ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় সরিষা ক্ষেত এখন শুধু চোখের শান্তিই নয়, বরং মধু উৎপাদনের এক বিশাল কারখানায় পরিণত হয়েছে। সরিষা ফুল থেকে মধু সংগ্রহে এখন দম ফেলার ফুসরত নেই।
আমন ধান কাটার পরে রবি মৌসুমের আগে পড়তি জমিতে সরিষার জন্য অনূকুল আবহাওয়া হওয়ায় অল্প দিনেই বেড়ে উঠে গাছ। আর সেই গাছের ফুল দেখে অধিক ফলনের স্বপ্ন দেখছেন রাণীশংকৈলের উপজেলার সরিষা চাষিরা। এবার রেকর্ড পরিমাণ জমিতে উন্নত জাতের সরিষা চাষ হয়েছে এ উপজেলায়। গ্রাম বাংলার প্রকৃতির মাঠ এখন সরিষার হলদ ফুলে ছেয়েগেছে।
স্বল্প খরচে অল্প সময়ে এ ফসল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কৃষক কৃষাণীদের মাঝে। হলুদ রঙের আর মিষ্টি মধুর সুবাসে ভরে গেছে সরিষার ক্ষেতগুলো। আর ফুল থেকে মৌমাছি দিয়ে খাঁটি মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মোয়ালরা।
উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের কাদিহাট মালিবস্তি এলাকায় দিনাজপুরের বীরগঞ্জ থেকে মৌ চাষী আব্দুস সাত্তার প্রায় শতাধিক মৌ বক্স নিয়ে এসেছেন সরিষা ফুল থেকে খাটি মধু সংগ্রহে জন্য।
তিনি জানান এবার আমি এখানে ১৫/২০ দিন থাকবো এবং মধু সংগ্রহ করবো। তিনি বলন এখান থেকে প্রায় ১৫/২০ মন মধু সংগ্রহ করা যাবে।তবে ফুলে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানির রস না থাকায় এবার পরিমানে তুলনায় কম মধু সংগ্রহ হবে। এসব মধু বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকারদের পাশাপাশি স্থানীয়দেরও ব্যাপক চাহিদা বাড়ছে। তিনি আরো জানান, সংগ্রহ করা এসব মধু মাঠ থেকেই পাইকারীর পাশাপাশি কৃষকরা ৫ শত টাকা কেজির দরে বিক্রি করেন।
স্থানীয় মঞ্জুর আলম,মাহিম,সোহেল সহ আরাও অনেকে বলেন,আমরা সরিষার মৌসুমে ফসল ফলিয়ে যেভাবে আমরা ভোজ্য তেলের চাহিদা পুরণ করতে পারি ঠিক তেমনি ফুল থেকে মৌ চাষীদের মাধ্যমে নিজ এলাকা থেকেই ভেজাল মুক্ত খাটি মধু খেতে পারি।তাই আমাদের উচিৎ বেশি করে সরিষার চাষ বৃদ্ধি করা




















