Dhaka ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূলের দাবিতে জেলে বাওয়ালীদের মানববন্ধন কালিগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবে আব্দুল করিমের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীরায় মাদক ও চুরি রোধে কঠোর অবস্থানে পুলিশ- সদর ওসি যশোরে তালাক গোপন রেখে প্রবাসী স্বামীর সম্পদ আত্মসাৎ এর অভিযোগে আদালতে মামলা সাতক্ষীরায় ‘প্রেরণা’ এনজিও’র পরিচালক শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা খুলনায় তরুণীসহ আটক সাতক্ষীরার ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলে ঝিকরগাছায় মাদ্রাসার নামে অর্থ নিয়ে গড়ে উঠছে ব্যক্তিগত অট্টালিকা : প্রশাসনের তদন্ত কমিটি গঠন (১ম পর্ব) মান্দায় আওয়ামী লীগের ‘অপতৎপরতার’ প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ সাধারণ যাত্রীর নিরাপত্তা কোথায়? বাসের ছাদে কাঁচামাল পরিবহনে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

খুলছে সুন্দরবনের দুয়ার, স্বস্তির বাতাসে সুদের ঘ্রাণ সাথে বনদস্যুর আতঙ্ক

খুলছে সুন্দরবনের দুয়ার, স্বস্তির বাতাসে সুদের ঘ্রাণ সাথে বনদস্যুর আতঙ্ক

 

দীর্ঘ তিন মাস যাবৎ বন্ধ সুন্দরবনের দুয়ার। নদীতে নেই কোন নৌকা, জাল ফেলেননি জেলে। নিস্তেজ ছিল সুন্দরবনের ভেতরকার দৃশ্যে। দীর্ঘ এই বিরতিতে একদিকে প্রকৃতি পেয়েছে স্বস্তি, অন্যদিকে সুন্দরবননির্ভর হাজারো পরিবারের ঘরে বেড়েছে অভাব ও ঋণের চাপ।

আগামীকাল মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সেই অপেক্ষার অবসান হচ্ছে। খুলছে সুন্দরবনের অবারিত দুয়ার।

মাছ ও কাঁকড়া আহরণের আশায় আবারও সুন্দরবনের নদী-খালে নৌকা নামাবেন উপকূলের জেলে-বাওয়ালিরা। খুলে দেওয়া হচ্ছে পর্যটনকেন্দ্রগুলোও। ফলে দীর্ঘ তিন মাস পর সুন্দরবনসংলগ্ন সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাটের জনপদে ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য।

তবে বনে ফেরার আনন্দের পাশাপাশি জেলে-বাওয়ালিদের মনে রয়েছে আতঙ্ক। তিন মাস আয় বন্ধ থাকায় অনেক পরিবারকে মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে দাদন নিতে হয়েছে। কেউ নিয়েছেন এনজিও ঋণ। বন খুললেও এবার ভালো মাছ-কাঁকড়া পাওয়া যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তার সঙ্গে আছে বনদস্যু ও চাঁদাবাজির ভয়।

গত সোমবার শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনী, মুন্সিগঞ্জ ও গাবুরা এলাকার বিভিন্ন ঘাট ঘুরে দেখা যায়, বনে ফেরার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত জেলে-বাওয়ালিরা। দীর্ঘদিন অলস পড়ে থাকা নৌকায় দেওয়া হচ্ছে আলকাতরা। কোথাও চলছে মেরামত, কোথাও জাল সেলাই। ইঞ্জিন পরীক্ষা, দড়ি, বরফ রাখার পাত্র ও মাছ ধরার অন্যান্য সরঞ্জামও প্রস্তুত করছেন জেলেরা।

আরও পড়ুনঃ  অভয়নগরে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু

বুড়িগোয়ালিনীর জেলে মাসুম বিল্লাহর পরিবারে সদস্য ছয়জন। সুন্দরবন বন্ধ থাকায় গত তিন মাস সংসার চালাতে তাঁকে এনজিও থেকে ঋণ নিতে হয়েছে। এলাকায় বিকল্প কাজের সুযোগও তেমন নেই।

মাসুম বিল্লাহ বলেন, সুন্দরবন বন্ধ থাকলে তাঁর ঘরে চুলা জ্বালানো কঠিন হয়ে পড়ে। অভাবের কারণে নিষেধাজ্ঞার সময় গোপনে বনে যাওয়ার কথাও ভেবেছিলেন। কিন্তু বনদস্যুর ভয় এবং ধরা পড়ার আশঙ্কায় শেষ পর্যন্ত যাননি। তাঁর ভাষায়, ‘এখন বন খোলার খবরে মনে হচ্ছে বুকে নতুন শ্বাস ফিরে পেয়েছি।’ একই এলাকার জেলে সাইদুর রহমান বলেন, তিন মাস ধারদেনা করে সংসার চালাতে হয়েছে। এখন বনে গিয়ে মাছ-কাঁকড়া ধরে আয় করে সেই ঋণ শোধ করাই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য।

