কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুর বাজার বায়তুননূর জামে মসজিদের নির্মাণ কাজে সহায়তার আহ্বান
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর বাজার সংলগ্ন অবস্থিত বায়তুননূর জামে মসজিদের নতুন ভবনের নির্মাণ কাজ ধীরে ধীরে দৃশ্যমান রূপ নিচ্ছে। এলাকাবাসী, মুসল্লি ও মসজিদ কমিটির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইতোমধ্যে একতলা ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের কাজ সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তবে অর্থ সংকটের কারণে পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ কাজ গুলো সম্পন্ন করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের।
মসজিদ কমিটির সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের স্বপ্ন ছিল একটি আধুনিক ও পরিপূর্ণ মসজিদ নির্মাণের। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে মসজিদ কমিটি ও স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী আর্থিক সহযোগিতা করে আসছেন। কেউ নগদ অর্থ, কেউ নির্মাণসামগ্রী, আবার কেউ শ্রম দিয়ে এই মহতী উদ্যোগে অংশ নিয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে নির্মাণসামগ্রীর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে অবশিষ্ট কাজ শেষ করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
বর্তমানে মসজিদের যেসব কাজ অসমাপ্ত রয়েছে তার মধ্যে দেয়াল প্লাস্টার, ফ্লোর টাইলস স্থাপন, রংয়ের কাজ, জানালা-দরজা সংযোজন, বৈদ্যুতিক সংযোগ, সাউন্ড সিস্টেম এবং অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন উল্লেখযোগ্য। এসব কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা গেলে মুসল্লিদের জন্য একটি সুন্দর, নিরাপদ ও আধুনিক ইবাদতখানা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসী বলেন, একটি মসজিদ শুধু নামাজ আদায়ের স্থান নয় এটি সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি, নৈতিকতা ও ইসলামী শিক্ষার কেন্দ্রবিন্দু। শিশু-কিশোরদের ধর্মীয় শিক্ষা, সামাজিক ঐক্য এবং মানবিক মূল্যবোধ গঠনে মসজিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই আল্লাহর ঘর নির্মাণে সহযোগিতা করা প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের নৈতিক দায়িত্ব।
মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত দানশীল ব্যক্তি, প্রবাসী ভাই এবং ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। তারা জানান, সবার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সহযোগিতাই পারে অসমাপ্ত নির্মাণ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে।
সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের মসজিদ কমিটির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
যোগাযোগ ও সহায়তা পাঠানোর নম্বরঃ
নগদ: ০১৭৮৮৪৬১০৯৭
নগদ ও বিকাশ: ০১৭০৩১৬৭৬৮০
মসজিদ কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছেন, সমাজের বিত্তবান ও ধর্মপ্রাণ মানুষের সহযোগিতায় অচিরেই বায়তুননূর জামে মসজিদের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে এবং এটি এলাকার মুসল্লিদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।



















