Dhaka ০৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে-২০২৬ সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত পুলিশে বড় রদবদল, ১১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন জঙ্গল সলিমপুরে তিন শতাধিক সদস্যের যৌথ অভিযান। তিন বছর পর গোপালগঞ্জ স্টেডিয়ামে আবারও ফিরছে প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল : আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও শৃঙ্খলা জোরদারে গোপালগঞ্জে পুলিশে মাস্টার প্যারেড ও অপরাধ কল্যাণ সভা : শার্শায় বীরশ্রেষ্ঠ নুর মোহাম্মদ কওমি মাদ্রাসার কমিটি গঠন: সভাপতি হান্নান, সাধারণ সম্পাদক ইমামুল সার বিতরণ নিয়ে অভিযোগের মধ্যে কৃষি কর্মকর্তা ওয়াসিম উদ্দিন বদলি তালায় ৫ লাখ টাকার ভেজাল সার-কীটনাশক জব্দ ভয়ভীতি দেখিয়ে ৫ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ সাতক্ষীরায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ে পুলিশের সভা

ঘোড়াঘাটে অলেদা বেওয়া হত্যা রহস্য উদঘাটন ৩ আসামী গ্রেফতার

ঘোড়াঘাটে অলেদা বেওয়া হত্যা রহস্য উদঘাটন ৩ আসামী গ্রেফতার

 

২৯ এপ্রিল ২০২৬ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে আলোচিত অলেদা বেওয়া হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত মূল তিন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গত ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ বিকাল আনুমানিক ৩টা থেকে ৫টার মধ্যে ঘোড়াঘাট থানাধীন পালশা ইউনিয়নের পূর্ব পালশা গ্রামে নিজ বাড়িতে একা অবস্থানকালে অলেদা বেওয়াকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। দুর্বৃত্তরা তার হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জ জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

ঘটনার পরপরই ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপার মোঃ জেদান আল মুসা, পিপিএম-এর দিকনির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ আনোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), সাইবার ইউনিট ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মোঃ ফজলে রাব্বী (২৯), মোঃ মুসফিকুর রহমান রাজ (৩৪) ও মোঃ নাজমুল হুদা শান্ত (২৬)। তাদের মধ্যে রাব্বী ও রাজকে আশুলিয়া থানার গোকুলনগর এলাকা থেকে এবং শান্তকে ঘোড়াঘাট থানার ডুগডুগিহাট দেওগ্রাম এলাকায় তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও শৃঙ্খলা জোরদারে গোপালগঞ্জে পুলিশে মাস্টার প্যারেড ও অপরাধ কল্যাণ সভা :

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারের সময় আসামীদের কাছ থেকে হত্যার পর লুট করা স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামীরা স্বীকার করেছে যে, অনলাইন জুয়ার আসক্তি ও ঋণের চাপ থেকে মুক্তি পেতে তারা এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে। আসামী ফজলে রাব্বীর নিকটাত্মীয় হওয়ায় ভুক্তভোগীর বাড়িতে স্বর্ণালংকার ও টাকা থাকার বিষয়টি তাদের জানা ছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা বাড়িতে প্রবেশ করে প্রথমে ভুক্তভোগীর মুখ চেপে ধরে, হাত-পা বেঁধে ফেলে এবং পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ  শার্শায় ১কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারী আটক

উদ্ধারকৃত মালামাল: ১টি স্বর্ণের হার, ১ জোড়া বালা, ১ জোড়া চেইন, ১ জোড়া কানের দুল, ১ জোড়া ঝুমকা, ১ জোড়া রুপার নুপুর

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত আছে।

জনপ্রিয় পোস্ট

শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে-২০২৬ সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

ঘোড়াঘাটে অলেদা বেওয়া হত্যা রহস্য উদঘাটন ৩ আসামী গ্রেফতার

আপডেটের সময়: ১২:৪৫:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

ঘোড়াঘাটে অলেদা বেওয়া হত্যা রহস্য উদঘাটন ৩ আসামী গ্রেফতার

 

২৯ এপ্রিল ২০২৬ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে আলোচিত অলেদা বেওয়া হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত মূল তিন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গত ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ বিকাল আনুমানিক ৩টা থেকে ৫টার মধ্যে ঘোড়াঘাট থানাধীন পালশা ইউনিয়নের পূর্ব পালশা গ্রামে নিজ বাড়িতে একা অবস্থানকালে অলেদা বেওয়াকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। দুর্বৃত্তরা তার হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ  আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও শৃঙ্খলা জোরদারে গোপালগঞ্জে পুলিশে মাস্টার প্যারেড ও অপরাধ কল্যাণ সভা :

ঘটনার পরপরই ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপার মোঃ জেদান আল মুসা, পিপিএম-এর দিকনির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ আনোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), সাইবার ইউনিট ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মোঃ ফজলে রাব্বী (২৯), মোঃ মুসফিকুর রহমান রাজ (৩৪) ও মোঃ নাজমুল হুদা শান্ত (২৬)। তাদের মধ্যে রাব্বী ও রাজকে আশুলিয়া থানার গোকুলনগর এলাকা থেকে এবং শান্তকে ঘোড়াঘাট থানার ডুগডুগিহাট দেওগ্রাম এলাকায় তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  অপরাধ করলে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হবে না- সাতক্ষীরায় আইনমন্ত্রী

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারের সময় আসামীদের কাছ থেকে হত্যার পর লুট করা স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামীরা স্বীকার করেছে যে, অনলাইন জুয়ার আসক্তি ও ঋণের চাপ থেকে মুক্তি পেতে তারা এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে। আসামী ফজলে রাব্বীর নিকটাত্মীয় হওয়ায় ভুক্তভোগীর বাড়িতে স্বর্ণালংকার ও টাকা থাকার বিষয়টি তাদের জানা ছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা বাড়িতে প্রবেশ করে প্রথমে ভুক্তভোগীর মুখ চেপে ধরে, হাত-পা বেঁধে ফেলে এবং পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ  টুঙ্গিপাড়ায় দুই খাবার হোটেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা ১৪ হাজার টাকা

উদ্ধারকৃত মালামাল: ১টি স্বর্ণের হার, ১ জোড়া বালা, ১ জোড়া চেইন, ১ জোড়া কানের দুল, ১ জোড়া ঝুমকা, ১ জোড়া রুপার নুপুর

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত আছে।