Dhaka ১১:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূলের দাবিতে জেলে বাওয়ালীদের মানববন্ধন কালিগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবে আব্দুল করিমের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীরায় মাদক ও চুরি রোধে কঠোর অবস্থানে পুলিশ- সদর ওসি যশোরে তালাক গোপন রেখে প্রবাসী স্বামীর সম্পদ আত্মসাৎ এর অভিযোগে আদালতে মামলা সাতক্ষীরায় ‘প্রেরণা’ এনজিও’র পরিচালক শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা খুলনায় তরুণীসহ আটক সাতক্ষীরার ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলে ঝিকরগাছায় মাদ্রাসার নামে অর্থ নিয়ে গড়ে উঠছে ব্যক্তিগত অট্টালিকা : প্রশাসনের তদন্ত কমিটি গঠন (১ম পর্ব) মান্দায় আওয়ামী লীগের ‘অপতৎপরতার’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ সাধারণ যাত্রীর নিরাপত্তা কোথায়? বাসের ছাদে কাঁচামাল পরিবহনে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

উপকূল উন্নয়ন বোর্ড গঠন ও বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবিতে সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলন

উপকূল উন্নয়ন বোর্ড গঠন ও বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবিতে সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলন

 

উপকূলের পরিবেশগত সংকট নিরসন ও জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবিতে সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলন করেছে ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম।

 

শনিবার (২৩ মে) সাতক্ষীরা শহরের একটি রেস্টুরেন্টে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপকূলীয় এলাকার টেকসই ও সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিতে উপকূল উন্নয়ন বোর্ড গঠন, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরগুনা ও পটুয়াখালীসহ সমগ্র উপকূলীয় এলাকাকে জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা, উপকূলীয় অঞ্চল রক্ষায় মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং জাতীয় বাজেটে আলাদা ও পর্যাপ্ত বরাদ্দ প্রদানসহ ২১ দফা দাবি তুলে ধরেন ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের নেতৃবৃন্দ।

 

সংবাদ সম্মেলনে ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরামের সদস্য সচিব মাধব চন্দ্র দত্ত। উপস্থিত ছিলেন জেলা জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরামের আহবায়ক প্রফেসর আব্দুল হামিদ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম, উদীচীর সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর রহমান, ভূমিহীন নেতা আব্দুস সামাদ প্রমুখ।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরায় মাদক ও চুরি রোধে কঠোর অবস্থানে পুলিশ- সদর ওসি

 

সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত অন্যান্য দাবিগুলো হলো, উপকূলের দীর্ঘ তটরেখা বরাবর পরিবেশবান্ধব ইকোনমিক জোন গঠন, জলবায়ু ঝুঁকি, দারিদ্র্য ও বিপদাপন্নতার মাত্রা বিবেচনায় উপকূলীয় এলাকায় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা ও পরিধি বৃদ্ধি করে নগদ সহায়তা ও খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি জোরদারকারণ, উপকূলীয় এলাকায় কাস্টারভিত্তিক বসবাস পরিকল্পনা প্রণয়ন করে বসতি এলাকা বাদ দিয়ে অন্যান্য স্থানে ভূমি উঁচুকরণ এবং পলি অবক্ষেপণের জন্য জোয়ারাধার পদ্ধতি চালুকরণ,

 

উপকূলের প্রতিটি বাড়ি দুর্যোগ সহনশীল করার জন্য ‘একটি বাড়ি, একটি সেল্টার’ কর্মসূচি গ্রহণ, নিয়মিত জরিপ ও গবেষণার মাধ্যমে উপকূলরেখা ও উপকূলীয় এলাকার প্রকৃত আয়তন, স্বাদুপানি, কৃষিজমি, মৎস্যসম্পদ ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের সমন্বিত তথ্যভান্ডার তৈরি এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে টেকসই ও সমন্বিত ড্রেনেজ পরিকল্পনা গ্রহণ এবং দ্রুত বাস্তবায়ন, উপকূলীয় এলাকায় জলাবদ্ধতা দূর করতে ভরাট হয়ে যাওয়া নদী ও খালগুলো ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ গ্রহণ,

আরও পড়ুনঃ  যশোরে তালাক গোপন রেখে প্রবাসী স্বামীর সম্পদ আত্মসাৎ এর অভিযোগে আদালতে মামলা

