Dhaka ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
আসিয়ান কাপের চুড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা, নেই তপু বর্মন! কালিগঞ্জে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সাংগঠনিক সভা গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পুলিশের এসআই টিটোন নিহত গোপালগঞ্জে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক যুবকের মৃত্যু টুঙ্গিপাড়ায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহায়তার আশ্বাস এমপি জিলানীর গোপালগঞ্জে পুকুর থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার বেনাপোল পৌরসভাকে আধুনিক ও মডেল পৌরসভায় রূপান্তরের প্রত্যয় শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে-২০২৬ সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত পুলিশে বড় রদবদল, ১১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন জঙ্গল সলিমপুরে তিন শতাধিক সদস্যের যৌথ অভিযান।

পুলিশ ও জনগণের অংশীদারিত্বে নিরাপদ সমাজ

পুলিশ ও সাধারণ জনগণের পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থার মাধ্যমে অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সারাদেশে গঠিতক ও পালিত হচ্ছে কমিউনিটি পুলিশিং ডে। পুলিশ ও জনগণের অংশীদারিত্বে নিরাপদ সমাজ গঠন সম্ভব।

কমিউনিটি পুলিশিং হলো একটি আধুনিক পুলিশিং ব্যবস্থা, যেখানে পুলিশ ও জনগণ একসাথে কাজ করে অপরাধ প্রতিরোধ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সামাজিক শান্তি নিশ্চিত করে। এই ব্যবস্থায় পুলিশ কেবল আইন প্রয়োগকারী নয়, বরং জনগণের বন্ধু, সহায়ক ও সেবক হিসেবে ভূমিকা পালন করে।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিআরটিসি বাসের চাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

কমিউনিটি পুলিশিং ধারণার উৎপত্তি ঘটে ১৮২৯ সালে ইংল্যান্ডে। আধুনিক পুলিশ ব্যবস্থার জনক স্যার রবার্ট পিলের দর্শন— “Police are the public and the public are the police”—এই নীতির ওপর ভিত্তি করেই জনগণের অংশগ্রহণমূলক পুলিশিং ব্যবস্থার সূচনা হয়। পরবর্তীতে জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে এই ব্যবস্থা সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়।

বাংলাদেশে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম শুরু হয় পরীক্ষামূলকভাবে ২০০৮–২০০৯ সালে। পরবর্তীতে এটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। বর্তমানে জেলা, থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি গঠনের মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণ যৌথভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে।

আরও পড়ুনঃ  গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পুলিশের এসআই টিটোন নিহত

যদিও কমিউনিটি পুলিশিংয়ের জন্য আলাদা কোনো আইন নেই, তবে বাংলাদেশের সংবিধানের ২১, ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদসহ Police Act 1861 এবং Police Regulations of Bengal-এর আলোকে জনগণের অংশগ্রহণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সুযোগ রয়েছে।

কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনের আগেই প্রতিরোধ, মাদক ও কিশোর গ্যাং দমন, ইভটিজিং প্রতিরোধ, নারী ও শিশু সুরক্ষা এবং সামাজিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব ও টানাহেঁচড়ার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ

একটি সমাজ তখনই নিরাপদ হয় যখন জনগণ পুলিশের পাশে থাকে এবং পুলিশ জনগণের কথা শোনে। পুলিশ ও জনগণের ঐক্যই পারে একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে। তাই আসুন পুলিশকে সাহায্য করি।মানবিক ও নিরাপদ সমাজ গড়ি। লেখকঃ এফ,এম,এ রাজ্জাক, একজন আইনজীবী,মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিক। মোবাঃ 01711-075251।

জনপ্রিয় পোস্ট

আসিয়ান কাপের চুড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা, নেই তপু বর্মন!

পুলিশ ও জনগণের অংশীদারিত্বে নিরাপদ সমাজ

আপডেটের সময়: ০৬:৫২:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

পুলিশ ও সাধারণ জনগণের পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থার মাধ্যমে অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সারাদেশে গঠিতক ও পালিত হচ্ছে কমিউনিটি পুলিশিং ডে। পুলিশ ও জনগণের অংশীদারিত্বে নিরাপদ সমাজ গঠন সম্ভব।

কমিউনিটি পুলিশিং হলো একটি আধুনিক পুলিশিং ব্যবস্থা, যেখানে পুলিশ ও জনগণ একসাথে কাজ করে অপরাধ প্রতিরোধ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সামাজিক শান্তি নিশ্চিত করে। এই ব্যবস্থায় পুলিশ কেবল আইন প্রয়োগকারী নয়, বরং জনগণের বন্ধু, সহায়ক ও সেবক হিসেবে ভূমিকা পালন করে।

আরও পড়ুনঃ  গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পুলিশের এসআই টিটোন নিহত

কমিউনিটি পুলিশিং ধারণার উৎপত্তি ঘটে ১৮২৯ সালে ইংল্যান্ডে। আধুনিক পুলিশ ব্যবস্থার জনক স্যার রবার্ট পিলের দর্শন— “Police are the public and the public are the police”—এই নীতির ওপর ভিত্তি করেই জনগণের অংশগ্রহণমূলক পুলিশিং ব্যবস্থার সূচনা হয়। পরবর্তীতে জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে এই ব্যবস্থা সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়।

বাংলাদেশে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম শুরু হয় পরীক্ষামূলকভাবে ২০০৮–২০০৯ সালে। পরবর্তীতে এটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। বর্তমানে জেলা, থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি গঠনের মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণ যৌথভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে।

আরও পড়ুনঃ  বেনাপোল পৌরসভাকে আধুনিক ও মডেল পৌরসভায় রূপান্তরের প্রত্যয়

যদিও কমিউনিটি পুলিশিংয়ের জন্য আলাদা কোনো আইন নেই, তবে বাংলাদেশের সংবিধানের ২১, ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদসহ Police Act 1861 এবং Police Regulations of Bengal-এর আলোকে জনগণের অংশগ্রহণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সুযোগ রয়েছে।

কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনের আগেই প্রতিরোধ, মাদক ও কিশোর গ্যাং দমন, ইভটিজিং প্রতিরোধ, নারী ও শিশু সুরক্ষা এবং সামাজিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

আরও পড়ুনঃ  ভয়ভীতি দেখিয়ে ৫ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ

একটি সমাজ তখনই নিরাপদ হয় যখন জনগণ পুলিশের পাশে থাকে এবং পুলিশ জনগণের কথা শোনে। পুলিশ ও জনগণের ঐক্যই পারে একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে। তাই আসুন পুলিশকে সাহায্য করি।মানবিক ও নিরাপদ সমাজ গড়ি। লেখকঃ এফ,এম,এ রাজ্জাক, একজন আইনজীবী,মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিক। মোবাঃ 01711-075251।