Dhaka ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রতনপুরে দিনব্যাপী গনসংযোগ ও মতবিনিময় করেন এমপি রবিউল বাশার তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জের উত্তর শ্রীপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চুরি থানায় অভিযোগ বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে গ্রহণযোগ্য আহ্বায়ক কমিটি চায় শ্যামনগর বিএনপির তৃণমূল শার্শার বাহাদুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আসাদুজ্জামান আসাদ রাতের খাবারে চেতনানাশক,একই পরিবারের ৩ সদস্য হাসপাতালে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে বিদেশী মদ জব্দ রাজারহাটে অবৈধ মাছ শিকারে অভিযান, ৫০টি নিষিদ্ধ জাল জব্দ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, শুরু হচ্ছে ৭ দিনের বিশেষ অভিযান’ জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার

মালয়েশিয়ায় ৫৬ বাংলাদেশিসহ ২১৮ অভিবাসী আটক

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের চেরাস এলাকার তামান মালুরিতে অভিযান চালিয়ে ৫৬ বাংলাদেশিসহ ২১৮ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হওয়া এ অভিযানটি চালানো হয় তামান মালুরির বাণিজ্যিক এলাকা ও পার্শ্ববর্তী আবাসিক এলাকায়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, এলাকাগুলোতে বিদেশি নাগরিকদের আধিপত্য ও অবৈধ অবস্থানের অভিযোগ এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।

আরও পড়ুনঃ  ভিনিসিয়ুসের জন্য মোটা অঙ্কের প্রস্তাব দিতে প্রস্তুত আর্সেনাল!

অভিযানে পুত্রাজায়া ইমিগ্রেশন সদরদপ্তর, নেগেরি সেম্বিলান ও পেরাক রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগের মোট ২৭৯ জন কর্মকর্তা অংশ নেন। এছাড়া জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ (জেপিএন)-এর ১০ জন কর্মকর্তা অভিযানে সহযোগিতা করেন। পুরো অভিযানের নেতৃত্ব দেন ইমিগ্রেশনের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশন) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি।

ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, অভিযান চলাকালে এক হাজার ৮৭ জনকে তল্লাশি করা হয়। এর মধ্যে ২ থেকে ৫৩ বছর বয়সী ২১৮ জন বিদেশি নাগরিককে বিভিন্ন ইমিগ্রেশন অপরাধে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে মিয়ানমারের ৭৮ জন, বাংলাদেশের ৫৬ জন, ইন্দোনেশিয়ার ৪৪ জন, নাইজেরিয়ার ১২ জন, নেপালের ১০ জন, ভারতের ৫ জন, শ্রীলঙ্কার ৪ জন এবং অন্যান্য দেশের ৯ জন নাগরিক রয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  ভিনিসিয়ুসের জন্য মোটা অঙ্কের প্রস্তাব দিতে প্রস্তুত আর্সেনাল!

আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বৈধ পরিচয়পত্র না থাকা, পাসের শর্ত লঙ্ঘন, নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান, স্বীকৃত নয় এমন পরিচয়পত্র বহনসহ ইমিগ্রেশন আইনের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ভিনিসিয়ুসের জন্য মোটা অঙ্কের প্রস্তাব দিতে প্রস্তুত আর্সেনাল!

দেশটির ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬, ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩ এবং মানবপাচার ও অভিবাসী পাচারবিরোধী আইন ২০০৭-এর আওতায় নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশিদের শনাক্ত, আটক, বিচার এবং নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

জনপ্রিয় পোস্ট

রতনপুরে দিনব্যাপী গনসংযোগ ও মতবিনিময় করেন এমপি রবিউল বাশার

মালয়েশিয়ায় ৫৬ বাংলাদেশিসহ ২১৮ অভিবাসী আটক

আপডেটের সময়: ১১:০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের চেরাস এলাকার তামান মালুরিতে অভিযান চালিয়ে ৫৬ বাংলাদেশিসহ ২১৮ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হওয়া এ অভিযানটি চালানো হয় তামান মালুরির বাণিজ্যিক এলাকা ও পার্শ্ববর্তী আবাসিক এলাকায়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, এলাকাগুলোতে বিদেশি নাগরিকদের আধিপত্য ও অবৈধ অবস্থানের অভিযোগ এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।

আরও পড়ুনঃ  ভিনিসিয়ুসের জন্য মোটা অঙ্কের প্রস্তাব দিতে প্রস্তুত আর্সেনাল!

অভিযানে পুত্রাজায়া ইমিগ্রেশন সদরদপ্তর, নেগেরি সেম্বিলান ও পেরাক রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগের মোট ২৭৯ জন কর্মকর্তা অংশ নেন। এছাড়া জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ (জেপিএন)-এর ১০ জন কর্মকর্তা অভিযানে সহযোগিতা করেন। পুরো অভিযানের নেতৃত্ব দেন ইমিগ্রেশনের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশন) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি।

ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, অভিযান চলাকালে এক হাজার ৮৭ জনকে তল্লাশি করা হয়। এর মধ্যে ২ থেকে ৫৩ বছর বয়সী ২১৮ জন বিদেশি নাগরিককে বিভিন্ন ইমিগ্রেশন অপরাধে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে মিয়ানমারের ৭৮ জন, বাংলাদেশের ৫৬ জন, ইন্দোনেশিয়ার ৪৪ জন, নাইজেরিয়ার ১২ জন, নেপালের ১০ জন, ভারতের ৫ জন, শ্রীলঙ্কার ৪ জন এবং অন্যান্য দেশের ৯ জন নাগরিক রয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  ভিনিসিয়ুসের জন্য মোটা অঙ্কের প্রস্তাব দিতে প্রস্তুত আর্সেনাল!

আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বৈধ পরিচয়পত্র না থাকা, পাসের শর্ত লঙ্ঘন, নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান, স্বীকৃত নয় এমন পরিচয়পত্র বহনসহ ইমিগ্রেশন আইনের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ভিনিসিয়ুসের জন্য মোটা অঙ্কের প্রস্তাব দিতে প্রস্তুত আর্সেনাল!

দেশটির ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬, ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩ এবং মানবপাচার ও অভিবাসী পাচারবিরোধী আইন ২০০৭-এর আওতায় নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশিদের শনাক্ত, আটক, বিচার এবং নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।