ভয়ভীতি দেখিয়ে ৫ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ
সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল বউবাজার সংলগ্ন এলাকায় রনি নামে এক যুবককে আটকে মারধর ও ভয়ভীতি দেখিয়ে পরিবারের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে আবুল হোসেন নামে এক রাজমিস্ত্রি ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি ঘটে গত ১৪ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ৩টার দিকে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা বাঁশদহা গ্রামের রনি সাতক্ষীরা রেস্টি অফিসের কাজ শেষ করে পায়ে হেঁটে খুলনার রোডে ওঠার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। এ সময় তিনি পলাশপোল বউবাজার সংলগ্ন একটি রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় তার মুঠোফোনের ক্যামেরা নিজের অজান্তে অন হয়ে যায়। এতে পথের পাশে থাকা এক বয়স্ক নারীর ছবি অনিচ্ছাকৃতভাবে উঠে যায় বলে জানা গেছে।
এ সময় পথ দিয়ে যাওয়া এক পুলিশ সদস্য বিষয়টি দেখতে পেয়ে রনির মোবাইল ফোন নিয়ে ওই নারীর ছবি ডিলিট করে দেন এবং তাকে চলে যেতে বলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এই দৃশ্যটা বখাটে আবুল হোসেন এবং সহযোগীরা দেখে ফেলে।
কিছুদূর যাওয়ার পর আবুল হোসেন ও তার কয়েকজন সহযোগী রনিকে আটকে মারধর ও হেনস্থা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। একপর্যায়ে রনির পরিবারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে প্রথমে ৩ হাজার টাকা এবং পরে আবার মারধর করে আরও ২ হাজার টাকা নেওয়া হয়। মোট ৫ হাজার টাকা আবুল হোসেনের বিকাশ নম্বরে পাঠানোর পর রনিকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে তার পরিবার দাবি করেছে।
রনির পরিবারের অভিযোগ, আবুল হোসেন ও তার সহযোগীরা ঐ এলাকায় পথচারীদের বিভিন্ন অজুহাতে আটকে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায় করে থাকেন। এসব টাকা মাদকের পেছনে ব্যয় করা হয় বলেও অভিযোগ পরিবারের। এই পথ থেকে দুইশত গজ দূরে পুলিশ ফাঁড়ি থাকা সত্ত্বেও আবুল হোসেনের বাহিনীর অহরহ ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, এ ধরনের ঘটনার কারণে ওই এলাকায় সাধারণ পথচারীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
তবে অভিযুক্ত আবুল হোসেন ও তার সহযোগীদের বক্তব্য এবং ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যের বক্তব্য এই প্রতিবেদনের সময় পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।



















