সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফিডিং প্রকল্পে অনিয়ম ও মানহীন খাবারের অভিযোগ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৩১ লাখ শিশুকে পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেওয়ার জন্য শুরু হওয়া ৫ হাজার ৪৫২ কোটি টাকার স্কুল ফিডিং প্রকল্পে অনিয়ম ও মানহীন খাবারের অভিযোগ উঠেছে। এ প্রকল্পের ২ হাজার ১৬৪ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু অনেক স্কুলে শিশুদের দেওয়া হচ্ছে পচা বা বাসি পাউরুটি, নষ্ট কলা এবং কাঁচা ডিম, আবার কিছু স্কুলে খাবারই পৌঁছায় না।
প্রকল্পের লক্ষ্যঃ
* শিশুদের পুষ্টি বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য সরবরাহ
* বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়ানো ও ঝরে পড়া কমানো
* গুণগত ও সমতাভিত্তিক শিক্ষা অর্জনে সহায়তা
কি খাওয়া হবে সপ্তাহেঃ
* রোববারঃ ১২০ গ্রাম বনরুটি ও সিদ্ধ ডিম
* সোমবারঃবনরুটি ও ২০০ গ্রাম ইউএইচটি দুধ
* মঙ্গলবারঃ ৭৫ গ্রাম ফর্টিফায়েড বিস্কুট ও কলা/মৌসুমি ফল
* বুধবার-বৃহস্পতিবারঃ বনরুটি ও সিদ্ধ ডিম
স্থানীয় অভিজ্ঞতাঃ
* কুড়িগ্রামের রৌমারী: ডিম ভেঙে যায়, পাউরুটি কঠিন বা মেচটা, কলা অতিরিক্ত পাঁকা।
* জামালপুরের সরিষাবাড়ী: বনরুটি বাসি, খাবার মাঝে মাঝে দেরিতে পৌঁছায়।
অনিয়ম ও অভিযোগঃ
* দরপত্রে অভিজ্ঞতা ও আর্থিক শর্ত পূরণ না করেও ঠিকাদারি কাজ দেওয়া হয়েছে।
* অনেক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান রাজনৈতিক সংযোগের কারণে কাজ পেয়েছে বলে অভিযোগ।
* খাবারের মান নিয়ন্ত্রণে আউটসোর্সিং এবং পুনঃদরপত্রের কারণে অসংগতি রয়ে গেছে।
প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্যঃ
ববি হাজ্জাজঃ “শিক্ষার সব জায়গায় অডিট হবে। কোনো অনিয়ম-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। শিক্ষার মান ও স্কুল ফিডিং প্রকল্পের সফলতা নিশ্চিত করা হবে।”
সরকার সারা দেশে এই কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে। তবে বর্তমানে প্রকল্পের সফলতা নির্ভর করছে সরবরাহের মান, স্থানীয় অংশগ্রহণ ও স্বচ্ছ দরপত্র প্রক্রিয়ার উপর।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফিডিং প্রকল্পে অনিয়ম ও মানহীন খাবারের অভিযোগ




















