Dhaka ১১:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মায়ের জানাজায় বাঁধা-পুলিশের উপস্থিতি তে মুক্তি যশোর সীমান্তে চোরাচালানী মালামাল জব্দ অপরাধীর কোনো দল বা গ্রুপ নেই, কাউকেই ছাড় নয়”: কোতোয়ালি ওসি সাতক্ষীরায় ঐতিহ্যের সাক্ষী মৃত জামগাছ, দুর্ঘটনার শঙ্কায় উদ্বিগ্ন পৌরবাসী সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে ‘পুশইন’ ঠেকাতে বিজিবি’র টহল জোরদার কলারোয়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, সমস্যা সমাধানের আশ্বাস কাঠফাটা রোদ ও তীব্র গরমে সাতক্ষীরায় পথচারী-শ্রমজীবীদের মাঝে সুপেয় পানি ও ছাতা বিতরণ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হলেন,জামালগঞ্জের কৃতি সন্তান গাইবান্ধা সদরে দুই সড়কের পাকাকরণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ গোবিন্দগঞ্জে মাদকসহ ২ জন কে ৩৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড।

গাইবান্ধা সদরে দুই সড়কের পাকাকরণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ

গাইবান্ধা সদরে দুই সড়কের পাকাকরণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ, ল্যাব টেস্টের দাবি এলাকাবাসীর

 

গাইবান্ধা সদর উপজেলার দুটি সড়কের পাকাকরণ কাজে অনিয়ম ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ব্যবহৃত খোয়ার মান পরীক্ষার জন্য ল্যাব টেস্ট না হওয়া পর্যন্ত নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হোক। একই সঙ্গে তারা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর নির্বাহী প্রকৌশলীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সরেজমিনে জানা যায়, বল্লমঝাড় ইউনিয়নের নারায়ণপুর খোলাবাড়ী থেকে ঝিনেশ্বর পর্যন্ত সড়কের ডাব্লিউবিএম (WBM) কাজে নিম্নমানের খোয়া ব্যবহার করে রোলার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া রাস্তার দুই পাশে নির্ধারিত প্রস্থ অনুযায়ী কাজ করা হয়নি বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ। প্রকল্পের কোনো সাইনবোর্ড না থাকায় কাজের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

অপরদিকে, কুপতলা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মোজাহার মাস্টারের বাড়ি থেকে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ধর্মতলা পর্যন্ত সড়কের ডাব্লিউবিএম কাজে ইটভাটার রাবিশ ও নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। তাদের দাবি, এর আগেও একই সড়কের সাব-বেইজ নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছিল। প্রকল্পের তথ্যসংবলিত সাইনবোর্ড না থাকায় কাজের গুণগত মান নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সরকার জিরো টলারেন্স ঘোষণা করার পরেও মাদক- সেবিদের আড্ডা

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অবহিত করা হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে সড়ক দুটির স্থায়িত্ব ও নির্মাণমান নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে এলজিইডি গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং আধা ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হবে। পাশাপাশি নির্মাণকাজে ব্যবহৃত উপকরণের মান যাচাই এবং অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্য বিতরণ

এলাকাবাসী অবিলম্বে ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রীর মান পরীক্ষার জন্য ল্যাব টেস্ট এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করলে সড়ক দুটির নির্মাণমান নিশ্চিত হবে এবং সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

অভিযোগের বিষয়ে এলজিইডির তদন্ত কর্মকর্তা মোঃ উজ্জ্বলের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  পাটলাই নদীতে নিখোঁজ থাকা পর্যটকের লাশ ২৮ ঘন্টা পর উদ্ধার।
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

মায়ের জানাজায় বাঁধা-পুলিশের উপস্থিতি তে মুক্তি

গাইবান্ধা সদরে দুই সড়কের পাকাকরণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেটের সময়: ০৮:১৩:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

গাইবান্ধা সদরে দুই সড়কের পাকাকরণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ, ল্যাব টেস্টের দাবি এলাকাবাসীর

 

গাইবান্ধা সদর উপজেলার দুটি সড়কের পাকাকরণ কাজে অনিয়ম ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ব্যবহৃত খোয়ার মান পরীক্ষার জন্য ল্যাব টেস্ট না হওয়া পর্যন্ত নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হোক। একই সঙ্গে তারা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর নির্বাহী প্রকৌশলীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সরেজমিনে জানা যায়, বল্লমঝাড় ইউনিয়নের নারায়ণপুর খোলাবাড়ী থেকে ঝিনেশ্বর পর্যন্ত সড়কের ডাব্লিউবিএম (WBM) কাজে নিম্নমানের খোয়া ব্যবহার করে রোলার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া রাস্তার দুই পাশে নির্ধারিত প্রস্থ অনুযায়ী কাজ করা হয়নি বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ। প্রকল্পের কোনো সাইনবোর্ড না থাকায় কাজের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

অপরদিকে, কুপতলা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মোজাহার মাস্টারের বাড়ি থেকে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ধর্মতলা পর্যন্ত সড়কের ডাব্লিউবিএম কাজে ইটভাটার রাবিশ ও নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। তাদের দাবি, এর আগেও একই সড়কের সাব-বেইজ নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছিল। প্রকল্পের তথ্যসংবলিত সাইনবোর্ড না থাকায় কাজের গুণগত মান নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্য বিতরণ

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অবহিত করা হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে সড়ক দুটির স্থায়িত্ব ও নির্মাণমান নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে এলজিইডি গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং আধা ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হবে। পাশাপাশি নির্মাণকাজে ব্যবহৃত উপকরণের মান যাচাই এবং অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  যশোর সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানী মালামালসহ আটক-১

এলাকাবাসী অবিলম্বে ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রীর মান পরীক্ষার জন্য ল্যাব টেস্ট এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করলে সড়ক দুটির নির্মাণমান নিশ্চিত হবে এবং সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

অভিযোগের বিষয়ে এলজিইডির তদন্ত কর্মকর্তা মোঃ উজ্জ্বলের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ শফি আলম তালুকদারের গণসংযোগ