মৎস্যসম্পদ, জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন সুরক্ষায় গত ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে জেলে, বাওয়ালি, মৌয়াল ও পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধ ছিল। একই সময়ে বন্ধ ছিল সব ধরনের বনজ সম্পদ আহরণ।

বন বিভাগ বলছে, তিন মাসের এই বিরতিতে সুন্দরবনের প্রাণ-প্রকৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। বিভিন্ন নদী ও খালে মাছের উপস্থিতি বেড়েছে। সুন্দরী, গেওয়া, কেওড়া, বাইন ও ছইলাসহ বিভিন্ন উদ্ভিদের ঘনত্বও বেড়েছে। মানুষের আনাগোনা কম থাকায় বাঘ, হরিণ, কুমির, বানর, বন্য শূকর ও লাল কাঁকড়াসহ বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক বিচরণ বেড়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ঝিকরগাছায় আবাসিক হাফেজি মাদ্রাসায় এতিম জমজ বোনকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ : পরিচালক বললেন মিথ্যা

ট্রলার মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম বলেন, নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার ট্রলার শ্রমিক গত তিন মাস কার্যত বেকার ছিলেন। পর্যটকদের প্রবেশ শুরু হলে তাঁদের কর্মসংস্থানও আবার চালু হবে। সুন্দরবনের পূর্ব ও পশ্চিম বন বিভাগে ১৪টি পর্যটনকেন্দ্র রয়েছে। প্রতিবছর এসব কেন্দ্রে কয়েক লাখ পর্যটক ভ্রমণে আসেন। পাশাপাশি বন বিভাগের কাছ থেকে নির্ধারিত ফি দিয়ে প্রায় ৫০ হাজার বনজীবী বছরের বিভিন্ন সময়ে সুন্দরবন থেকে মাছ, গোলপাতা ও মধুসহ বিভিন্ন বনজ সম্পদ আহরণ করেন।

বন খুললেও ইচ্ছেমতো সুন্দরবনে প্রবেশের সুযোগ থাকছে না। জেলে-বাওয়ালি ও অন্যান্য বননির্ভর মানুষকে বৈধ পাস ও পারমিট নিয়ে নির্ধারিত নিয়ম মেনে বনে প্রবেশ করতে হবে। সংরক্ষিত এলাকা ও অভয়ারণ্যে সাধারণভাবে ইচ্ছেমতো প্রবেশ করা যাবে না। যদিও অবৈধ সুবিধা নিয়ে কোন কোন বনকর্তার যোগসাজসে চলে এপ্রবেশ।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরায় 'প্রেরণা' এনজিও'র পরিচালক শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনের পশ্চিম বিভাগের খুলনা ও সাতক্ষীরা রেঞ্জের জন্য এবার প্রায় ছয় হাজার নৌযানকে বোট লাইসেন্স সার্টিফিকেট (বিএলসি) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় নজরদারি জোরদারের প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।

সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মশিউর রহমান বলেন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে সব ধরনের সম্পদ আহরণ ও পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছিল।

সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে, তাই উপকূলে ফিরেছে জীবিকার আশা। এখন প্রশ্নএই বনের সম্পদ কি জেলেদের ঘরে স্বস্তি ফেরাবে, নাকি নতুন করে তাদের সামনে দাঁড়াবে ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা?

জনপ্রিয় পোস্ট

সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূলের দাবিতে জেলে বাওয়ালীদের মানববন্ধন

খুলছে সুন্দরবনের দুয়ার, স্বস্তির বাতাসে সুদের ঘ্রাণ সাথে বনদস্যুর আতঙ্ক

আপডেটের সময়: ০৯:১৪:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

খুলছে সুন্দরবনের দুয়ার, স্বস্তির বাতাসে সুদের ঘ্রাণ সাথে বনদস্যুর আতঙ্ক

 

দীর্ঘ তিন মাস যাবৎ বন্ধ সুন্দরবনের দুয়ার। নদীতে নেই কোন নৌকা, জাল ফেলেননি জেলে। নিস্তেজ ছিল সুন্দরবনের ভেতরকার দৃশ্যে। দীর্ঘ এই বিরতিতে একদিকে প্রকৃতি পেয়েছে স্বস্তি, অন্যদিকে সুন্দরবননির্ভর হাজারো পরিবারের ঘরে বেড়েছে অভাব ও ঋণের চাপ।

