Dhaka ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রতনপুরে দিনব্যাপী গনসংযোগ ও মতবিনিময় করেন এমপি রবিউল বাশার তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জের উত্তর শ্রীপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চুরি থানায় অভিযোগ বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে গ্রহণযোগ্য আহ্বায়ক কমিটি চায় শ্যামনগর বিএনপির তৃণমূল শার্শার বাহাদুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আসাদুজ্জামান আসাদ রাতের খাবারে চেতনানাশক,একই পরিবারের ৩ সদস্য হাসপাতালে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে বিদেশী মদ জব্দ রাজারহাটে অবৈধ মাছ শিকারে অভিযান, ৫০টি নিষিদ্ধ জাল জব্দ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, শুরু হচ্ছে ৭ দিনের বিশেষ অভিযান’ জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার

অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান, তাই টার্গেটে এসআই আনোয়ার হোসেন: অপপ্রচারে সরানোর চেষ্টা

অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান, তাই টার্গেটে এসআই আনোয়ার হোসেন: অপপ্রচারে সরানোর চেষ্টা

 

কক্সবাজারের রামু থানায় কর্মরত সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) আনোয়ার হোসেন এখন মাদক কারবারি, ইয়াবা গডফাদারসহ বিভিন্ন অপরাধী চক্রের জন্য এক বড় আতঙ্কের নাম। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি ধারাবাহিকভাবে অপরাধ দমন, মামলা নিষ্পত্তি এবং প্রযুক্তিনির্ভর তদন্তে অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন।

 

গত এক বছরে এসআই আনোয়ার হোসেন ১৫০টিরও বেশি নিয়মিত মামলা এবং ৩৫টি সি আর মামলা তদন্ত সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন। এছাড়া ১০টি গুরুত্বপূর্ণ নিয়মিত ও মাদক মামলায় তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আসামির জবানবন্দী রেকর্ড করিয়ে মূল আসামিদের আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছেন।

 

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জের উত্তর শ্রীপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চুরি থানায় অভিযোগ

আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনেও তিনি সফল। তার উদ্যোগে ১২০টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ৩৫ জন ভিকটিম উদ্ধার এবং একাধিক মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

মামলার অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে প্রতিমাসে জিআর ও সিআর মামলার সাজা ওয়ারেন্ট সফলভাবে তামিল করছেন তিনি। এছাড়া ১৫টি চুরি মামলার রহস্য উদঘাটন, আলামত উদ্ধার এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসামি গ্রেপ্তার তার দক্ষতারই প্রমাণ।

আরও পড়ুনঃ  বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস ইসলামের সঙ্গে নাগরিক অধিকার আন্দোলন, যশোরের সৌজন্য সাক্ষাৎ

তবে তার এই সাফল্যই এখন হয়ে উঠেছে একাধিক অপরাধী চক্রের অস্বস্তির কারণ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইয়াবা গডফাদারসহ অন্যান্য অপরাধী গোষ্ঠী তাকে রামু থানা থেকে সরিয়ে দিতে সক্রিয়ভাবে অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এমনকি তাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর ও ভুয়া সংবাদ ছড়ানোর অভিযোগও উঠেছে।

এ বিষয়ে এসআই আনোয়ার হোসেন বলেন, “আমি আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি এবং ভবিষ্যতেও করে যাব। অপরাধী যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দায়িত্ব পালনের কারণে কোনো অপপ্রচার বা ষড়যন্ত্রে আমি বিচলিত নই। সত্য ও ন্যায়বিচারের পক্ষে থেকেই কাজ করে যাব।”

আরও পড়ুনঃ  বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে গ্রহণযোগ্য আহ্বায়ক কমিটি চায় শ্যামনগর বিএনপির তৃণমূল

