Dhaka ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে বিদেশী মদ জব্দ রাজারহাটে অবৈধ মাছ শিকারে অভিযান, ৫০টি নিষিদ্ধ জাল জব্দ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, শুরু হচ্ছে ৭ দিনের বিশেষ অভিযান’ জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস ইসলামের সঙ্গে নাগরিক অধিকার আন্দোলন, যশোরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ভিনিসিয়ুসের জন্য মোটা অঙ্কের প্রস্তাব দিতে প্রস্তুত আর্সেনাল! সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দুই চিকিৎসক ও এক নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা পাবনায় সাড়ে ১৩ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ১, মামলা দায়ের: স্বাস্থ্য মন্ত্রীর তালা হসপিটাল পরিদর্শন ডাক্তারকে বদলি ও নৈশ প্রহরী বরখাস্ত যশোরে বিজিবি’র অভিযানে স্বর্ণের বারসহ আটক-১

খুলনা-৬ আসনের কে হচ্ছেন এমপি?

, কয়রা পাইকগাছা এলাকায় জামায়াত হারানো আসন পেতে মরিয়া, বিএনপি হিন্দু ভোট নিতে ব্যস্ত।

কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলা নিয়ে গঠিত খুলনা-৬ সংসদীয় আসনটি দীর্ঘদিন ধরেই জামায়াতে ইসলামীর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরি-চিত। অতীতে জোট রাজনীতির সমীকরণে বিএনপি সাধারণত এই আসনটি জামায়াতের জন্য ছেড়ে দিলেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এসে সেই চিত্র বদলেছে। জোট ভাঙনের প্রেক্ষাপটে এবার বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছে। আওয়ামী লীগ প্রার্থী না থাকায় আসনটি ঘিরে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে।

হারানো আসনে ফিরে আসতে মরিয়া জামায়াত, অন্যদিকে দীর্ঘদিন পর আসন পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশায় বিএনপি। ভোটার ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মতে, বিএনপি যদি ঐক্য ধরে রাখতে পারে, তবে পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। আর বিএনপির ভেতরে অনৈক্য দেখা দিলে সেটিই জামায়াতের জন্য সুবিধাজনক হয়ে উঠতে পারে। এবারের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এসএম মনি নরুল হাসান বাপ্পি।

 

তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আসাদুল্লাহ ফকির এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রশান্ত কুমার মণ্ডলও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মী ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খুলনা-৬ আসনে বিএনপি সর্বশেষ জয় পেয়েছিল ১৯৭৯ সালে। ১৯৯১ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে জয় পায় জামায়াতে ইসলামী। অন্য নির্বাচনগুলোতে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়।

আরও পড়ুনঃ  যশোরে বিজিবি'র অভিযানে স্বর্ণের বারসহ আটক-১

 

এবারের নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যেই মূল লড়াই হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা। কয়রা উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা সুজা উদ্দিন বলেন, ‘খুলনা-৬ আসন জামায়াতের ঐতিহ্যবাহী খাঁটি। এখান থেকে দুবার আমাদের প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। মাঠে যে সাড়া পাচ্ছি, তাতে এবারও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী জয়ী হবেন বলে আমরা আশাবাদী।’ অন্যদিকে বিএনপিও জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। কয়রা উপজেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব এম এ হাসান বলেন, ‘এ এলাকায় বিএনপির নিজস্ব ভোটব্যাংক রয়েছে। জোট রাজনীতির কারণে অতীতে ছাড় দিতে হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  নাভারণ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন

 

এবার নিজস্ব প্রার্থী থাকায় আমরা এর সুফল পাব এবং দীর্ঘদিন পর আসনটি পুনরুদ্ধার করতে পারব বলে আশা করছি।’ নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, খুলনা-৬ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৮ হাজার ৭৩৪ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ৮ হাজার

৫২৪ জন, পুরুষ ২ লাখ ১০ হাজার ২০৯ জন এবং
তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার একজন। সরেজমিনে নির্বাচনী এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকেরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন।

