Dhaka ০৬:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কুমিরের আক্রমণে সন্তান হারানো মায়ের পাশে প্রশাসন। লক্ষ্মীপুরে দুই মেয়েসহ মাকে কুপিয়ে হত্যা, অভিযুক্ত ঘাতক গণপিটুনিতে নিহত আইএমইআই পরিবর্তনের মেশিন ও ল্যাপটপসহ ১৫৭টি মোবাইল উদ্ধার, গ্রেফতার ৫ সৈয়দপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার ফি নিয়ে অভিযোগ ওঠেছে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজকে নিয়ে ‘অপপ্রচারের’ প্রতিবাদে ওলামা দলের মানববন্ধন ৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় কাতারের আসিম মাদিবো! আনোয়ারায় মা-মেয়ে হত্যা: ১০ দিনেই পুলিশের চার্জশিট দাখিল, নেপথ্যে মায়ের ‘মৃত্যুকালীন জবানবন্দি’। রামগঞ্জে মেহেদী হত্যা মামলার আরো এক আসামী গ্রেফতার নবীজীকে নিয়ে কটুক্তি তাহিরপুরে এক হিন্দু যুবক আটক। পূর্ব শত্রুতার জেরে বসতবাড়িকে কেন্দ্র করে মারপিট ও মামলার অভিযোগ

আনোয়ারায় মা-মেয়ে হত্যা: ১০ দিনেই পুলিশের চার্জশিট দাখিল, নেপথ্যে মায়ের ‘মৃত্যুকালীন জবানবন্দি’।

আনোয়ারায় মা-মেয়ে হত্যা: ১০ দিনেই পুলিশের চার্জশিট দাখিল, নেপথ্যে মায়ের ‘মৃত্যুকালীন জবানবন্দি’।

 

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার পরৈকড়া ইউনিয়নের চেনামতি গ্রামে ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে মাত্র ১০ দিনের মাথায় আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির নিখুঁত ব্যবহার এবং নিহত মায়ের ‘মৃত্যুকালীন ভিডিও জবানবন্দি’র ওপর ভিত্তি করে দ্রুততম সময়ে এই মামলার তদন্ত সম্পন্ন করা হলো।

মামলার একমাত্র আসামি রিমন বড়ুয়া ওরফে তেজপ্রিয় বড়ুয়াকে অভিযুক্ত করে আজ (২৪ জুন) আদালতে এই চার্জশিট দাখিল করা হয়।

গত ১৩ জুন ২০২৬ তারিখ রাতে চেনামতি গ্রামের বড়ুয়া পাড়ায় নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘাতকের ধারালো ছুরির আঘাতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান এনি বড়ুয়া ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া। এ সময় গুরুতর আহত হয় অর্ক বড়ুয়া নামের আরও একজন।

আরও পড়ুনঃ  চাকিরপশার বিলে অবৈধ মৎস্য আহরণে অভিযান

ঘটনার পরপরই জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এর মাধ্যমে তথ্য পেয়ে মাঠে নামে আনোয়ারা থানা পুলিশ এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটিয়া রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয় মূল হোতা রিমন বড়ুয়াকে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই উদ্ধার করা হয়:

আরও পড়ুনঃ  আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনে, পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ২

হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরি।

ভিকটিমের খোয়া যাওয়া মোবাইল ফোন।

পুলিশ জানায়, মামলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে যুক্ত হয়েছে নিহত এনি বড়ুয়ার মৃত্যুকালীন জবানবন্দির একটি ভিডিও রেকর্ড, যা আসামির অপরাধ প্রমাণে আদালতে বড় ভূমিকা রাখবে।

এক নজরে মামলার তদন্ত ডায়েরি
বিবরণ তথ্য ও পরিসংখ্যান
হত্যাকাণ্ডের তারিখ ১৩ জুন ২০২৬
চার্জশিট দাখিলের তারিখ ২৪ জুন ২০২৬ (মাত্র ১০ দিন পর)
চার্জশিট নম্বর ১৪৭
সাক্ষী সংখ্যা ২২ জন (৪ জন পুলিশ সদস্যসহ)
আইনি ধারা ৩২৩/৩০৭/৩০২ দণ্ডবিধি, ১৮৬০
১৬৪ ধারায় আসামির স্বীকারোক্তি

আরও পড়ুনঃ  যশোরে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে অনলাইন জুয়া, সর্বস্ব হারাচ্ছেন অনেকে

