Dhaka ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে-২০২৬ সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত পুলিশে বড় রদবদল, ১১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন জঙ্গল সলিমপুরে তিন শতাধিক সদস্যের যৌথ অভিযান। তিন বছর পর গোপালগঞ্জ স্টেডিয়ামে আবারও ফিরছে প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল : আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও শৃঙ্খলা জোরদারে গোপালগঞ্জে পুলিশে মাস্টার প্যারেড ও অপরাধ কল্যাণ সভা : শার্শায় বীরশ্রেষ্ঠ নুর মোহাম্মদ কওমি মাদ্রাসার কমিটি গঠন: সভাপতি হান্নান, সাধারণ সম্পাদক ইমামুল সার বিতরণ নিয়ে অভিযোগের মধ্যে কৃষি কর্মকর্তা ওয়াসিম উদ্দিন বদলি তালায় ৫ লাখ টাকার ভেজাল সার-কীটনাশক জব্দ ভয়ভীতি দেখিয়ে ৫ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ সাতক্ষীরায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ে পুলিশের সভা

এফবিসিসিআই সংস্কার ও নির্বাচন মন্তব্য মোহাম্মদ ইকবাল জামাল

এফবিসিসিআই সংস্কার বলে বলে দেড়টা বছর সময় পার করা হলো, নির্বাচন দেয়া হলো না, কার স্বার্থে। সেটা এখন মূল্যায়ন করার সময় হয়েছে। আর আসল সংস্কার করতে হলে এফবিসিসিআই এর সাথে যুক্ত টাকা লুটেরা আর পদের অপব্যবহার কারীদের আগে ধরতে হবে। শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে এই অজুহাতে ঋণ খেলাপিদের আর কোনো ছাড় দেয়া চলবে না। তাদের থেকে ঋণ আদায় করতে হবে। বন্ধ প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনে প্রশাসক দিয়ে চালাতে হবে।

এছাড়া ব্যাংকার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর ব্যাপারে তদন্ত করতে হবে। প্রচার আছে এই এসোসিয়েশন গত ১৫ বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা চাঁদা তুলেছে, এর কিছু একটি ট্রাস্ট ও কিছু প্রভাবশালী দুর্নীতি বাজদের দিয়েছে, বাকিটা এদের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তারা ভাগ বাটোয়ারা করে খেয়েছে। ফলে ব্যাংক গুলি বিধি অনুযায়ী খাত ওয়ারি যেমন কৃষি, এসএমই, নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দেয়নি, তেমনি কোন সি.এস.আর. করেনি, উপরন্তু ব্যাংক গুলি সরকার থেকে নিজেদের পক্ষে অনেক অন্যায় ও বেআইনী সুবিধা নিয়েছে।
ব্যাংক গুলো কি করে বাণিজ্য সংগঠন হতে পারে যেখানে তাদের নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ ব্যাংক। তাই এখন সেটা ভেবে দেখার সময় এসেছে।

আরও পড়ুনঃ  মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত ইমদাদুল হক ইমদাদ

ব্যাংক এসোসিয়েশন করার অর্থই ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করা যা বিগত সময়ে করতে সক্ষমও হয়েছিল। এই এসোসিয়েশনের চাঁদা বাজি ও অনিয়ম তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দিতে হবে। শাস্তি দিতে হবে তাদেরও যারা গত ১৫ বছর নানা অন্যায় করে এখন নিজেদের পরিস্থিতির শিকার বলো দাবি করছে, আর এই অজুহাতে আবার পাঁয়তারা ও ধান্দা করছে পূনরায় ফিরে আসার বা পুনর্বাসিত হবার। তাদের পুনর্বাসনের জন্য কেউ এজেন্সি নিতে পারবে না। এইসকল ব্যবসায়ী নেতাদের বিরুদ্ধে গণ শুনানি করে তাদের বিভিন্ন অপকর্ম প্রকাশ করে আইনের আওতায় আনতে হবে। ব্যাংক ও শেয়ার বাজার ধ্বংসকারীরা কোনো ভাবেই ক্ষমা পাবার যোগ্য না।

আরও পড়ুনঃ  শার্শায় পাটের বাম্পার ফলন, ভালো দাম পেয়ে খুশি চাষিরা

এদের পুনরায় দুর্নীতি করার সুযোগ থামাতে হবে ও এদের না বলতে হবে। সরকারী ব্যাংকেও যারা চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক ছিল তাদের লুট ও অনিয়মের তদন্ত করে লুণ্ঠিত টাকা উদ্ধার ও দোষীদের শাস্তি দিতে হবে। আর একটা বিষয় প্রতি বছর রফতানির হিসাব এনবিআর দেয় একরকম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দেয় অন্য রকম। হিসাবে বিস্তর ফারাক। এর ফলে দুই ধরনের দুর্নীতি হয়েছে। প্রথমত রফতানী প্রণোদনা রফতানির তুলনায় বেশী প্রদান করা হয়েছে, দ্বিতীয়ত ভূয়া রফতানি দেখিয়ে বন্ডেড ওয়ার হাউসের মাল খোলা বাজারে বিক্রি করেছে।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশে বড় রদবদল, ১১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন

যে সকল রফতানী মুখী এসোসিয়েশন ভূয়া রফতানী ভিসা ইস্যু করেছে ও ভূয়া রফতানি দেখিয়ে অতিরিক্ত রফতানি প্রণোদনা নিয়েছে ও শুল্কমুক্ত কাঁচামাল খোলা বাজারে বিক্রি করতে সহায়তা করেছে, তদন্ত করে তাদেরও বিচার করতে হবে। *Enough is Enough*. লুটের টাকায় বুক ফুলিয়ে বিলাসী জীবন যাপন করবে সেটা হতে পারে না, তাদের স্থান হবে কারাগারে। সকল ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক ধারায় নির্বাচিত শিক্ষিত, তরুণ, সৎ, যোগ্য নেতৃত্ব অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধ ও কর্মসংস্থান বান্ধব বৈষম্যহীন এক নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করবে।