সচেতন মহল মনে করছে, একজন দক্ষ কর্মকর্তাকে বিতর্কিত করার এ ধরনের অপচেষ্টা কেবল ব্যক্তি নয়, বরং সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্যও হুমকি। তাই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সততা, পেশাদারিত্ব এবং অপরাধ দমনে দৃঢ় অবস্থানের কারণে এসআই আনোয়ার হোসেন আজ রামু থানার একটি নির্ভরযোগ্য নাম—যাকে ঘিরে জনমনে যেমন আস্থা তৈরি হয়েছে, তেমনি অপরাধীদের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে ভীতি।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

রতনপুরে দিনব্যাপী গনসংযোগ ও মতবিনিময় করেন এমপি রবিউল বাশার

অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান, তাই টার্গেটে এসআই আনোয়ার হোসেন: অপপ্রচারে সরানোর চেষ্টা

আপডেটের সময়: ০৮:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান, তাই টার্গেটে এসআই আনোয়ার হোসেন: অপপ্রচারে সরানোর চেষ্টা

 

কক্সবাজারের রামু থানায় কর্মরত সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) আনোয়ার হোসেন এখন মাদক কারবারি, ইয়াবা গডফাদারসহ বিভিন্ন অপরাধী চক্রের জন্য এক বড় আতঙ্কের নাম। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি ধারাবাহিকভাবে অপরাধ দমন, মামলা নিষ্পত্তি এবং প্রযুক্তিনির্ভর তদন্তে অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন।

 

গত এক বছরে এসআই আনোয়ার হোসেন ১৫০টিরও বেশি নিয়মিত মামলা এবং ৩৫টি সি আর মামলা তদন্ত সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন। এছাড়া ১০টি গুরুত্বপূর্ণ নিয়মিত ও মাদক মামলায় তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আসামির জবানবন্দী রেকর্ড করিয়ে মূল আসামিদের আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছেন।

 

আরও পড়ুনঃ  তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনেও তিনি সফল। তার উদ্যোগে ১২০টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ৩৫ জন ভিকটিম উদ্ধার এবং একাধিক মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

মামলার অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে প্রতিমাসে জিআর ও সিআর মামলার সাজা ওয়ারেন্ট সফলভাবে তামিল করছেন তিনি। এছাড়া ১৫টি চুরি মামলার রহস্য উদঘাটন, আলামত উদ্ধার এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসামি গ্রেপ্তার তার দক্ষতারই প্রমাণ।

আরও পড়ুনঃ  রাতের খাবারে চেতনানাশক,একই পরিবারের ৩ সদস্য হাসপাতালে

তবে তার এই সাফল্যই এখন হয়ে উঠেছে একাধিক অপরাধী চক্রের অস্বস্তির কারণ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইয়াবা গডফাদারসহ অন্যান্য অপরাধী গোষ্ঠী তাকে রামু থানা থেকে সরিয়ে দিতে সক্রিয়ভাবে অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এমনকি তাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর ও ভুয়া সংবাদ ছড়ানোর অভিযোগও উঠেছে।

এ বিষয়ে এসআই আনোয়ার হোসেন বলেন, “আমি আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি এবং ভবিষ্যতেও করে যাব। অপরাধী যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দায়িত্ব পালনের কারণে কোনো অপপ্রচার বা ষড়যন্ত্রে আমি বিচলিত নই। সত্য ও ন্যায়বিচারের পক্ষে থেকেই কাজ করে যাব।”

আরও পড়ুনঃ  গাইবান্ধায় বসুন্ধরা শুভ সংঘের সেলাই মেশিন বিতরণ

সচেতন মহল মনে করছে, একজন দক্ষ কর্মকর্তাকে বিতর্কিত করার এ ধরনের অপচেষ্টা কেবল ব্যক্তি নয়, বরং সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্যও হুমকি। তাই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সততা, পেশাদারিত্ব এবং অপরাধ দমনে দৃঢ় অবস্থানের কারণে এসআই আনোয়ার হোসেন আজ রামু থানার একটি নির্ভরযোগ্য নাম—যাকে ঘিরে জনমনে যেমন আস্থা তৈরি হয়েছে, তেমনি অপরাধীদের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে ভীতি।