Dhaka ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে-২০২৬ সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত পুলিশে বড় রদবদল, ১১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন জঙ্গল সলিমপুরে তিন শতাধিক সদস্যের যৌথ অভিযান। তিন বছর পর গোপালগঞ্জ স্টেডিয়ামে আবারও ফিরছে প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল : আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও শৃঙ্খলা জোরদারে গোপালগঞ্জে পুলিশে মাস্টার প্যারেড ও অপরাধ কল্যাণ সভা : শার্শায় বীরশ্রেষ্ঠ নুর মোহাম্মদ কওমি মাদ্রাসার কমিটি গঠন: সভাপতি হান্নান, সাধারণ সম্পাদক ইমামুল সার বিতরণ নিয়ে অভিযোগের মধ্যে কৃষি কর্মকর্তা ওয়াসিম উদ্দিন বদলি তালায় ৫ লাখ টাকার ভেজাল সার-কীটনাশক জব্দ ভয়ভীতি দেখিয়ে ৫ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ সাতক্ষীরায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ে পুলিশের সভা

সার্কুলার মডেল বাস্তবায়নে কে নেতৃত্ব দিবে? রাষ্ট্র, শিল্প নাকি নাগরিক সমাজ* সাকিফ শামীম এমডি ল্যাব এইড ক্যান্সার হাসপাতাল

সার্কুলার ইকোনমি বা বৃত্তাকার অর্থনীতি বর্তমান জলবায়ু সংকট ও সীমিত প্রাকৃতিক সম্পদের বাস্তবতায় লিনিয়ার ইকোনমির একটি কার্যকর বিকল্প। এর মূল দর্শন হলো রিডিউস, রিইউজ ও রিসাইকেলের মাধ্যমে বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করা এবং পণ্যের জীবনচক্র দীর্ঘায়িত করা। তবে এই রূপান্তর কোনো একক পক্ষের মাধ্যমে সম্ভব নয়; এর জন্য রাষ্ট্র, শিল্পখাত ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ অপরিহার্য।

রাষ্ট্রকে এখানে নীতিনির্ধারক ও পথপ্রদর্শকের ভূমিকা নিতে হবে। কার্যকর আইন, প্রণোদনা, গ্রিন ট্যাক্স সুবিধা, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বাধ্যতামূলক করা এবং পরিবেশবান্ধব পণ্যে শুল্ক ছাড়ের মাধ্যমে রাষ্ট্র একটি সহায়ক ইকোসিস্টেম তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি সোভেরেন গ্রিন বন্ড ও কার্বন ক্রেডিট মার্কেট চালুর মাধ্যমে টেকসই অবকাঠামো ও পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগে অর্থায়নের ভিত্তি শক্ত করা জরুরি।

আরও পড়ুনঃ  আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও শৃঙ্খলা জোরদারে গোপালগঞ্জে পুলিশে মাস্টার প্যারেড ও অপরাধ কল্যাণ সভা :

শিল্পখাত হলো সার্কুলার মডেলের মূল চালিকাশক্তি। উৎপাদন পর্যায় থেকেই টেকসই, পুনর্ব্যবহারযোগ্য ও দীর্ঘস্থায়ী পণ্যের ওপর জোর দিতে হবে। উদ্ভাবনী প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ, কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমানো এবং মুনাফার পাশাপাশি পরিবেশগত দায়িত্ব গ্রহণ করলেই শিল্পখাত এই রূপান্তরকে বাস্তব রূপ দিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে ওয়েস্ট-টেক, সার্কুলার সাপ্লাই চেইন ও ক্লিন এনার্জি ভিত্তিক স্টার্টআপগুলোর জন্য বড় পরিসরে সুযোগ সৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অর্থায়নের দিক থেকে ইক্যুইটি ফাইন্যান্সকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন, যাতে উদ্যোক্তারা ঋণের চাপ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি ও ঝুঁকিপূর্ণ উদ্ভাবনে কাজ করতে পারেন। একই সঙ্গে কার্বন, গ্রিন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সার্টিফিকেট কেনাবেচার জন্য একটি স্বচ্ছ ক্রেডিট এক্সচেঞ্জ হাউজ সার্কুলার অর্থনীতিকে আর্থিকভাবে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জ জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

একজন দায়িত্বশীল নাগরিক এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতের প্রতিনিধি হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ যেন পরিবেশের সাথে ভারসাম্য বজায় রেখে চলে। সার্কুলার ইকোনমি কেবল একটি অর্থনৈতিক তত্ত্ব নয়, এটি একটি সুন্দর ও সুস্থ পৃথিবীর বেঁচে থাকার দর্শন। রাষ্ট্র, শিল্প এবং নাগরিক সমাজ—আমরা সবাই যখন এক সুরে কথা বলব, তখনই শুরু হবে এক নতুন এবং টেকসই পৃথিবীর যাত্রা।