উপকূলীয় ও দুর্যোগপ্রবণ এই জনপদে দীর্ঘদিনের অবহেলা কাটিয়ে উন্নয়নের প্রত্যাশা করছেন ভোটাররা। পাইকগাছার বাসিন্দা স্নেহেন্দু বিকাশ বলেন, ‘এ আসনে হিন্দু ভোটার রয়েছেন ৯৪ হাজার ৬১৩ জন। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ-সমর্থিত ভোটারও আছেন। সংখ্যালঘু ও আওয়ামী লীগ-সমর্থিত ভোট যেদিকে যাবে, শেষ পর্যন্ত জয় তারই হতে পারে। সামান্য বাবধানেই ফল নির্ধারিত হবে।’ এ আসনের অধিকাংশ ভোটার সুন্দরবন নির্ভর শ্রমজীবী মানুষ। জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দূর্যোগের সঙ্গে লড়াই করে তাদের জীবন-জীবিকা চলে। তাই এবারের নির্বাচনে প্রধান ইস্যু হয়ে উঠেছে উপকূলের টেকসই উন্নয়ন। ভোটাররা চান নদীভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ, সুপেয় পানির সংকট নিরসন, চিকিৎসাসেবার উন্নয়ন, যোগাযোগ

আরও পড়ুনঃ  যশোরে বিদেশী পিস্তলসহ সন্ত্রাসী আটক

প্রশান্ত কুমার মণ্ডল

ব্যবস্থার উন্নতি, আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন, সংখ্যালঘু ও নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনের বিকাশ। বিএনপি

প্রার্থী মনিরুল হাসান বলেন, ‘নির্বাচিত হলে নদীভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ, ঘরে ঘরে সুপেয় পানি সরবরাহ এবং কয়রায় ২৫০ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি কয়রা ও পাইকগাছায় বিচারিক আদালত স্থাপন এবং সব উন্নয়ন প্রকল্প স্বচ্ছতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে।’ জামায়াত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আগের জনপ্রতিনিধিদের দুর্নীতি ও নিষিক্রয়তার কারণে উন্নয়ন বাজেট সঠিকভাবে কাজে লাগেনি। নির্বাচিত হলে টেকসই বাঁধ নির্মাণ, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, সড়ক উন্নয়ন, বিদ্যালয়ে পর্যান্ত ভবন নির্মাণ এবং

চিকিৎসাসেবার ঘাটতি দূর করতে কাজ করব।’ উপকূলের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করে টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু সুরক্ষা নিশ্চিত করতে যিনি সক্ষম হবেন, ভোটাররা তাকেই বেছে নেবেন এমনটাই মনে করছেন স্থানীয়রা।

জনপ্রিয় পোস্ট

বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে বিদেশী মদ জব্দ

খুলনা-৬ আসনের কে হচ্ছেন এমপি?

আপডেটের সময়: ০৬:১০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

, কয়রা পাইকগাছা এলাকায় জামায়াত হারানো আসন পেতে মরিয়া, বিএনপি হিন্দু ভোট নিতে ব্যস্ত।

কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলা নিয়ে গঠিত খুলনা-৬ সংসদীয় আসনটি দীর্ঘদিন ধরেই জামায়াতে ইসলামীর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরি-চিত। অতীতে জোট রাজনীতির সমীকরণে বিএনপি সাধারণত এই আসনটি জামায়াতের জন্য ছেড়ে দিলেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এসে সেই চিত্র বদলেছে। জোট ভাঙনের প্রেক্ষাপটে এবার বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছে। আওয়ামী লীগ প্রার্থী না থাকায় আসনটি ঘিরে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে।

হারানো আসনে ফিরে আসতে মরিয়া জামায়াত, অন্যদিকে দীর্ঘদিন পর আসন পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশায় বিএনপি। ভোটার ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মতে, বিএনপি যদি ঐক্য ধরে রাখতে পারে, তবে পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। আর বিএনপির ভেতরে অনৈক্য দেখা দিলে সেটিই জামায়াতের জন্য সুবিধাজনক হয়ে উঠতে পারে। এবারের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এসএম মনি নরুল হাসান বাপ্পি।

 

তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আসাদুল্লাহ ফকির এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রশান্ত কুমার মণ্ডলও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মী ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খুলনা-৬ আসনে বিএনপি সর্বশেষ জয় পেয়েছিল ১৯৭৯ সালে। ১৯৯১ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে জয় পায় জামায়াতে ইসলামী। অন্য নির্বাচনগুলোতে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়।

