Dhaka ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে হলেন সহকারী সিভিল জজ,আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রাম সাংবাদিকদের অধিকার ও পেশাগত মানোন্নয়নে ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত ইখলাসের ক্লু-লেস হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন ও ০২ জন আসামী গ্রেফতার। গোপালগঞ্জে কলেজ শিক্ষার্থী জোবায়ের ভূঁইয়াকে পিটিয়ে হত্যা ! কালিগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান কালিগঞ্জ ডিআরএম ইউনাইটেড আইডিয়াল কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত বেনাপোলে যুবদলের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ গোপালগঞ্জ ঢাকা – খুলনা সড়কে বাস ও প্রাইভেটকার সংঘর্ষ, নিহত -২ : গোপালগঞ্জে বাস-কনটেইনার গাড়ি সংঘর্ষ,নিহত ১ গোপালগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৭
এতিমখানার চিরকুট:

“আম্মা, ইফতারে বুট মুড়ি দেয়, আমার লাইগা ভালো খাওন আইনো”

পূর্ব দিগন্ত বার্তা

এতিমখানার চিরকুট: “আম্মা, ইফতারে বুট মুড়ি দেয়, আমার লাইগা ভালো খাওন আইনো”

রমজান মাস ত্যাগের ও সংযমের হলেও এক অবুঝ শিশুর আকুতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। এতিমখানায় থাকা এক শিশু তার মায়ের কাছে চিঠিতে যে আরজি জানিয়েছে, তা পড়ে চোখের পানি ধরে রাখা দায় হয়ে পড়েছে নেটিজেনদের জন্য।

সম্প্রতি একটি শিশুর হাতে লেখা চিঠির ছবি ভাইরাল হয়েছে, যেখানে সে তার প্রাত্যহিক জীবনের অভাব আর মায়ের প্রতি নিখাদ ভালোবাসার কথা তুলে ধরেছে। চিঠিতে শিশুটি লিখেছে:
“আম্মা , আমারে সাবান দিয়ো। ৩ দিন আগে সাবান সেশ। একটা সাদা পানজাবি দিয়ো আগেরটা সিরা গেসে। ইফতারে বুট মুরি দেয় রাইতেbবাত দেয়না সেহেরিতে দেয়। আমার লইগা কিছু খাওন আইনো বালো খাওন। একটা মসারি দিয়ো আর চাদর দিয়ে মাসা কামরায়।”

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জ ক্রেডিট ইউনিয়নের কোটি টাকা নিয়ে কর্মচারী উধাও :

চিঠিটি নিছক কিছু শব্দের সমষ্টি নয়, বরং এটি আমাদের সমাজের অবহেলিত শিশুদের বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি। শিশুটি শুধু খাবারের আবদারই করেনি, চিঠির অন্য অংশে সে তার প্রয়োজনীয় জিনিসের তালিকাও দিয়েছে। একটি সাবান, একটি সাদা পাঞ্জাবি এবং মশার হাত থেকে বাঁচতে একটি মশারি ও চাদর চেয়েছে সে।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জ ঢাকা - খুলনা সড়কে বাস ও প্রাইভেটকার সংঘর্ষ, নিহত -২ :

ছবিটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই হাজার হাজার মানুষ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে, যখন আমরা ইফতারে রাজকীয় খাবারের আয়োজন করি, তখন আমাদের খুব কাছেই কোনো শিশু হয়তো একটু ‘ভালো খাবারের’ অপেক্ষায় প্রহর গুনছে।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জে কলেজ শিক্ষার্থী জোবায়ের ভূঁইয়াকে পিটিয়ে হত্যা !

সমাজকর্মীরা বলছেন, এতিমখানা বা মাদ্রাসার শিশুদের এই সরল আকুতি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও সামাজিকভাবে এই শিশুদের পাশে দাঁড়ানো কতটা জরুরি। বিশেষ করে উৎসবের দিনগুলোতে এই শিশুদের একাকীত্ব ও অভাব আরও প্রকট হয়ে ওঠে।

আরো পড়ুন

“আম্মা, ইফতারে বুট মুড়ি দেয়, আমার লাইগা ভালো খাওন আইনো”

ই-পেপার

জনপ্রিয় পোস্ট

সাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে হলেন সহকারী সিভিল জজ,আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রাম

এতিমখানার চিরকুট:

“আম্মা, ইফতারে বুট মুড়ি দেয়, আমার লাইগা ভালো খাওন আইনো”

আপডেটের সময়: ০৪:১৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

এতিমখানার চিরকুট: “আম্মা, ইফতারে বুট মুড়ি দেয়, আমার লাইগা ভালো খাওন আইনো”

রমজান মাস ত্যাগের ও সংযমের হলেও এক অবুঝ শিশুর আকুতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। এতিমখানায় থাকা এক শিশু তার মায়ের কাছে চিঠিতে যে আরজি জানিয়েছে, তা পড়ে চোখের পানি ধরে রাখা দায় হয়ে পড়েছে নেটিজেনদের জন্য।

সম্প্রতি একটি শিশুর হাতে লেখা চিঠির ছবি ভাইরাল হয়েছে, যেখানে সে তার প্রাত্যহিক জীবনের অভাব আর মায়ের প্রতি নিখাদ ভালোবাসার কথা তুলে ধরেছে। চিঠিতে শিশুটি লিখেছে:
“আম্মা , আমারে সাবান দিয়ো। ৩ দিন আগে সাবান সেশ। একটা সাদা পানজাবি দিয়ো আগেরটা সিরা গেসে। ইফতারে বুট মুরি দেয় রাইতেbবাত দেয়না সেহেরিতে দেয়। আমার লইগা কিছু খাওন আইনো বালো খাওন। একটা মসারি দিয়ো আর চাদর দিয়ে মাসা কামরায়।”

আরও পড়ুনঃ  গোবিপ্রবিতে নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্যের যোগদান

চিঠিটি নিছক কিছু শব্দের সমষ্টি নয়, বরং এটি আমাদের সমাজের অবহেলিত শিশুদের বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি। শিশুটি শুধু খাবারের আবদারই করেনি, চিঠির অন্য অংশে সে তার প্রয়োজনীয় জিনিসের তালিকাও দিয়েছে। একটি সাবান, একটি সাদা পাঞ্জাবি এবং মশার হাত থেকে বাঁচতে একটি মশারি ও চাদর চেয়েছে সে।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৭

ছবিটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই হাজার হাজার মানুষ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে, যখন আমরা ইফতারে রাজকীয় খাবারের আয়োজন করি, তখন আমাদের খুব কাছেই কোনো শিশু হয়তো একটু ‘ভালো খাবারের’ অপেক্ষায় প্রহর গুনছে।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জে কলেজ শিক্ষার্থী জোবায়ের ভূঁইয়াকে পিটিয়ে হত্যা !

সমাজকর্মীরা বলছেন, এতিমখানা বা মাদ্রাসার শিশুদের এই সরল আকুতি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও সামাজিকভাবে এই শিশুদের পাশে দাঁড়ানো কতটা জরুরি। বিশেষ করে উৎসবের দিনগুলোতে এই শিশুদের একাকীত্ব ও অভাব আরও প্রকট হয়ে ওঠে।

আরো পড়ুন

“আম্মা, ইফতারে বুট মুড়ি দেয়, আমার লাইগা ভালো খাওন আইনো”

ই-পেপার