আরও পড়ুনঃ  তিন বছর পর গোপালগঞ্জ স্টেডিয়ামে আবারও ফিরছে প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল :
জনপ্রিয় পোস্ট

শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে-২০২৬ সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

সার্কুলার মডেল বাস্তবায়নে কে নেতৃত্ব দিবে? রাষ্ট্র, শিল্প নাকি নাগরিক সমাজ* সাকিফ শামীম এমডি ল্যাব এইড ক্যান্সার হাসপাতাল

আপডেটের সময়: ০৩:২৩:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

সার্কুলার ইকোনমি বা বৃত্তাকার অর্থনীতি বর্তমান জলবায়ু সংকট ও সীমিত প্রাকৃতিক সম্পদের বাস্তবতায় লিনিয়ার ইকোনমির একটি কার্যকর বিকল্প। এর মূল দর্শন হলো রিডিউস, রিইউজ ও রিসাইকেলের মাধ্যমে বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করা এবং পণ্যের জীবনচক্র দীর্ঘায়িত করা। তবে এই রূপান্তর কোনো একক পক্ষের মাধ্যমে সম্ভব নয়; এর জন্য রাষ্ট্র, শিল্পখাত ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ অপরিহার্য।

রাষ্ট্রকে এখানে নীতিনির্ধারক ও পথপ্রদর্শকের ভূমিকা নিতে হবে। কার্যকর আইন, প্রণোদনা, গ্রিন ট্যাক্স সুবিধা, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বাধ্যতামূলক করা এবং পরিবেশবান্ধব পণ্যে শুল্ক ছাড়ের মাধ্যমে রাষ্ট্র একটি সহায়ক ইকোসিস্টেম তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি সোভেরেন গ্রিন বন্ড ও কার্বন ক্রেডিট মার্কেট চালুর মাধ্যমে টেকসই অবকাঠামো ও পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগে অর্থায়নের ভিত্তি শক্ত করা জরুরি।

আরও পড়ুনঃ  আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও শৃঙ্খলা জোরদারে গোপালগঞ্জে পুলিশে মাস্টার প্যারেড ও অপরাধ কল্যাণ সভা :

শিল্পখাত হলো সার্কুলার মডেলের মূল চালিকাশক্তি। উৎপাদন পর্যায় থেকেই টেকসই, পুনর্ব্যবহারযোগ্য ও দীর্ঘস্থায়ী পণ্যের ওপর জোর দিতে হবে। উদ্ভাবনী প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ, কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমানো এবং মুনাফার পাশাপাশি পরিবেশগত দায়িত্ব গ্রহণ করলেই শিল্পখাত এই রূপান্তরকে বাস্তব রূপ দিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে ওয়েস্ট-টেক, সার্কুলার সাপ্লাই চেইন ও ক্লিন এনার্জি ভিত্তিক স্টার্টআপগুলোর জন্য বড় পরিসরে সুযোগ সৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অর্থায়নের দিক থেকে ইক্যুইটি ফাইন্যান্সকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন, যাতে উদ্যোক্তারা ঋণের চাপ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি ও ঝুঁকিপূর্ণ উদ্ভাবনে কাজ করতে পারেন। একই সঙ্গে কার্বন, গ্রিন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সার্টিফিকেট কেনাবেচার জন্য একটি স্বচ্ছ ক্রেডিট এক্সচেঞ্জ হাউজ সার্কুলার অর্থনীতিকে আর্থিকভাবে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  শারীরিক অসুস্থতার দেখিয়ে টুঙ্গিপাড়া আওয়ামীলীগ নেতার স্বেচ্ছায় পদত্যাগ

একজন দায়িত্বশীল নাগরিক এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতের প্রতিনিধি হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ যেন পরিবেশের সাথে ভারসাম্য বজায় রেখে চলে। সার্কুলার ইকোনমি কেবল একটি অর্থনৈতিক তত্ত্ব নয়, এটি একটি সুন্দর ও সুস্থ পৃথিবীর বেঁচে থাকার দর্শন। রাষ্ট্র, শিল্প এবং নাগরিক সমাজ—আমরা সবাই যখন এক সুরে কথা বলব, তখনই শুরু হবে এক নতুন এবং টেকসই পৃথিবীর যাত্রা।

আরও পড়ুনঃ  Mole's Kitchen!! স্বাদের জগতে আবারো স্বাগতম!!!