Dhaka ০৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ইখলাসের ক্লু-লেস হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন ও ০২ জন আসামী গ্রেফতার। গোপালগঞ্জে কলেজ শিক্ষার্থী জোবায়ের ভূঁইয়াকে পিটিয়ে হত্যা ! কালিগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান কালিগঞ্জ ডিআরএম ইউনাইটেড আইডিয়াল কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত বেনাপোলে যুবদলের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ গোপালগঞ্জ ঢাকা – খুলনা সড়কে বাস ও প্রাইভেটকার সংঘর্ষ, নিহত -২ : গোপালগঞ্জে বাস-কনটেইনার গাড়ি সংঘর্ষ,নিহত ১ গোপালগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৭ যশোর সীমান্তে চোরাচালানী মালামাল জব্দ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও এসিল্যান্ড অফিসে এমপি রবিউল বাশারের আকস্মিক পরিদর্শন

বেনাপোলে দুই মাসে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ভারতীয় ইলিশ আমদানি

বেনাপোলে দুই মাসে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ভারতীয় ইলিশ আমদানি

 

দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ভারত থেকে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ কেজি ইলিশ মাছ আমদানি হয়েছে। জুলাই ও আগস্ট মাসে ২২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এসব ইলিশ আমদানি করে। আমদানি করা ইলিশের ঘোষিত মূল্য প্রায় ৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা।

বেনাপোল স্থলবন্দর ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন কার্যালয়ের পরিদর্শক আশওয়াদুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জুলাই মাসে ভারত থেকে ২৯ হাজার ৪৪০ কেজি এবং আগস্টে ৩ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৬ কেজি ইলিশ আমদানি হয়েছে।বেনাপোল স্থলবন্দর উপ-পরিচালক রুহুল আমিন বলেন, বন্দর দিয়ে প্রায় ৩৫০ মেট্রিক টন ইলিশ আমদানি হয়েছে।

পাশাপাশি সাদা মাছও আমদানি হচ্ছে। এসব পণ্য আমদানির মাধ্যমে সরকার রাজস্ব পাচ্ছে।বেনাপোল কাস্টমসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন বলেন, ভারত থেকে নিয়মিত ইলিশ মাছ আমদানি হচ্ছে। মৎস্য অধিদপ্তরের অনুমতি সাপেক্ষে এসব ইলিশ আমদানি করা হয়। কাস্টমসের নিয়মিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী যথাযথ অ্যাসেসমেন্ট শেষে নির্ধারিত রাজস্ব আদায় করা হচ্ছে।এদিকে ভারতীয় ইলিশ আমদানির কারণে দেশের বাজারে এর সরবরাহ বেড়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জে জামিনে বেরিয়ে ‘ধর্ষণ মামলা’ তুলে নিতে বাদীকে হুমকি 

ব্যবসায়ীরা বলছেন, তুলনামূলক কম দামে ভারতীয় ইলিশ বাজারে আসায় দেশি ইলিশের চাহিদা কিছুটা কমেছে। বর্তমানে বাজারে ভারতীয় ইলিশ প্রতি কেজি ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা এবং দেশি ইলিশ ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে কোথাও কোথাও ভারতীয় ইলিশ ‘মিয়ানমারের ইলিশ’ নামে বিক্রির অভিযোগও রয়েছে।ইলিশ কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, দেখতে প্রায় একই রকম হওয়ায় দেশি ও বিদেশি ইলিশ আলাদা করা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য কঠিন।

ভারতীয় ইলিশ দেখতে ভালো হলেও স্বাদে দেশি ইলিশের মতো নয় বলে দাবি করেন তিনি।এক বিক্রেতা বলেন, ভারত থেকে কম দামের ইলিশ আসায় দেশি ইলিশের চাহিদা কমেছে। এতে দেশি ইলিশ বিক্রেতারা ক্ষতির মুখে পড়ছেন। তিনি ভারতীয় ইলিশ আমদানি বন্ধের দাবি জানান।অন্যদিকে বৈধ আমদানির পাশাপাশি অবৈধভাবে ইলিশ দেশে আনার অভিযোগও রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সুন্দরগঞ্জে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ

গত ২২ জুলাই বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সাদা মাছের ঘোষণা দিয়ে আনা ১২ কার্টন বা প্রায় ৩৬০ কেজি ভারতীয় ইলিশ জব্দ করে বেনাপোল কাস্টমস।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ পথে ইলিশ আমদানির ফলে বাজারে সরবরাহ বাড়লেও দেশি ও বিদেশি ইলিশের পরিচয় নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

তাই বাজারে আমদানি করা ইলিশের সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করতে কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ  যশোর সীমান্তে চোরাচালানী মালামাল জব্দ
জনপ্রিয় পোস্ট

ইখলাসের ক্লু-লেস হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন ও ০২ জন আসামী গ্রেফতার।

বেনাপোলে দুই মাসে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ভারতীয় ইলিশ আমদানি

আপডেটের সময়: ০৬:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বেনাপোলে দুই মাসে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ভারতীয় ইলিশ আমদানি

 

দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ভারত থেকে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ কেজি ইলিশ মাছ আমদানি হয়েছে। জুলাই ও আগস্ট মাসে ২২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এসব ইলিশ আমদানি করে। আমদানি করা ইলিশের ঘোষিত মূল্য প্রায় ৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা।

বেনাপোল স্থলবন্দর ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন কার্যালয়ের পরিদর্শক আশওয়াদুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জুলাই মাসে ভারত থেকে ২৯ হাজার ৪৪০ কেজি এবং আগস্টে ৩ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৬ কেজি ইলিশ আমদানি হয়েছে।বেনাপোল স্থলবন্দর উপ-পরিচালক রুহুল আমিন বলেন, বন্দর দিয়ে প্রায় ৩৫০ মেট্রিক টন ইলিশ আমদানি হয়েছে।

পাশাপাশি সাদা মাছও আমদানি হচ্ছে। এসব পণ্য আমদানির মাধ্যমে সরকার রাজস্ব পাচ্ছে।বেনাপোল কাস্টমসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন বলেন, ভারত থেকে নিয়মিত ইলিশ মাছ আমদানি হচ্ছে। মৎস্য অধিদপ্তরের অনুমতি সাপেক্ষে এসব ইলিশ আমদানি করা হয়। কাস্টমসের নিয়মিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী যথাযথ অ্যাসেসমেন্ট শেষে নির্ধারিত রাজস্ব আদায় করা হচ্ছে।এদিকে ভারতীয় ইলিশ আমদানির কারণে দেশের বাজারে এর সরবরাহ বেড়েছে।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা

ব্যবসায়ীরা বলছেন, তুলনামূলক কম দামে ভারতীয় ইলিশ বাজারে আসায় দেশি ইলিশের চাহিদা কিছুটা কমেছে। বর্তমানে বাজারে ভারতীয় ইলিশ প্রতি কেজি ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা এবং দেশি ইলিশ ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে কোথাও কোথাও ভারতীয় ইলিশ ‘মিয়ানমারের ইলিশ’ নামে বিক্রির অভিযোগও রয়েছে।ইলিশ কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, দেখতে প্রায় একই রকম হওয়ায় দেশি ও বিদেশি ইলিশ আলাদা করা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য কঠিন।

ভারতীয় ইলিশ দেখতে ভালো হলেও স্বাদে দেশি ইলিশের মতো নয় বলে দাবি করেন তিনি।এক বিক্রেতা বলেন, ভারত থেকে কম দামের ইলিশ আসায় দেশি ইলিশের চাহিদা কমেছে। এতে দেশি ইলিশ বিক্রেতারা ক্ষতির মুখে পড়ছেন। তিনি ভারতীয় ইলিশ আমদানি বন্ধের দাবি জানান।অন্যদিকে বৈধ আমদানির পাশাপাশি অবৈধভাবে ইলিশ দেশে আনার অভিযোগও রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সুন্দরগঞ্জে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ

গত ২২ জুলাই বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সাদা মাছের ঘোষণা দিয়ে আনা ১২ কার্টন বা প্রায় ৩৬০ কেজি ভারতীয় ইলিশ জব্দ করে বেনাপোল কাস্টমস।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ পথে ইলিশ আমদানির ফলে বাজারে সরবরাহ বাড়লেও দেশি ও বিদেশি ইলিশের পরিচয় নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

তাই বাজারে আমদানি করা ইলিশের সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করতে কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ  স্বাস্থ্যসেবা বঞ্চিত রামগঞ্জের ভোলাকোট ইউনিয়নের ৫০ হাজার মানুষ