 

বর্তমান সাইক্লোন শেল্টারগুলো সংস্কার করে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও প্রবীণবান্ধব করে গড়ে তোলা, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ঝুঁকি বিবেচনায় স্থায়ী ও মজবুত বেড়িবাঁধ পুনর্নির্মাণ, ভঙ্গুর স্লুইসগেটগুলো দ্রুত মেরামত ও আধুনিকীকরণ, বেড়িবাঁধ ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সরকার ও জনগণকে সম্পৃক্তকরণ, উপকূলীয় সকল মানুষের জন্য নিরাপদ খাবার পানির টেকসই ও স্থায়ী সমাধান নিশ্চিতকরণ, উপকূলে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য বৃহৎ জলাধার নির্মাণ, ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমাতে বড় দিঘি, খাল ও জলাধারের ইজারা বন্ধ করে সেগুলো সংরক্ষণ এবং সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্তকরণ, ঝড়-ঝঞ্ঝা,

 

আরও পড়ুনঃ  সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূলের দাবিতে জেলে বাওয়ালীদের মানববন্ধন

নদীভাঙন ও ভূমিক্ষয় রোধে উপকূল, দ্বীপ ও চরাঞ্চলে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ, প্যারাবন বা সবুজ বেষ্টনী গড়ে তুলতে হবে এবং উপকূলের প্রাকৃতিক রক্ষাকবচ সুন্দরবন সংরক্ষণে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে, উপকূলীয় অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবার তিনটি স্তর কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র কার্যকরভাবে সচল করতে হবে এবং এসব প্রতিষ্ঠানের সেবার মান ও জনবল বাড়াতে হবে, উপকূলীয় এলাকায় জলবায়ু ঝুঁকি কমাতে লবণাক্ততা সৃষ্টিকারী চিংড়ি চাষ পরিকল্পিত ও সীমিতকরণ,

 

সমুদ্রগামী জেলেদের জন্য জীবনবীমা, সামাজিক সুরক্ষা ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতকরণ, উপকূলীয় অঞ্চলে গৃহীত সকল উন্নয়ন প্রকল্পের পরিবেশগত, সামাজিক ও কৌশলগত প্রভাব মূল্যায়ন নিশ্চিতকরণ, দুর্যোগে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা গ্রহণ, উপকূলীয় এলাকার কৃষিকে জলবায়ু সহনশীল করে গড়ে তোলা এবং ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে দুর্যোগে জরুরী সাড়াদানে তহবিল গঠন।

জনপ্রিয় পোস্ট

সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূলের দাবিতে জেলে বাওয়ালীদের মানববন্ধন

উপকূল উন্নয়ন বোর্ড গঠন ও বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবিতে সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলন

আপডেটের সময়: ১০:৩১:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

উপকূল উন্নয়ন বোর্ড গঠন ও বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবিতে সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলন

 

উপকূলের পরিবেশগত সংকট নিরসন ও জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবিতে সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলন করেছে ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম।

 

শনিবার (২৩ মে) সাতক্ষীরা শহরের একটি রেস্টুরেন্টে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপকূলীয় এলাকার টেকসই ও সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিতে উপকূল উন্নয়ন বোর্ড গঠন, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরগুনা ও পটুয়াখালীসহ সমগ্র উপকূলীয় এলাকাকে জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা, উপকূলীয় অঞ্চল রক্ষায় মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং জাতীয় বাজেটে আলাদা ও পর্যাপ্ত বরাদ্দ প্রদানসহ ২১ দফা দাবি তুলে ধরেন ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের নেতৃবৃন্দ।

 

সংবাদ সম্মেলনে ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরামের সদস্য সচিব মাধব চন্দ্র দত্ত। উপস্থিত ছিলেন জেলা জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরামের আহবায়ক প্রফেসর আব্দুল হামিদ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম, উদীচীর সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর রহমান, ভূমিহীন নেতা আব্দুস সামাদ প্রমুখ।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরায় 'প্রেরণা' এনজিও'র পরিচালক শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

 

সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত অন্যান্য দাবিগুলো হলো, উপকূলের দীর্ঘ তটরেখা বরাবর পরিবেশবান্ধব ইকোনমিক জোন গঠন, জলবায়ু ঝুঁকি, দারিদ্র্য ও বিপদাপন্নতার মাত্রা বিবেচনায় উপকূলীয় এলাকায় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা ও পরিধি বৃদ্ধি করে নগদ সহায়তা ও খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি জোরদারকারণ, উপকূলীয় এলাকায় কাস্টারভিত্তিক বসবাস পরিকল্পনা প্রণয়ন করে বসতি এলাকা বাদ দিয়ে অন্যান্য স্থানে ভূমি উঁচুকরণ এবং পলি অবক্ষেপণের জন্য জোয়ারাধার পদ্ধতি চালুকরণ,

 

উপকূলের প্রতিটি বাড়ি দুর্যোগ সহনশীল করার জন্য ‘একটি বাড়ি, একটি সেল্টার’ কর্মসূচি গ্রহণ, নিয়মিত জরিপ ও গবেষণার মাধ্যমে উপকূলরেখা ও উপকূলীয় এলাকার প্রকৃত আয়তন, স্বাদুপানি, কৃষিজমি, মৎস্যসম্পদ ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের সমন্বিত তথ্যভান্ডার তৈরি এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে টেকসই ও সমন্বিত ড্রেনেজ পরিকল্পনা গ্রহণ এবং দ্রুত বাস্তবায়ন, উপকূলীয় এলাকায় জলাবদ্ধতা দূর করতে ভরাট হয়ে যাওয়া নদী ও খালগুলো ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ গ্রহণ,

আরও পড়ুনঃ  ঝিকরগাছায় মাদ্রাসার নামে অর্থ নিয়ে গড়ে উঠছে ব্যক্তিগত অট্টালিকা : প্রশাসনের তদন্ত কমিটি গঠন (১ম পর্ব)

 

বর্তমান সাইক্লোন শেল্টারগুলো সংস্কার করে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও প্রবীণবান্ধব করে গড়ে তোলা, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ঝুঁকি বিবেচনায় স্থায়ী ও মজবুত বেড়িবাঁধ পুনর্নির্মাণ, ভঙ্গুর স্লুইসগেটগুলো দ্রুত মেরামত ও আধুনিকীকরণ, বেড়িবাঁধ ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সরকার ও জনগণকে সম্পৃক্তকরণ, উপকূলীয় সকল মানুষের জন্য নিরাপদ খাবার পানির টেকসই ও স্থায়ী সমাধান নিশ্চিতকরণ, উপকূলে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য বৃহৎ জলাধার নির্মাণ, ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমাতে বড় দিঘি, খাল ও জলাধারের ইজারা বন্ধ করে সেগুলো সংরক্ষণ এবং সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্তকরণ, ঝড়-ঝঞ্ঝা,

 

আরও পড়ুনঃ  সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূলের দাবিতে জেলে বাওয়ালীদের মানববন্ধন

নদীভাঙন ও ভূমিক্ষয় রোধে উপকূল, দ্বীপ ও চরাঞ্চলে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ, প্যারাবন বা সবুজ বেষ্টনী গড়ে তুলতে হবে এবং উপকূলের প্রাকৃতিক রক্ষাকবচ সুন্দরবন সংরক্ষণে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে, উপকূলীয় অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবার তিনটি স্তর কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র কার্যকরভাবে সচল করতে হবে এবং এসব প্রতিষ্ঠানের সেবার মান ও জনবল বাড়াতে হবে, উপকূলীয় এলাকায় জলবায়ু ঝুঁকি কমাতে লবণাক্ততা সৃষ্টিকারী চিংড়ি চাষ পরিকল্পিত ও সীমিতকরণ,

 

সমুদ্রগামী জেলেদের জন্য জীবনবীমা, সামাজিক সুরক্ষা ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতকরণ, উপকূলীয় অঞ্চলে গৃহীত সকল উন্নয়ন প্রকল্পের পরিবেশগত, সামাজিক ও কৌশলগত প্রভাব মূল্যায়ন নিশ্চিতকরণ, দুর্যোগে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা গ্রহণ, উপকূলীয় এলাকার কৃষিকে জলবায়ু সহনশীল করে গড়ে তোলা এবং ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে দুর্যোগে জরুরী সাড়াদানে তহবিল গঠন।