Dhaka ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
আমেরিকা প্রবাসী উপদেষ্টাকে সংবর্ধনা দিলো ‘সেবা সংগঠন’ রতনপুরে দিনব্যাপী গনসংযোগ ও মতবিনিময় করেন এমপি রবিউল বাশার তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জের উত্তর শ্রীপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চুরি থানায় অভিযোগ বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে গ্রহণযোগ্য আহ্বায়ক কমিটি চায় শ্যামনগর বিএনপির তৃণমূল শার্শার বাহাদুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আসাদুজ্জামান আসাদ রাতের খাবারে চেতনানাশক,একই পরিবারের ৩ সদস্য হাসপাতালে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে বিদেশী মদ জব্দ রাজারহাটে অবৈধ মাছ শিকারে অভিযান, ৫০টি নিষিদ্ধ জাল জব্দ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, শুরু হচ্ছে ৭ দিনের বিশেষ অভিযান’

যুবলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে মাদক বাণিজ্যের অভিযোগ

যুবলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে মাদক বাণিজ্যের অভিযোগ

 

সাতক্ষীরা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের যুবলীগ কর্মী কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, অবৈধ অস্ত্রের লেনদেন এবং এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে তিনি এলাকায় মাদক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করছেন। তার কর্মকাণ্ডে পৌর এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ বাড়ছে।

 

অভিযুক্ত কামরুল ইসলাম সাতক্ষীরা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গহর আলী সরদারের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কামরুলের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা একটি সিন্ডিকেট নিয়মিতভাবে ইয়াবা, গাঁজা ও ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য সংগ্রহ, পরিবহন ও বিক্রি করে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে এসব মাদক সাতক্ষীরায় আনা হয় এবং পরে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়। তার সঙ্গে একাধিক সহযোগীও সক্রিয়ভাবে এই কাজে জড়িত বলে দাবি স্থানীয়দের।

 

আরও পড়ুনঃ  তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কামরুল প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে গেলেও তার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পুলিশের বিভিন্ন মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হলেও রহস্যজনক কারণে তিনি সবসময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়াও কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার অভিযোগও রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, শুরু হচ্ছে ৭ দিনের বিশেষ অভিযান'

 

এলাকাবাসীর দাবি, মাঝে মধ্যেই তিনি অস্ত্র প্রদর্শন করে এলাকায় ভয়ভীতি সৃষ্টি করেন এবং প্রতিপক্ষকে দমন করার চেষ্টা চালান। এ কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে তার বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পান না। নিরাপত্তার আশঙ্কায় অনেকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করছেন।

 

কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, অতীতেও কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছিল। তবে তৎকালীন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান তানভীর হোসাইন সুজনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার প্রভাব আরও বিস্তৃত হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।

আরও পড়ুনঃ  জেলা আ'লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার

 

এলাকার সচেতন মহল বলছে, মাদকের ভয়াবহ প্রভাবে তরুণ সমাজ ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক তরুণ মাদকাসক্ত হয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। এতে সামাজিক অস্থিরতা ও অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে বলে মনে করছেন তারা।

 

পৌরবাসীর দাবি, সাতক্ষীরা পৌরসভাকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত রাখতে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত নজরদারি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনারও আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জনপ্রিয় পোস্ট

আমেরিকা প্রবাসী উপদেষ্টাকে সংবর্ধনা দিলো ‘সেবা সংগঠন’

যুবলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে মাদক বাণিজ্যের অভিযোগ

আপডেটের সময়: ০৮:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

যুবলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে মাদক বাণিজ্যের অভিযোগ

 

সাতক্ষীরা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের যুবলীগ কর্মী কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, অবৈধ অস্ত্রের লেনদেন এবং এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে তিনি এলাকায় মাদক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করছেন। তার কর্মকাণ্ডে পৌর এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ বাড়ছে।

 

অভিযুক্ত কামরুল ইসলাম সাতক্ষীরা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গহর আলী সরদারের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কামরুলের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা একটি সিন্ডিকেট নিয়মিতভাবে ইয়াবা, গাঁজা ও ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য সংগ্রহ, পরিবহন ও বিক্রি করে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে এসব মাদক সাতক্ষীরায় আনা হয় এবং পরে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়। তার সঙ্গে একাধিক সহযোগীও সক্রিয়ভাবে এই কাজে জড়িত বলে দাবি স্থানীয়দের।

 

আরও পড়ুনঃ  রাজারহাটে অবৈধ মাছ শিকারে অভিযান, ৫০টি নিষিদ্ধ জাল জব্দ

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কামরুল প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে গেলেও তার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পুলিশের বিভিন্ন মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হলেও রহস্যজনক কারণে তিনি সবসময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়াও কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার অভিযোগও রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  রতনপুরে দিনব্যাপী গনসংযোগ ও মতবিনিময় করেন এমপি রবিউল বাশার

 

এলাকাবাসীর দাবি, মাঝে মধ্যেই তিনি অস্ত্র প্রদর্শন করে এলাকায় ভয়ভীতি সৃষ্টি করেন এবং প্রতিপক্ষকে দমন করার চেষ্টা চালান। এ কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে তার বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পান না। নিরাপত্তার আশঙ্কায় অনেকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করছেন।

 

কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, অতীতেও কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছিল। তবে তৎকালীন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান তানভীর হোসাইন সুজনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার প্রভাব আরও বিস্তৃত হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জের উত্তর শ্রীপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চুরি থানায় অভিযোগ

 

এলাকার সচেতন মহল বলছে, মাদকের ভয়াবহ প্রভাবে তরুণ সমাজ ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক তরুণ মাদকাসক্ত হয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। এতে সামাজিক অস্থিরতা ও অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে বলে মনে করছেন তারা।

 

পৌরবাসীর দাবি, সাতক্ষীরা পৌরসভাকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত রাখতে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত নজরদারি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনারও আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।