Dhaka ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামে র‍্যাবের তিন অভিযানে ১৯ হাজার ৯১০ ইয়াবা উদ্ধার,আটক ৫ রতনপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী আলমগীর হোসেনের নিজস্ব অর্থায়নে সাঁকো নির্মাণ দুর্নীতি প্রতিরোধবিষয়ক বিতর্কে চ্যাম্পিয়ন নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় যশোরের শার্শায় ৬ হাজার ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক তথ্য না পেয়ে পানিসারা ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে ইউএনওর কাছে আপিল পেশাগত ঝুঁকি এড়াতে খুলনা বিভাগের ৬০ সাংবাদিককে দেওয়া হলো বিশেষ নিরাপত্তা সরঞ্জাম চুরি-ছিনতাইয়ের ১১ মামলার আসামি রাহাত ইসলাম শান্ত গ্রেপ্তার আমেরিকা প্রবাসী উপদেষ্টাকে সংবর্ধনা দিলো ‘সেবা সংগঠন’ রতনপুরে দিনব্যাপী গনসংযোগ ও মতবিনিময় করেন এমপি রবিউল বাশার তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

সৌদির সাথে মিল রেখে সাতক্ষীরায় ২০ গ্রামের মানুষ আদায় করলো ঈদের নামাজ

আরবী ক্যালেন্ডার অনুযায়ী রমজান মাস শেষ না হলেও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে সাতক্ষীরার প্রায় ২০টি গ্রামের কয়েকজন মানুষ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন।

সকাল ৮টায় সদর উপজেলার কুশখালী বাউকোলা এলাকায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল থেকেই জেলার কলারোয়া ও সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে মুসল্লিরা সদর উপজেলার কুশখালী বাউকোলা মসজিদে সমবেত হতে থাকেন। কুশখালী বাউকোলা মসজিদে অনুষ্ঠিত এই প্রধান জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা মহব্বত আলী।

আরও পড়ুনঃ  রতনপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী আলমগীর হোসেনের নিজস্ব অর্থায়নে সাঁকো নির্মাণ

এতে সদর উপজেলার ঘোনা, ভাড়ুখালী, মীরগিডাঙ্গা ও কলারোয়া উপজেলার ইসলামকাটি, গোয়ালচত্বর, ভাঁদড়া এবং পাইকগাছাসহ আশপাশের অন্তত ২০টি গ্রামের মানুষ এই ঈদের জামাতে অংশ নেন।

ঈদের নামাজে অংশ নিতে আসা কলারোয়া উপজেলার এক বাসিন্দা মিনহাজুল কবির জানান, সকাল ৭টায় বাসা থেকে বের হয়েছি ৮টার জামাত ধরতে। আমরা প্রতি বছরই বিশ্বের সাথে মিল রেখে একদিন আগে ঈদ পালন করে আসছি।

আরও পড়ুনঃ  যশোরের শার্শায় ৬ হাজার ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক

নামাজ শেষে বিশেষ খুতবায় মাওলানা মাহবুবুর রহমান বলেন, পবিত্র শাওয়াল মাসের প্রথম দিনে আমরা ঈদের নামাজ আদায় করেছি। যেহেতু আমরা একদিন আগে থেকে রোজা শুরু করেছিলাম। তাই আজ আমাদের জন্য ঈদের দিন। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মুসল্লিদের উপস্থিতি অনেক বেশি ছিল।

আরও পড়ুনঃ  পেশাগত ঝুঁকি এড়াতে খুলনা বিভাগের ৬০ সাংবাদিককে দেওয়া হলো বিশেষ নিরাপত্তা সরঞ্জাম

কিন্তু দেশীয় ক্যালেন্ডার না মেনে ও চাঁদ না দেখে সৌদির সাথে দিনের মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায়কারীরা মূলত একধরনের অজ্ঞতার মধ্যে আছে বলে অনেকে জানান। তাদের জ্ঞানের ঘাটতি রয়েছে। কেননা, কোথায় সৌদি আর কোথায় বাংলাদেশ। দূরত্ব ও সময়ের পার্থক্য অবশ্যই আছে।

স্থানীয় মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা রুহুল কুদ্দুস বলেন, ওয়াক্তিয়া নামাজ আমাদের পেছনে আদায় করে। আল্লাহ ওদের হেদায়েত দান করুন।

চট্টগ্রামে র‍্যাবের তিন অভিযানে ১৯ হাজার ৯১০ ইয়াবা উদ্ধার,আটক ৫

সৌদির সাথে মিল রেখে সাতক্ষীরায় ২০ গ্রামের মানুষ আদায় করলো ঈদের নামাজ

আপডেটের সময়: ০৯:১০:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

আরবী ক্যালেন্ডার অনুযায়ী রমজান মাস শেষ না হলেও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে সাতক্ষীরার প্রায় ২০টি গ্রামের কয়েকজন মানুষ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন।

সকাল ৮টায় সদর উপজেলার কুশখালী বাউকোলা এলাকায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল থেকেই জেলার কলারোয়া ও সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে মুসল্লিরা সদর উপজেলার কুশখালী বাউকোলা মসজিদে সমবেত হতে থাকেন। কুশখালী বাউকোলা মসজিদে অনুষ্ঠিত এই প্রধান জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা মহব্বত আলী।

আরও পড়ুনঃ  দুর্নীতি প্রতিরোধবিষয়ক বিতর্কে চ্যাম্পিয়ন নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়

এতে সদর উপজেলার ঘোনা, ভাড়ুখালী, মীরগিডাঙ্গা ও কলারোয়া উপজেলার ইসলামকাটি, গোয়ালচত্বর, ভাঁদড়া এবং পাইকগাছাসহ আশপাশের অন্তত ২০টি গ্রামের মানুষ এই ঈদের জামাতে অংশ নেন।

ঈদের নামাজে অংশ নিতে আসা কলারোয়া উপজেলার এক বাসিন্দা মিনহাজুল কবির জানান, সকাল ৭টায় বাসা থেকে বের হয়েছি ৮টার জামাত ধরতে। আমরা প্রতি বছরই বিশ্বের সাথে মিল রেখে একদিন আগে ঈদ পালন করে আসছি।

আরও পড়ুনঃ  তথ্য না পেয়ে পানিসারা ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে ইউএনওর কাছে আপিল

নামাজ শেষে বিশেষ খুতবায় মাওলানা মাহবুবুর রহমান বলেন, পবিত্র শাওয়াল মাসের প্রথম দিনে আমরা ঈদের নামাজ আদায় করেছি। যেহেতু আমরা একদিন আগে থেকে রোজা শুরু করেছিলাম। তাই আজ আমাদের জন্য ঈদের দিন। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মুসল্লিদের উপস্থিতি অনেক বেশি ছিল।

আরও পড়ুনঃ  চুরি-ছিনতাইয়ের ১১ মামলার আসামি রাহাত ইসলাম শান্ত গ্রেপ্তার

কিন্তু দেশীয় ক্যালেন্ডার না মেনে ও চাঁদ না দেখে সৌদির সাথে দিনের মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায়কারীরা মূলত একধরনের অজ্ঞতার মধ্যে আছে বলে অনেকে জানান। তাদের জ্ঞানের ঘাটতি রয়েছে। কেননা, কোথায় সৌদি আর কোথায় বাংলাদেশ। দূরত্ব ও সময়ের পার্থক্য অবশ্যই আছে।

স্থানীয় মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা রুহুল কুদ্দুস বলেন, ওয়াক্তিয়া নামাজ আমাদের পেছনে আদায় করে। আল্লাহ ওদের হেদায়েত দান করুন।