Dhaka ০৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূলের দাবিতে জেলে বাওয়ালীদের মানববন্ধন কালিগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবে আব্দুল করিমের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীরায় মাদক ও চুরি রোধে কঠোর অবস্থানে পুলিশ- সদর ওসি যশোরে তালাক গোপন রেখে প্রবাসী স্বামীর সম্পদ আত্মসাৎ এর অভিযোগে আদালতে মামলা সাতক্ষীরায় ‘প্রেরণা’ এনজিও’র পরিচালক শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা খুলনায় তরুণীসহ আটক সাতক্ষীরার ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলে ঝিকরগাছায় মাদ্রাসার নামে অর্থ নিয়ে গড়ে উঠছে ব্যক্তিগত অট্টালিকা : প্রশাসনের তদন্ত কমিটি গঠন (১ম পর্ব) মান্দায় আওয়ামী লীগের ‘অপতৎপরতার’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ সাধারণ যাত্রীর নিরাপত্তা কোথায়? বাসের ছাদে কাঁচামাল পরিবহনে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

কুড়িগ্রামে চিলমারী ব্রহ্মপুত্রের তীরে ‘অষ্টমী স্নানে’অর্ধকোটি বেশি ভক্তদের ঢল

২৬ মার্চ ২০২৬ রোজ বৃহস্পতিবার গভীর বিশ্বাস, ভক্তি ও আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষার এক অনন্য প্রকাশ হিসেবে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের বালুচরে পবিত্র ‘অষ্টমী স্নান’ উৎসব পালন করতে অর্ধকোটিবেশি ভক্তের সমাগম ঘটে।

 

ভোরের আলো ফুটতেই মানুষের ঢলে পরিণত হয়। নারী, পুরুষ ও শিশুসহ অসংখ্য তীর্থযাত্রী রাণীগঞ্জ, নয়ারহাট, থানাহাট, রমনা, অষ্টমী চরসহ চিলমারীর বিভিন্ন ইউনিয়নের চরাঞ্চলে ভিড় জমান। চারপাশে ভেসে ওঠে ভক্তিমূলক সঙ্গীত, প্রার্থনা আর গভীর আধ্যাত্মিক অনুভবের আবহ।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরায় 'প্রেরণা' এনজিও'র পরিচালক শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসন তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্নান অনুষ্ঠান সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল ভাবে সম্পন্নের লক্ষে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্হা গ্রহণ করেন। যাতে করে পবিত্র এই আচার নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে রমনা ঘাট, বলাবাড়ি হাট, রাণীগঞ্জ হাট ও ফকিরের হাটে নির্ধারিত স্নানঘাটে ভক্তরা শৃঙ্খলার সঙ্গে স্নান করতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ  যশোরে তালাক গোপন রেখে প্রবাসী স্বামীর সম্পদ আত্মসাৎ এর অভিযোগে আদালতে মামলা

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে ‘অষ্টমী স্নান’—যা ‘পুণ্য স্নান’ নামেও পরিচিত—শুধু একটি আনুষ্ঠানিক স্নান নয়, বরং আত্মার পরিশুদ্ধির প্রতীকী এক গভীর আধ্যাত্মিক সাধনা। ভক্তদের বিশ্বাস, এই পুণ্য তিথিতে ব্রহ্মপুত্রের পবিত্র জলে স্নান করলে জীবনের সঞ্চিত পাপ মোচন হয় এবং লাভ হয় ঈশ্বরের আশীর্বাদ, মানসিক শান্তি ও আত্মিক পুনর্জাগরণ।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তীর্থযাত্রীরা এই উৎসবে অংশ নিতে আসেন, বিশেষ করে রংপুর বিভাগের আট জেলার মানুষের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। বাংলা মাস চৈত্র বা বৈশাখের প্রথম সপ্তাহে আয়োজিত শতবর্ষী এই উৎসবটি এ অঞ্চলের ধর্মীয় জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত।