গ্রেফতারের পর আসামি রিমন বড়ুয়া বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট, মেডিকেল রিপোর্ট, উদ্ধারকৃত আলামত এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি বিশ্লেষণ করেই অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে এই নিখুঁত চার্জশিট প্রস্তুত করেছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, জেলা পুলিশের নিরলস ও দক্ষ তদন্তের ফলেই এত দ্রুততম সময়ে অপরাধীকে আইনের মুখোমুখি করা সম্ভব হয়েছে। অপরাধ দমনে এবং অপরাধীদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনতে জেলা পুলিশ সর্বদা বদ্ধপরিকর।

কুমিরের আক্রমণে সন্তান হারানো মায়ের পাশে প্রশাসন।

আনোয়ারায় মা-মেয়ে হত্যা: ১০ দিনেই পুলিশের চার্জশিট দাখিল, নেপথ্যে মায়ের ‘মৃত্যুকালীন জবানবন্দি’।

আপডেটের সময়: ১২:৪২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

আনোয়ারায় মা-মেয়ে হত্যা: ১০ দিনেই পুলিশের চার্জশিট দাখিল, নেপথ্যে মায়ের ‘মৃত্যুকালীন জবানবন্দি’।

 

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার পরৈকড়া ইউনিয়নের চেনামতি গ্রামে ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে মাত্র ১০ দিনের মাথায় আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির নিখুঁত ব্যবহার এবং নিহত মায়ের ‘মৃত্যুকালীন ভিডিও জবানবন্দি’র ওপর ভিত্তি করে দ্রুততম সময়ে এই মামলার তদন্ত সম্পন্ন করা হলো।

মামলার একমাত্র আসামি রিমন বড়ুয়া ওরফে তেজপ্রিয় বড়ুয়াকে অভিযুক্ত করে আজ (২৪ জুন) আদালতে এই চার্জশিট দাখিল করা হয়।

গত ১৩ জুন ২০২৬ তারিখ রাতে চেনামতি গ্রামের বড়ুয়া পাড়ায় নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘাতকের ধারালো ছুরির আঘাতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান এনি বড়ুয়া ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া। এ সময় গুরুতর আহত হয় অর্ক বড়ুয়া নামের আরও একজন।

আরও পড়ুনঃ  সীতাকুণ্ডে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কাভার্ডভ্যানের পেছনে প্রাইভেটকার, আহত ৩।

ঘটনার পরপরই জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এর মাধ্যমে তথ্য পেয়ে মাঠে নামে আনোয়ারা থানা পুলিশ এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটিয়া রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয় মূল হোতা রিমন বড়ুয়াকে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই উদ্ধার করা হয়:

আরও পড়ুনঃ  দেশের ৬ অঞ্চলে সেনা মোতায়েন, মাঠে থাকবে ৩০ জুন পর্যন্ত

হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরি।

ভিকটিমের খোয়া যাওয়া মোবাইল ফোন।

পুলিশ জানায়, মামলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে যুক্ত হয়েছে নিহত এনি বড়ুয়ার মৃত্যুকালীন জবানবন্দির একটি ভিডিও রেকর্ড, যা আসামির অপরাধ প্রমাণে আদালতে বড় ভূমিকা রাখবে।

এক নজরে মামলার তদন্ত ডায়েরি
বিবরণ তথ্য ও পরিসংখ্যান
হত্যাকাণ্ডের তারিখ ১৩ জুন ২০২৬
চার্জশিট দাখিলের তারিখ ২৪ জুন ২০২৬ (মাত্র ১০ দিন পর)
চার্জশিট নম্বর ১৪৭
সাক্ষী সংখ্যা ২২ জন (৪ জন পুলিশ সদস্যসহ)
আইনি ধারা ৩২৩/৩০৭/৩০২ দণ্ডবিধি, ১৮৬০
১৬৪ ধারায় আসামির স্বীকারোক্তি

আরও পড়ুনঃ  পবিত্র আশুরা উপলক্ষে সিএমপিতে নিরাপত্তা সমন্বয় সভা

গ্রেফতারের পর আসামি রিমন বড়ুয়া বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট, মেডিকেল রিপোর্ট, উদ্ধারকৃত আলামত এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি বিশ্লেষণ করেই অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে এই নিখুঁত চার্জশিট প্রস্তুত করেছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, জেলা পুলিশের নিরলস ও দক্ষ তদন্তের ফলেই এত দ্রুততম সময়ে অপরাধীকে আইনের মুখোমুখি করা সম্ভব হয়েছে। অপরাধ দমনে এবং অপরাধীদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনতে জেলা পুলিশ সর্বদা বদ্ধপরিকর।