যশোর-৪ (অভয়নগর–বাঘারপাড়া–বসুন্দিয়া
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে ঋণখেলাপি সংক্রান্ত নথিপত্র ও ব্যাংকের আপত্তির বিষয়ে সন্তোষজনক প্রমাণ দিতে না পারায় আইয়ুবের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। ইসি কার্যালয়ে আপিল করেও তিনি প্রার্থিতা ফিরে পেতে ব্যর্থ হন। অন্যদিকে, ফারহাদ সাজিদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি বা আর্থিক জটিলতা না থাকায় তার প্রার্থিতা বৈধ বলে গণ্য হয়।
ইসি থেকে প্রার্থিতা ফিরে না পাওয়ায় টি এস আইয়ুব এখন উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তিনি প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে আপিল করেছেন। তার নির্বাচনী এলাকার (বাঘারপাড়া-অভয়নগর ও বসুন্দিয়া) কর্মী-সমর্থকরা এখন আদালতের রায়ের দিকে তাকিয়ে আছেন।
পিতা ও পুত্রকে কেন্দ্র করে যশোর-৪ আসনের রাজনীতিতে এখন নতুন সমীকরণ ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। টি এস আইয়ুব শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকতে না পারলে তার ছেলে ফারহাদ সাজিদই বিএনপির ঘরানার মূল প্রার্থী হিসেবে মাঠে থাকবেন কি না, তা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা।




