আরও পড়ুনঃ  খুলনায় তরুণীসহ আটক সাতক্ষীরার ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলে

তবে আগের বছরের তুলনায় এবার কোনো বিদেশি ভক্তের উপস্থিতি দেখা যায়নি। অতীতে প্রতিবেশী ভারত ও নেপাল থেকেও বহু তীর্থযাত্রী এই উৎসবে অংশ নিতেন, যা এ উৎসবের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় গুরুত্বকে বাড়িয়ে দিত।

জনপ্রিয় পোস্ট

সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূলের দাবিতে জেলে বাওয়ালীদের মানববন্ধন

কুড়িগ্রামে চিলমারী ব্রহ্মপুত্রের তীরে ‘অষ্টমী স্নানে’অর্ধকোটি বেশি ভক্তদের ঢল

আপডেটের সময়: ০৯:০৭:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

২৬ মার্চ ২০২৬ রোজ বৃহস্পতিবার গভীর বিশ্বাস, ভক্তি ও আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষার এক অনন্য প্রকাশ হিসেবে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের বালুচরে পবিত্র ‘অষ্টমী স্নান’ উৎসব পালন করতে অর্ধকোটিবেশি ভক্তের সমাগম ঘটে।

 

ভোরের আলো ফুটতেই মানুষের ঢলে পরিণত হয়। নারী, পুরুষ ও শিশুসহ অসংখ্য তীর্থযাত্রী রাণীগঞ্জ, নয়ারহাট, থানাহাট, রমনা, অষ্টমী চরসহ চিলমারীর বিভিন্ন ইউনিয়নের চরাঞ্চলে ভিড় জমান। চারপাশে ভেসে ওঠে ভক্তিমূলক সঙ্গীত, প্রার্থনা আর গভীর আধ্যাত্মিক অনুভবের আবহ।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবে আব্দুল করিমের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসন তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্নান অনুষ্ঠান সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল ভাবে সম্পন্নের লক্ষে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্হা গ্রহণ করেন। যাতে করে পবিত্র এই আচার নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে রমনা ঘাট, বলাবাড়ি হাট, রাণীগঞ্জ হাট ও ফকিরের হাটে নির্ধারিত স্নানঘাটে ভক্তরা শৃঙ্খলার সঙ্গে স্নান করতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ  মান্দায় আওয়ামী লীগের ‘অপতৎপরতার’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে ‘অষ্টমী স্নান’—যা ‘পুণ্য স্নান’ নামেও পরিচিত—শুধু একটি আনুষ্ঠানিক স্নান নয়, বরং আত্মার পরিশুদ্ধির প্রতীকী এক গভীর আধ্যাত্মিক সাধনা। ভক্তদের বিশ্বাস, এই পুণ্য তিথিতে ব্রহ্মপুত্রের পবিত্র জলে স্নান করলে জীবনের সঞ্চিত পাপ মোচন হয় এবং লাভ হয় ঈশ্বরের আশীর্বাদ, মানসিক শান্তি ও আত্মিক পুনর্জাগরণ।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তীর্থযাত্রীরা এই উৎসবে অংশ নিতে আসেন, বিশেষ করে রংপুর বিভাগের আট জেলার মানুষের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। বাংলা মাস চৈত্র বা বৈশাখের প্রথম সপ্তাহে আয়োজিত শতবর্ষী এই উৎসবটি এ অঞ্চলের ধর্মীয় জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত।

আরও পড়ুনঃ  যশোরে তালাক গোপন রেখে প্রবাসী স্বামীর সম্পদ আত্মসাৎ এর অভিযোগে আদালতে মামলা

তবে আগের বছরের তুলনায় এবার কোনো বিদেশি ভক্তের উপস্থিতি দেখা যায়নি। অতীতে প্রতিবেশী ভারত ও নেপাল থেকেও বহু তীর্থযাত্রী এই উৎসবে অংশ নিতেন, যা এ উৎসবের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় গুরুত্বকে বাড়িয়ে দিত।