একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বাঁচতে চান একরামুল, চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৬ লাখ টাকা
একজন অসহায় বাবার বাঁচার আকুতি। চোখের সামনে একমাত্র সন্তান, বৃদ্ধ মা ও স্ত্রীকে রেখে অসুস্থ শরীর নিয়ে বিছানায় পড়ে আছেন মোঃ একরামুল মিয়া। জীবনযুদ্ধে অনেক কষ্ট সহ্য করেও তিনি কখনো পরিবারের দায়িত্ব থেকে পিছিয়ে যাননি। কিন্তু আজ কঠিন অসুস্থতা ও অর্থের অভাবে তাঁর চিকিৎসা থমকে গেছে।
মোঃ একরামুল মিয়া। পিতা মোঃ নূর আহমেদ, মাতা মোছাঃ শান্তনা বেগম। তাঁর বাড়ি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার দিগদাড়ী গ্রামে। জন্মস্থান রংপুর।
একরামুল মিয়ার বাবা অনেক আগেই মারা গেছেন। দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন একজন। পরবর্তীতে তাঁর ভাই বিয়ে করে আলাদা হয়ে যান। শারীরিক সমস্যার কারণে ছোটবেলা থেকেই স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে কষ্ট হতো এবং ভারী কোনো কাজ করাও তাঁর পক্ষে সম্ভব ছিল না। তারপরও পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী পরিশ্রম করে গেছেন।
বৃদ্ধ মা, স্ত্রী ও একমাত্র সন্তানকে নিয়ে কোনো রকমে চলছিল তাঁর সংসার। নিজের কষ্টকে কখনো বড় করে দেখেননি। একমাত্র সন্তানকে ঘিরেই ছিল তাঁর সব স্বপ্ন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকার পর হঠাৎ তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসার জন্য তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, তাঁর দুই পায়ের গোড়ালির ল্যাটেরাল ম্যালিওলাস (Lateral malleolus) গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী অপারেশনসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য প্রায় ৬ লাখ টাকা প্রয়োজন।
কিন্তু অসহায় একরামুল মিয়ার পরিবারের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব নয়। অর্থের অভাবে শেষ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরে আসতে হয়েছে তাঁকে। বর্তমানে তিনি অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে বিছানায় পড়ে আছেন। প্রতিদিন কষ্ট আর অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে সময় কাটছে তাঁর।
সবচেয়ে বড় কষ্ট, তিনি শুধু নিজের জন্য বাঁচতে চান না। তিনি বাঁচতে চান তাঁর বৃদ্ধ মা, স্ত্রী এবং একমাত্র সন্তানের জন্য। সন্তানটির ভবিষ্যৎ, পরিবারের মুখে হাসি এবং আপনজনদের পাশে থাকার আকাঙ্ক্ষাই তাঁকে বাঁচার সাহস জোগাচ্ছে।
সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী, মানবিক মানুষ এবং দেশের সর্বস্তরের হৃদয়বান মানুষের কাছে একরামুল মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে চিকিৎসার জন্য সহযোগিতার আবেদন জানানো হচ্ছে।
আসুন, মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিই।
হয়তো আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সামান্য সহযোগিতাই একরামুল মিয়ার জন্য বেঁচে থাকার আশার আলো হয়ে উঠবে। আপনাদের সহযোগিতা ও দোয়ায় তিনি চিকিৎসা নিয়ে আবারও সুস্থ হয়ে পরিবারের কাছে ফিরে আসুন, একমাত্র সন্তানকে বুকে জড়িয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন, এটাই তাঁর পরিবারের একমাত্র প্রত্যাশা।
ঠিকানা: দিগদাড়ী, ডাকঘর: শানেরহাট-৫৪৭০, পীরগঞ্জ, রংপুর।
নাম: মোঃ একরামুল মিয়া
পিতা: মোঃ নূর আহমেদ
মাতা: মোছাঃ শান্তনা বেগম
মোবাইল নং
+880 1625-385172
বিকাশ নগদ রকেট
মানবিক আবেদন: আসুন, যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, সেই সামর্থ্য অনুযায়ী একরামুল মিয়ার চিকিৎসায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিই। একজন অসহায় বাবাকে তাঁর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে আমাদের ছোট্ট সহযোগিতাই হতে পারে সবচেয়ে বড় মানবিকতা।
সহযোগিতা করতে না পারলেও দয়া করে পোস্টটি শেয়ার করুন।
আপনার একটি শেয়ার হয়তো এমন একজন মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে, যিনি একরামুল মিয়ার চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে পারবেন।



















