Dhaka ০৪:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে-২০২৬ সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত পুলিশে বড় রদবদল, ১১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন জঙ্গল সলিমপুরে তিন শতাধিক সদস্যের যৌথ অভিযান। তিন বছর পর গোপালগঞ্জ স্টেডিয়ামে আবারও ফিরছে প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল : আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও শৃঙ্খলা জোরদারে গোপালগঞ্জে পুলিশে মাস্টার প্যারেড ও অপরাধ কল্যাণ সভা : শার্শায় বীরশ্রেষ্ঠ নুর মোহাম্মদ কওমি মাদ্রাসার কমিটি গঠন: সভাপতি হান্নান, সাধারণ সম্পাদক ইমামুল সার বিতরণ নিয়ে অভিযোগের মধ্যে কৃষি কর্মকর্তা ওয়াসিম উদ্দিন বদলি তালায় ৫ লাখ টাকার ভেজাল সার-কীটনাশক জব্দ ভয়ভীতি দেখিয়ে ৫ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ সাতক্ষীরায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ে পুলিশের সভা

বাজারে আসার আগেই ধ্বংস ৯ হাজার কেজি আম

বাজারে আসার আগেই ধ্বংস ৯ হাজার কেজি আম

 

সাতক্ষীরায় কেমিক্যাল ও কার্বাইড দিয়ে কৃত্রিমভাবে পাকানো বিপুল পরিমাণ আম জব্দ করেছে পুলিশ। জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এসব আমের পরিমাণ প্রায় ৯ হাজার কেজি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানে এ আমগুলো উদ্ধার করা হয়। জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত আনুমানিক ২টার দিকে সদর উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জে গৃহবধূসহ দুজনকে কুপিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, থানায় এজাহার

অভিযান চলাকালে কালীগঞ্জ থেকে চট্টগ্রামগামী একটি ট্রাকে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ট্রাক থেকে ৩৫১ ক্যারেট ভর্তি আম উদ্ধার করা হয়, যার মোট ওজন প্রায় ৯ হাজার কেজি। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, অপরিপক্ব অবস্থায় আমগুলো সংগ্রহ করে কেমিক্যাল ও কার্বাইড ব্যবহার করে দ্রুত পাকানো হয়েছিল, যা মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

আরও পড়ুনঃ  টুঙ্গিপাড়ায় দুই খাবার হোটেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা ১৪ হাজার টাকা

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্ত বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধারকৃত আমগুলো জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ হওয়ায় তা বাজারজাত করতে দেওয়া হয়নি। বরং দ্রুত ধ্বংসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পরদিন বুধবার দুপুরে পৌরসভার বিনেরপোতা এলাকার ময়লার ভাগাড়ে নিয়ে জব্দ করা সব আম সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট করা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  শার্শা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ যুবলীগ নেতা ও ইউপি সদস্য আসাদুল গ্রেফতার

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি যারা কেমিক্যাল ও কার্বাইড ব্যবহার করে খাদ্যদ্রব্য প্রক্রিয়াজাত করে জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় পোস্ট

শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে-২০২৬ সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

বাজারে আসার আগেই ধ্বংস ৯ হাজার কেজি আম

আপডেটের সময়: ০৭:৪০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

বাজারে আসার আগেই ধ্বংস ৯ হাজার কেজি আম

 

সাতক্ষীরায় কেমিক্যাল ও কার্বাইড দিয়ে কৃত্রিমভাবে পাকানো বিপুল পরিমাণ আম জব্দ করেছে পুলিশ। জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এসব আমের পরিমাণ প্রায় ৯ হাজার কেজি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানে এ আমগুলো উদ্ধার করা হয়। জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত আনুমানিক ২টার দিকে সদর উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জে গৃহবধূসহ দুজনকে কুপিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, থানায় এজাহার

অভিযান চলাকালে কালীগঞ্জ থেকে চট্টগ্রামগামী একটি ট্রাকে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ট্রাক থেকে ৩৫১ ক্যারেট ভর্তি আম উদ্ধার করা হয়, যার মোট ওজন প্রায় ৯ হাজার কেজি। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, অপরিপক্ব অবস্থায় আমগুলো সংগ্রহ করে কেমিক্যাল ও কার্বাইড ব্যবহার করে দ্রুত পাকানো হয়েছিল, যা মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

আরও পড়ুনঃ  টুঙ্গিপাড়ায় দুই খাবার হোটেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা ১৪ হাজার টাকা

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্ত বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধারকৃত আমগুলো জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ হওয়ায় তা বাজারজাত করতে দেওয়া হয়নি। বরং দ্রুত ধ্বংসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পরদিন বুধবার দুপুরে পৌরসভার বিনেরপোতা এলাকার ময়লার ভাগাড়ে নিয়ে জব্দ করা সব আম সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট করা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  জঙ্গল সলিমপুরে তিন শতাধিক সদস্যের যৌথ অভিযান।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি যারা কেমিক্যাল ও কার্বাইড ব্যবহার করে খাদ্যদ্রব্য প্রক্রিয়াজাত করে জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।