Dhaka ১০:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মা-মেয়েকে নৃশংস হত্যা: প্রধান আসামি রিমন পটিয়ায় গ্রেফতার।

আনোয়ারায় মা-মেয়েকে নৃশংস হত্যা: প্রধান আসামি রিমন পটিয়ায় গ্রেফতার।

 

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত রিমন বড়ুয়া ওরফে তেজু বড়ুয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত রবিবার (১৪ জুন) দিবাগত রাত পার্শ্ববর্তী পটিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আইনের আওতায় আনা হয়।

চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) মো. রাসেল গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আনোয়ারা থানার চেনামতি এলাকায় ঘটে যাওয়া এই জোড়া খুনের মামলার মূল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যের কারণ ও বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

আরও পড়ুনঃ  মাদক, দাদন ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচার

গত শনিবার (১৩ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে আনোয়ারা উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের চেনামতি বড়ুয়া পাড়ায় এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— স্থানীয় বাসিন্দা সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) এবং তাদের ১৬ বছর বয়সী মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া।

এই ঘটনায় ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেলেও গুরুতর আহত হয়েছে দম্পতির পাঁচ বছর বয়সী শিশুপুত্র পিয়াস বড়ুয়া। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  মান্দায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংস্কার ‎কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

রাতে সুজন বড়ুয়ার বাড়ি থেকে চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। তারা এসে দেখেন, ঘরের দরজার সামনে এনি বড়ুয়া ও তার ছোট ছেলে পিয়াস রক্তাক্ত অবস্থায় কাতরাচ্ছেন। আর ঘরের ভেতরে পড়ে আছে মেয়ে প্রিয়ন্তীর নিথর দেহ। প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করতেই এনি বড়ুয়া শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া জানান, ঘটনার সময় তিনি ব্যবসায়িক কাজে শহরে ছিলেন। বড় ভাইয়ের ফোন পেয়ে দ্রুত বাড়ি ফিরে স্ত্রী ও সন্তানকে হারানোর নির্মম সত্যের মুখোমুখি হন।

আরও পড়ুনঃ  এশিয়া ওয়ান সামিটে বাংলাদেশের গৌরব: গ্রেটেস্ট লিডার নির্বাচিত সাকিফ শামীম, গ্রেটেস্ট ব্র্যান্ড ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল

হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে সুজন বড়ুয়া দাবি করেন,

প্রতিবেশী লিমন বড়ুয়া তেজপ্রিয়র (রিমন) সাথে তার দীর্ঘদিনের আর্থিক লেনদেন ছিল।

ধারণা করা হচ্ছে, সেই টাকা-পয়সার হিসাব বা কোনো নথিপত্র খোঁজার উদ্দেশ্যেই খুনিরা ঘরে প্রবেশ করে।

সুজন বড়ুয়ার দাবি, মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার ঠিক আগমুহূর্তে তার স্ত্রী হামলাকারী হিসেবে এই লিমনের নাম উচ্চারণ করে গিয়েছিলেন।

পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো মোটিভ আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

মা-মেয়েকে নৃশংস হত্যা: প্রধান আসামি রিমন পটিয়ায় গ্রেফতার।

আপডেটের সময়: ০৬:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

আনোয়ারায় মা-মেয়েকে নৃশংস হত্যা: প্রধান আসামি রিমন পটিয়ায় গ্রেফতার।

 

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত রিমন বড়ুয়া ওরফে তেজু বড়ুয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত রবিবার (১৪ জুন) দিবাগত রাত পার্শ্ববর্তী পটিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আইনের আওতায় আনা হয়।

চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) মো. রাসেল গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আনোয়ারা থানার চেনামতি এলাকায় ঘটে যাওয়া এই জোড়া খুনের মামলার মূল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যের কারণ ও বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

আরও পড়ুনঃ  নতুন মামলায় গ্রেপ্তার সাতক্ষীরার সাবেক এমপি লায়লা পারভীন সেঁজুতি

গত শনিবার (১৩ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে আনোয়ারা উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের চেনামতি বড়ুয়া পাড়ায় এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— স্থানীয় বাসিন্দা সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) এবং তাদের ১৬ বছর বয়সী মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া।

এই ঘটনায় ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেলেও গুরুতর আহত হয়েছে দম্পতির পাঁচ বছর বয়সী শিশুপুত্র পিয়াস বড়ুয়া। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বিশ্বকাপের উন্মাদনায় রামগঞ্জে ব্রাজিল বাড়ি সাজলো শিক্ষক শিমুল কান্তি দাস

রাতে সুজন বড়ুয়ার বাড়ি থেকে চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। তারা এসে দেখেন, ঘরের দরজার সামনে এনি বড়ুয়া ও তার ছোট ছেলে পিয়াস রক্তাক্ত অবস্থায় কাতরাচ্ছেন। আর ঘরের ভেতরে পড়ে আছে মেয়ে প্রিয়ন্তীর নিথর দেহ। প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করতেই এনি বড়ুয়া শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া জানান, ঘটনার সময় তিনি ব্যবসায়িক কাজে শহরে ছিলেন। বড় ভাইয়ের ফোন পেয়ে দ্রুত বাড়ি ফিরে স্ত্রী ও সন্তানকে হারানোর নির্মম সত্যের মুখোমুখি হন।

আরও পড়ুনঃ  মাদক, দাদন ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচার

হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে সুজন বড়ুয়া দাবি করেন,

প্রতিবেশী লিমন বড়ুয়া তেজপ্রিয়র (রিমন) সাথে তার দীর্ঘদিনের আর্থিক লেনদেন ছিল।

ধারণা করা হচ্ছে, সেই টাকা-পয়সার হিসাব বা কোনো নথিপত্র খোঁজার উদ্দেশ্যেই খুনিরা ঘরে প্রবেশ করে।

সুজন বড়ুয়ার দাবি, মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার ঠিক আগমুহূর্তে তার স্ত্রী হামলাকারী হিসেবে এই লিমনের নাম উচ্চারণ করে গিয়েছিলেন।

পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো মোটিভ আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।