 

জনপ্রিয় পোস্ট

শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে-২০২৬ সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

এফবিসিসিআই সংস্কার ও নির্বাচন মন্তব্য মোহাম্মদ ইকবাল জামাল

আপডেটের সময়: ১২:০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

এফবিসিসিআই সংস্কার বলে বলে দেড়টা বছর সময় পার করা হলো, নির্বাচন দেয়া হলো না, কার স্বার্থে। সেটা এখন মূল্যায়ন করার সময় হয়েছে। আর আসল সংস্কার করতে হলে এফবিসিসিআই এর সাথে যুক্ত টাকা লুটেরা আর পদের অপব্যবহার কারীদের আগে ধরতে হবে। শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে এই অজুহাতে ঋণ খেলাপিদের আর কোনো ছাড় দেয়া চলবে না। তাদের থেকে ঋণ আদায় করতে হবে। বন্ধ প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনে প্রশাসক দিয়ে চালাতে হবে।

এছাড়া ব্যাংকার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর ব্যাপারে তদন্ত করতে হবে। প্রচার আছে এই এসোসিয়েশন গত ১৫ বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা চাঁদা তুলেছে, এর কিছু একটি ট্রাস্ট ও কিছু প্রভাবশালী দুর্নীতি বাজদের দিয়েছে, বাকিটা এদের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তারা ভাগ বাটোয়ারা করে খেয়েছে। ফলে ব্যাংক গুলি বিধি অনুযায়ী খাত ওয়ারি যেমন কৃষি, এসএমই, নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দেয়নি, তেমনি কোন সি.এস.আর. করেনি, উপরন্তু ব্যাংক গুলি সরকার থেকে নিজেদের পক্ষে অনেক অন্যায় ও বেআইনী সুবিধা নিয়েছে।
ব্যাংক গুলো কি করে বাণিজ্য সংগঠন হতে পারে যেখানে তাদের নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ ব্যাংক। তাই এখন সেটা ভেবে দেখার সময় এসেছে।

আরও পড়ুনঃ  শার্শা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ যুবলীগ নেতা ও ইউপি সদস্য আসাদুল গ্রেফতার

ব্যাংক এসোসিয়েশন করার অর্থই ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করা যা বিগত সময়ে করতে সক্ষমও হয়েছিল। এই এসোসিয়েশনের চাঁদা বাজি ও অনিয়ম তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দিতে হবে। শাস্তি দিতে হবে তাদেরও যারা গত ১৫ বছর নানা অন্যায় করে এখন নিজেদের পরিস্থিতির শিকার বলো দাবি করছে, আর এই অজুহাতে আবার পাঁয়তারা ও ধান্দা করছে পূনরায় ফিরে আসার বা পুনর্বাসিত হবার। তাদের পুনর্বাসনের জন্য কেউ এজেন্সি নিতে পারবে না। এইসকল ব্যবসায়ী নেতাদের বিরুদ্ধে গণ শুনানি করে তাদের বিভিন্ন অপকর্ম প্রকাশ করে আইনের আওতায় আনতে হবে। ব্যাংক ও শেয়ার বাজার ধ্বংসকারীরা কোনো ভাবেই ক্ষমা পাবার যোগ্য না।

আরও পড়ুনঃ  দেবীচরণ দুর্গা মন্দিরের ভাঙা প্রবেশপথে জিও-ব্যাগ ও ভিডি বালু 

এদের পুনরায় দুর্নীতি করার সুযোগ থামাতে হবে ও এদের না বলতে হবে। সরকারী ব্যাংকেও যারা চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক ছিল তাদের লুট ও অনিয়মের তদন্ত করে লুণ্ঠিত টাকা উদ্ধার ও দোষীদের শাস্তি দিতে হবে। আর একটা বিষয় প্রতি বছর রফতানির হিসাব এনবিআর দেয় একরকম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দেয় অন্য রকম। হিসাবে বিস্তর ফারাক। এর ফলে দুই ধরনের দুর্নীতি হয়েছে। প্রথমত রফতানী প্রণোদনা রফতানির তুলনায় বেশী প্রদান করা হয়েছে, দ্বিতীয়ত ভূয়া রফতানি দেখিয়ে বন্ডেড ওয়ার হাউসের মাল খোলা বাজারে বিক্রি করেছে।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জে গৃহবধূসহ দুজনকে কুপিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, থানায় এজাহার

যে সকল রফতানী মুখী এসোসিয়েশন ভূয়া রফতানী ভিসা ইস্যু করেছে ও ভূয়া রফতানি দেখিয়ে অতিরিক্ত রফতানি প্রণোদনা নিয়েছে ও শুল্কমুক্ত কাঁচামাল খোলা বাজারে বিক্রি করতে সহায়তা করেছে, তদন্ত করে তাদেরও বিচার করতে হবে। *Enough is Enough*. লুটের টাকায় বুক ফুলিয়ে বিলাসী জীবন যাপন করবে সেটা হতে পারে না, তাদের স্থান হবে কারাগারে। সকল ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক ধারায় নির্বাচিত শিক্ষিত, তরুণ, সৎ, যোগ্য নেতৃত্ব অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধ ও কর্মসংস্থান বান্ধব বৈষম্যহীন এক নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করবে।