আরও পড়ুনঃ  যশোর নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন

 

এবারের নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যেই মূল লড়াই হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা। কয়রা উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা সুজা উদ্দিন বলেন, ‘খুলনা-৬ আসন জামায়াতের ঐতিহ্যবাহী খাঁটি। এখান থেকে দুবার আমাদের প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। মাঠে যে সাড়া পাচ্ছি, তাতে এবারও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী জয়ী হবেন বলে আমরা আশাবাদী।’ অন্যদিকে বিএনপিও জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। কয়রা উপজেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব এম এ হাসান বলেন, ‘এ এলাকায় বিএনপির নিজস্ব ভোটব্যাংক রয়েছে। জোট রাজনীতির কারণে অতীতে ছাড় দিতে হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  স্বাস্থ্য মন্ত্রীর তালা হসপিটাল পরিদর্শন ডাক্তারকে বদলি ও নৈশ প্রহরী বরখাস্ত

 

এবার নিজস্ব প্রার্থী থাকায় আমরা এর সুফল পাব এবং দীর্ঘদিন পর আসনটি পুনরুদ্ধার করতে পারব বলে আশা করছি।’ নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, খুলনা-৬ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৮ হাজার ৭৩৪ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ৮ হাজার

৫২৪ জন, পুরুষ ২ লাখ ১০ হাজার ২০৯ জন এবং
তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার একজন। সরেজমিনে নির্বাচনী এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকেরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন।

উপকূলীয় ও দুর্যোগপ্রবণ এই জনপদে দীর্ঘদিনের অবহেলা কাটিয়ে উন্নয়নের প্রত্যাশা করছেন ভোটাররা। পাইকগাছার বাসিন্দা স্নেহেন্দু বিকাশ বলেন, ‘এ আসনে হিন্দু ভোটার রয়েছেন ৯৪ হাজার ৬১৩ জন। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ-সমর্থিত ভোটারও আছেন। সংখ্যালঘু ও আওয়ামী লীগ-সমর্থিত ভোট যেদিকে যাবে, শেষ পর্যন্ত জয় তারই হতে পারে। সামান্য বাবধানেই ফল নির্ধারিত হবে।’ এ আসনের অধিকাংশ ভোটার সুন্দরবন নির্ভর শ্রমজীবী মানুষ। জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দূর্যোগের সঙ্গে লড়াই করে তাদের জীবন-জীবিকা চলে। তাই এবারের নির্বাচনে প্রধান ইস্যু হয়ে উঠেছে উপকূলের টেকসই উন্নয়ন। ভোটাররা চান নদীভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ, সুপেয় পানির সংকট নিরসন, চিকিৎসাসেবার উন্নয়ন, যোগাযোগ

আরও পড়ুনঃ  যশোরে বিজিবি'র অভিযানে স্বর্ণের বারসহ আটক-১

প্রশান্ত কুমার মণ্ডল

ব্যবস্থার উন্নতি, আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন, সংখ্যালঘু ও নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনের বিকাশ। বিএনপি

প্রার্থী মনিরুল হাসান বলেন, ‘নির্বাচিত হলে নদীভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ, ঘরে ঘরে সুপেয় পানি সরবরাহ এবং কয়রায় ২৫০ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি কয়রা ও পাইকগাছায় বিচারিক আদালত স্থাপন এবং সব উন্নয়ন প্রকল্প স্বচ্ছতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে।’ জামায়াত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আগের জনপ্রতিনিধিদের দুর্নীতি ও নিষিক্রয়তার কারণে উন্নয়ন বাজেট সঠিকভাবে কাজে লাগেনি। নির্বাচিত হলে টেকসই বাঁধ নির্মাণ, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, সড়ক উন্নয়ন, বিদ্যালয়ে পর্যান্ত ভবন নির্মাণ এবং

চিকিৎসাসেবার ঘাটতি দূর করতে কাজ করব।’ উপকূলের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করে টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু সুরক্ষা নিশ্চিত করতে যিনি সক্ষম হবেন, ভোটাররা তাকেই বেছে নেবেন এমনটাই মনে করছেন স্থানীয়রা।