাখ টন বেশি ছোলা আমদানি করা হয়েছে। একইভাবে চিনির ক্ষেত্রেও সরবরাহ ঘাটতির কোনো তথ্য নেই। রমজান মাসে দেশে চিনির চাহিদা থাকে প্রায় তিন লাখ টন। অথচ রোজা সামনে রেখে গত তিন মাসেই আমদানি হয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ টন চিনি, যা গত বছরের তুলনায় ২ লাখ ২৭ হাজার টন বেশি। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার পরও বাজারে দাম বাড়ছে।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জাল দলিল সৃষ্টিকারীর বিরুদ্ধে ফুঁসছে ভুক্তভোগী শহিদুল

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রোজার আগে বাড়তি চাহিদার সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ীদের একটি অংশ
পরিকল্পিতভাবে দাম বাড়িয়েছে। বাজার তদারকি দুর্বল হওয়ায় এই প্রবণতা বছর বছর ফিরে আসে। ভোক্তা অধিকার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এখনই কার্যকর বাজার মনিটরিং ও মজুতদারি রোধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে রমজান মাসে নিত্যপণ্যের দাম আরও নাগালের বাইরে চলে যেতে পারে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, রোজা শুরুর আগেই বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নেবে।

মিরসরাইয়ে ৫ ফার্মেসিকে জরিমানা জব্দ করা হলো নিষিদ্ধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ।

রোজার আগেই বাজারে অস্থিরতা।

আপডেটের সময়: ০৩:৩৮:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

ছোলা–চিনিতে কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ

পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখেই আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার। রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে চাল, ডাল, ভোজ্যতেলসহ বিভিন্ন পণ্যের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। এর পাশাপাশি সপ্তাহের ব্যবধানে চিনি ও ছোলার দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

শীত মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই সরবরাহ কমার অজুহাতে বেড়েছে অধিকাংশ সবজির দামও।
শনিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা দরে। এক সপ্তাহ আগেও একই ছোলা বিক্রি হয়েছে ৯৫ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে। অর্থাৎ মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। একইভাবে চিনির বাজারেও অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দুই সপ্তাহ আগেই চিনির দাম কেজিতে ৯০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০ টাকা ছাড়ায়। গত সপ্তাহে সেই দাম আরও ৭ থেকে ৮ টাকা বেড়ে এখন সর্বোচ্চ ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ভিন্ন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষকে একসঙ্গে অবস্থানকালে আটক করে থানা পুলিশ

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারেই দাম বাড়তি। ফলে বাধ্য হয়েই বেশি দামে পণ্য বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে ভোক্তাদের অভিযোগ ভিন্ন। তাঁদের মতে, রোজাকে কেন্দ্র করেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়াচ্ছেন।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জাল দলিল সৃষ্টিকারীর বিরুদ্ধে ফুঁসছে ভুক্তভোগী শহিদুল

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য বলছে, দেশে বছরে ছোলার চাহিদা প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে ২ লাখ টন। অথচ এই চাহিদার চেয়ে অন্তত ১ লাখ টন বেশি ছোলা আমদানি করা হয়েছে। একইভাবে চিনির ক্ষেত্রেও সরবরাহ ঘাটতির কোনো তথ্য নেই। রমজান মাসে দেশে চিনির চাহিদা থাকে প্রায় তিন লাখ টন। অথচ রোজা সামনে রেখে গত তিন মাসেই আমদানি হয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ টন চিনি, যা গত বছরের তুলনায় ২ লাখ ২৭ হাজার টন বেশি। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার পরও বাজারে দাম বাড়ছে।

আরও পড়ুনঃ  আন্তজার্তিক পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মঞ্চ সংগঠনের সমাবেশ

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রোজার আগে বাড়তি চাহিদার সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ীদের একটি অংশ
পরিকল্পিতভাবে দাম বাড়িয়েছে। বাজার তদারকি দুর্বল হওয়ায় এই প্রবণতা বছর বছর ফিরে আসে। ভোক্তা অধিকার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এখনই কার্যকর বাজার মনিটরিং ও মজুতদারি রোধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে রমজান মাসে নিত্যপণ্যের দাম আরও নাগালের বাইরে চলে যেতে পারে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, রোজা শুরুর আগেই বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নেবে।