Dhaka ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে বিদেশী মদ জব্দ রাজারহাটে অবৈধ মাছ শিকারে অভিযান, ৫০টি নিষিদ্ধ জাল জব্দ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, শুরু হচ্ছে ৭ দিনের বিশেষ অভিযান’ জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস ইসলামের সঙ্গে নাগরিক অধিকার আন্দোলন, যশোরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ভিনিসিয়ুসের জন্য মোটা অঙ্কের প্রস্তাব দিতে প্রস্তুত আর্সেনাল! সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দুই চিকিৎসক ও এক নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা পাবনায় সাড়ে ১৩ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ১, মামলা দায়ের: স্বাস্থ্য মন্ত্রীর তালা হসপিটাল পরিদর্শন ডাক্তারকে বদলি ও নৈশ প্রহরী বরখাস্ত যশোরে বিজিবি’র অভিযানে স্বর্ণের বারসহ আটক-১

রৌমারীতে সেতুর অভাবে ৩০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ

রৌমারীতে সেতুর অভাবে ৩০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার মির্জাপাড়া ও গোয়ালগ্রাম জকির মোড় থেকে পূর্ব চর ইছাকুড়ি গ্রামের জিনজিরাম নদীর ওপর একটি সেতুর অভাবে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগের চিত্র দেখা যায়। স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে স্থানীয় এলাকাবাসী একাধিকবার মানববন্ধন করলেও কাজের কাজ হচ্ছে না।

সরেজমিনে দেখা যায়, চান্দার চর, ফুলবাড়ি, গোয়াল গ্রাম, পূর্ব চর ইছাকুড়ি সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ বসবাস এই অঞ্চলে। শিক্ষার্থী, কৃষক, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ সাধারণত প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ হাজার মানুষ এই পথ ব্যবহার করে চলাচল করেন বাঁশের দিয়ে। জিনজিরাম নদীর ওপর এই ব্রিজ না থাকায় বছরের পর বছর তারা অবর্ণনীয় কষ্টে জীবনযাপন করছেন।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দুই চিকিৎসক ও এক নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

 

বর্ষা মৌসুমে নৌকাই একমাত্র ভরসা, আর শুকনো মৌসুমে গ্রামবাসীর নিজ উদ্যোগে নির্মিত ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। বিকল্প কোনো সড়ক ব্যবস্থা না থাকায় জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত এবং কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণেও চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুনঃ  যশোরে বিজিবি'র অভিযানে স্বর্ণের বারসহ আটক-১

রৌমারীর ফুলবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাইদুর রহমান বলেন, ‘স্বাধীনতার এত বছর পরও আমরা একটি ব্রিজের অভাবে পিছিয়ে আছি। আমাদের সন্তানদের শিক্ষা, কৃষকের উৎপাদিত ফসল, রোগীর চিকিৎসা সবকিছুই এই নদীর কারণে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। একটি ব্রিজ নির্মাণ হলে কয়েকটি গ্রামের মানুষের জীবনমান বদলে যাবে।’

ভুক্তভোগী সৈয়দ আলী বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উন্নয়ন করছে। আমরা রৌমারীর এই জনপদের মানুষও উন্নয়নের সুফল চাই। দ্রুত জিনজিরাম নদীর ওপর একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করা হলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে।’

আরও পড়ুনঃ  বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি'র অভিযানে বিদেশী মদ জব্দ

মির্জাপাড়ার শাহাজামাল বলেন, ‘বন্যা মৌসুমে স্থানীয় লোকজন নৌকা দিয়ে পারাপার হলেও শুকনো মৌসুমে বাঁশের সাকো দিয়ে পারাপার হতে হয়। হঠাৎ বৃষ্টি হলে বা পাহাড়ি ঢলের পানি এলে সাঁকোও অনকে সময় ডুবে যায়। যার ফলে বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও রোগীদের দুর্ভোগ হয় চরম আকারে। বিকল্প রাস্তায় গেলেও অনেক রাস্তা বেশি হয়।’

এ বিষয়ে রৌমারী উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (অ.দা) সৌরভ কুমার দাস বলেন- ‘সরেজমিন তদন্ত পরিদর্শন করে সেতু নিমার্ণের জন্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগত করা হবে।’

জনপ্রিয় পোস্ট

বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে বিদেশী মদ জব্দ

রৌমারীতে সেতুর অভাবে ৩০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ

আপডেটের সময়: ০৭:১৮:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

রৌমারীতে সেতুর অভাবে ৩০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার মির্জাপাড়া ও গোয়ালগ্রাম জকির মোড় থেকে পূর্ব চর ইছাকুড়ি গ্রামের জিনজিরাম নদীর ওপর একটি সেতুর অভাবে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগের চিত্র দেখা যায়। স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে স্থানীয় এলাকাবাসী একাধিকবার মানববন্ধন করলেও কাজের কাজ হচ্ছে না।

সরেজমিনে দেখা যায়, চান্দার চর, ফুলবাড়ি, গোয়াল গ্রাম, পূর্ব চর ইছাকুড়ি সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ বসবাস এই অঞ্চলে। শিক্ষার্থী, কৃষক, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ সাধারণত প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ হাজার মানুষ এই পথ ব্যবহার করে চলাচল করেন বাঁশের দিয়ে। জিনজিরাম নদীর ওপর এই ব্রিজ না থাকায় বছরের পর বছর তারা অবর্ণনীয় কষ্টে জীবনযাপন করছেন।

আরও পড়ুনঃ  যশোর নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন

 

বর্ষা মৌসুমে নৌকাই একমাত্র ভরসা, আর শুকনো মৌসুমে গ্রামবাসীর নিজ উদ্যোগে নির্মিত ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। বিকল্প কোনো সড়ক ব্যবস্থা না থাকায় জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত এবং কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণেও চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুনঃ  বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি'র অভিযানে বিদেশী মদ জব্দ

রৌমারীর ফুলবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাইদুর রহমান বলেন, ‘স্বাধীনতার এত বছর পরও আমরা একটি ব্রিজের অভাবে পিছিয়ে আছি। আমাদের সন্তানদের শিক্ষা, কৃষকের উৎপাদিত ফসল, রোগীর চিকিৎসা সবকিছুই এই নদীর কারণে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। একটি ব্রিজ নির্মাণ হলে কয়েকটি গ্রামের মানুষের জীবনমান বদলে যাবে।’

ভুক্তভোগী সৈয়দ আলী বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উন্নয়ন করছে। আমরা রৌমারীর এই জনপদের মানুষও উন্নয়নের সুফল চাই। দ্রুত জিনজিরাম নদীর ওপর একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করা হলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে।’

আরও পড়ুনঃ  উপকূলের তৃষ্ণা মেটাতে এক তরুণের দীর্ঘ আন্দোলন

মির্জাপাড়ার শাহাজামাল বলেন, ‘বন্যা মৌসুমে স্থানীয় লোকজন নৌকা দিয়ে পারাপার হলেও শুকনো মৌসুমে বাঁশের সাকো দিয়ে পারাপার হতে হয়। হঠাৎ বৃষ্টি হলে বা পাহাড়ি ঢলের পানি এলে সাঁকোও অনকে সময় ডুবে যায়। যার ফলে বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও রোগীদের দুর্ভোগ হয় চরম আকারে। বিকল্প রাস্তায় গেলেও অনেক রাস্তা বেশি হয়।’

এ বিষয়ে রৌমারী উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (অ.দা) সৌরভ কুমার দাস বলেন- ‘সরেজমিন তদন্ত পরিদর্শন করে সেতু নিমার্ণের জন্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগত করা হবে।’