মিরসরাইয়ে ৫ ফার্মেসিকে জরিমানা জব্দ করা হলো নিষিদ্ধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ।
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে ফার্মেসি পরিচালনার দায়ে পাঁচটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক জরিমানার আওতায় এনেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) উপজেলার মিঠাছড়া বাজার ও মিরসরাই কলেজের রোড এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ঔষধ ও কসমেটিকস আইন অমান্য করায় সর্বমোট ২৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
অভিযানটির নেতৃত্ব দেন মিরসরাই উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আলাউদ্দিন কাদের।
আদালত সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার কিছু ফার্মেসিতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চিকিৎসকদের জন্য বরাদ্দকৃত ‘ফিজিশিয়ান স্যাম্পল’ (ওষুধের নমুনা) বিক্রি করা হচ্ছিল। এছাড়া অনেকের কাছে ড্রাগ লাইসেন্স ছিল না এবং কেউ কেউ মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স দিয়েই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। সাধারণ ক্রেতাদের কাছ থেকে ওষুধের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম রাখা এবং দোকানে মেয়াদহীন ওষুধ মজুদের প্রমাণ পাওয়ায় এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অভিযানে অপরাধের ধরন ও তীব্রতা বিবেচনা করে ৫টি ফার্মেসিকে ভিন্ন ভিন্ন অংকের জরিমানা করা হয়:
হক ফার্মেসি: ১০,০০০ টাকা
হাবীব ফার্মেসি: ৫,০০০ টাকা
নুরজাহান ফার্মেসি: ৫,০০০ টাকা
ভূঁইয়া ফার্মেসি: ৫,০০০ টাকা
ফাল্গুনী ফার্মেসি: ২,০০০ টাকা
গ্রাহকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এবং ওষুধের বাজারে শৃঙ্খলা ফেরাতে এই অভিযান। ব্যবসায়ী ভাইদের ওষুধ সংক্রান্ত প্রচলিত আইন মেনে ব্যবসা করার অনুরোধ জানাচ্ছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম দেখা গেলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
— আলাউদ্দিন কাদের, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, মিরসরাই।
অভিযান চলাকালীন চট্টগ্রাম জেলা ঔষধ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও তত্ত্বাবধায়ক মো. আবিদ আহসান এবং মো. ফজলুল হক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মিরসরাই থানা পুলিশের একটি দল ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে। স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।



















