Dhaka ০৬:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ

লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতার চাঁদাবাজি মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতার চাঁদাবাজি মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

‎লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে বিএনপি নেতার চাঁদাবাজির মামলায় মো. মিলন হোসেন (২৫) নামের এক যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে কমল নগর থানা পুলিশ। শুক্রবার রাতে উপজেলার করইতলা বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মিলন চরলরেন্স ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে এবং মিলন নিজেকে চরলরেন্স ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক বলে দাবি করছেন।

এর আগে গত ২০ই এপ্রিল চরলরেন্স ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোরশেদ বাদি হয়ে মিলনসহ ৫জনের বিরুদ্ধে কমলনগর থানায় মামলা করেন। ওই মামালায় মিলন এক নাম্বার আসামী। অপর আসামিরা হলেন, একই ইউনিয়নের হাফিজ উল্যাহ মন্টুর ছেলে মোশারফ হোসেন (২৭),ওয়াহেদুন নবী বিপ্লবের ছেলে মেজবাহ উদ্দিন রাতুল (২২), ছানা উল্যাহ’র ছেলে আবদুল মন্নান(২০) ও মৃত নুরনবীর ছেলে মো. জিহাদ (২০)সহ অজ্ঞাত নামা আরো ১৫ থেকে ২০ জন।

আরও পড়ুনঃ  অতীতের সাফল্য ভুলে নতুন শুরুর লক্ষ্যে বাংলাদেশের!

‎মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাসিনা সরকার পতনের পর মিলন যুবদলের প্রভাব বিস্তার করে এলাকার নিরীহ লোকজন থেকে চাঁদাবাজি, সরকারী জায়গা দখল ও করইতলা এলাকার বিভিন্ন স্পটে জুয়ার আসর বসাতেন। ওই জুয়ার আসরসহ বিভিন্ন অপকর্মের ভাগ উপজেলার বড় বড় নেতারাও পেতেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন। তবে করইতলা এলাকায় তার সকল অপকর্মের এক জন আশ্রয়দাতা থাকলেও বর্তমান সরকারের ভাবমূতি ক্ষুন্ন হবে মনে করে মামলায় তাকে আসামি করতে দেয়নি উপরের মহলের নেতারা।

আরও পড়ুনঃ  বীরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজে: জাতীয় সংসদ সদস্যর পরিদর্শন।

‎এ বিষয়ে মামলার বাদি চরলরেন্স ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোরশেদ বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার পতনের পর করইলা বাজারের এক ব্যাক্তির ছত্র ছায়ায় মিলন অনেক অপকর্মে লিপ্ত ছিলো। এতে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। তার অপকর্মে আমাদের দলের ভাবমূর্তি অনেক ক্ষুন্ন হয়েছে। ফলে নিরুপায় হয়ে মামলা করতে বাধ্য হয়ছি।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশ দলকে বিদায় জানিয়ে ক্যাবরেরার আবেগঘন বার্তা!

‎কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফরিদুল আলম বলেন’ মামলার প্রধান আসামি মিলনকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জনপ্রিয় পোস্ট

কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতার চাঁদাবাজি মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

আপডেটের সময়: ০৪:৫৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতার চাঁদাবাজি মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

‎লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে বিএনপি নেতার চাঁদাবাজির মামলায় মো. মিলন হোসেন (২৫) নামের এক যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে কমল নগর থানা পুলিশ। শুক্রবার রাতে উপজেলার করইতলা বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মিলন চরলরেন্স ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে এবং মিলন নিজেকে চরলরেন্স ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক বলে দাবি করছেন।

এর আগে গত ২০ই এপ্রিল চরলরেন্স ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোরশেদ বাদি হয়ে মিলনসহ ৫জনের বিরুদ্ধে কমলনগর থানায় মামলা করেন। ওই মামালায় মিলন এক নাম্বার আসামী। অপর আসামিরা হলেন, একই ইউনিয়নের হাফিজ উল্যাহ মন্টুর ছেলে মোশারফ হোসেন (২৭),ওয়াহেদুন নবী বিপ্লবের ছেলে মেজবাহ উদ্দিন রাতুল (২২), ছানা উল্যাহ’র ছেলে আবদুল মন্নান(২০) ও মৃত নুরনবীর ছেলে মো. জিহাদ (২০)সহ অজ্ঞাত নামা আরো ১৫ থেকে ২০ জন।

আরও পড়ুনঃ  যান্ত্রিকতার কবলে বিলুপ্তির পথে গ্রামীণ ঐতিহ্যের পাথরের জাঁতা

‎মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাসিনা সরকার পতনের পর মিলন যুবদলের প্রভাব বিস্তার করে এলাকার নিরীহ লোকজন থেকে চাঁদাবাজি, সরকারী জায়গা দখল ও করইতলা এলাকার বিভিন্ন স্পটে জুয়ার আসর বসাতেন। ওই জুয়ার আসরসহ বিভিন্ন অপকর্মের ভাগ উপজেলার বড় বড় নেতারাও পেতেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন। তবে করইতলা এলাকায় তার সকল অপকর্মের এক জন আশ্রয়দাতা থাকলেও বর্তমান সরকারের ভাবমূতি ক্ষুন্ন হবে মনে করে মামলায় তাকে আসামি করতে দেয়নি উপরের মহলের নেতারা।

আরও পড়ুনঃ  মধ্যরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে; দোকান পুড়ে ছাই।

‎এ বিষয়ে মামলার বাদি চরলরেন্স ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোরশেদ বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার পতনের পর করইলা বাজারের এক ব্যাক্তির ছত্র ছায়ায় মিলন অনেক অপকর্মে লিপ্ত ছিলো। এতে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। তার অপকর্মে আমাদের দলের ভাবমূর্তি অনেক ক্ষুন্ন হয়েছে। ফলে নিরুপায় হয়ে মামলা করতে বাধ্য হয়ছি।

আরও পড়ুনঃ  জাতীয় প্রেসক্লাবে জিসপ’র আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

‎কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফরিদুল আলম বলেন’ মামলার প্রধান আসামি মিলনকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।