আগামীকাল মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সেই অপেক্ষার অবসান হচ্ছে। খুলছে সুন্দরবনের অবারিত দুয়ার।

মাছ ও কাঁকড়া আহরণের আশায় আবারও সুন্দরবনের নদী-খালে নৌকা নামাবেন উপকূলের জেলে-বাওয়ালিরা। খুলে দেওয়া হচ্ছে পর্যটনকেন্দ্রগুলোও। ফলে দীর্ঘ তিন মাস পর সুন্দরবনসংলগ্ন সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাটের জনপদে ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য।

তবে বনে ফেরার আনন্দের পাশাপাশি জেলে-বাওয়ালিদের মনে রয়েছে আতঙ্ক। তিন মাস আয় বন্ধ থাকায় অনেক পরিবারকে মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে দাদন নিতে হয়েছে। কেউ নিয়েছেন এনজিও ঋণ। বন খুললেও এবার ভালো মাছ-কাঁকড়া পাওয়া যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তার সঙ্গে আছে বনদস্যু ও চাঁদাবাজির ভয়।

গত সোমবার শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনী, মুন্সিগঞ্জ ও গাবুরা এলাকার বিভিন্ন ঘাট ঘুরে দেখা যায়, বনে ফেরার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত জেলে-বাওয়ালিরা। দীর্ঘদিন অলস পড়ে থাকা নৌকায় দেওয়া হচ্ছে আলকাতরা। কোথাও চলছে মেরামত, কোথাও জাল সেলাই। ইঞ্জিন পরীক্ষা, দড়ি, বরফ রাখার পাত্র ও মাছ ধরার অন্যান্য সরঞ্জামও প্রস্তুত করছেন জেলেরা।

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবে আব্দুল করিমের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

বুড়িগোয়ালিনীর জেলে মাসুম বিল্লাহর পরিবারে সদস্য ছয়জন। সুন্দরবন বন্ধ থাকায় গত তিন মাস সংসার চালাতে তাঁকে এনজিও থেকে ঋণ নিতে হয়েছে। এলাকায় বিকল্প কাজের সুযোগও তেমন নেই।

মাসুম বিল্লাহ বলেন, সুন্দরবন বন্ধ থাকলে তাঁর ঘরে চুলা জ্বালানো কঠিন হয়ে পড়ে। অভাবের কারণে নিষেধাজ্ঞার সময় গোপনে বনে যাওয়ার কথাও ভেবেছিলেন। কিন্তু বনদস্যুর ভয় এবং ধরা পড়ার আশঙ্কায় শেষ পর্যন্ত যাননি। তাঁর ভাষায়, ‘এখন বন খোলার খবরে মনে হচ্ছে বুকে নতুন শ্বাস ফিরে পেয়েছি।’ একই এলাকার জেলে সাইদুর রহমান বলেন, তিন মাস ধারদেনা করে সংসার চালাতে হয়েছে। এখন বনে গিয়ে মাছ-কাঁকড়া ধরে আয় করে সেই ঋণ শোধ করাই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য।

মৎস্যসম্পদ, জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন সুরক্ষায় গত ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে জেলে, বাওয়ালি, মৌয়াল ও পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধ ছিল। একই সময়ে বন্ধ ছিল সব ধরনের বনজ সম্পদ আহরণ।

বন বিভাগ বলছে, তিন মাসের এই বিরতিতে সুন্দরবনের প্রাণ-প্রকৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। বিভিন্ন নদী ও খালে মাছের উপস্থিতি বেড়েছে। সুন্দরী, গেওয়া, কেওড়া, বাইন ও ছইলাসহ বিভিন্ন উদ্ভিদের ঘনত্বও বেড়েছে। মানুষের আনাগোনা কম থাকায় বাঘ, হরিণ, কুমির, বানর, বন্য শূকর ও লাল কাঁকড়াসহ বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক বিচরণ বেড়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ঝিকরগাছায় আবাসিক হাফেজি মাদ্রাসায় এতিম জমজ বোনকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ : পরিচালক বললেন মিথ্যা

ট্রলার মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম বলেন, নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার ট্রলার শ্রমিক গত তিন মাস কার্যত বেকার ছিলেন। পর্যটকদের প্রবেশ শুরু হলে তাঁদের কর্মসংস্থানও আবার চালু হবে। সুন্দরবনের পূর্ব ও পশ্চিম বন বিভাগে ১৪টি পর্যটনকেন্দ্র রয়েছে। প্রতিবছর এসব কেন্দ্রে কয়েক লাখ পর্যটক ভ্রমণে আসেন। পাশাপাশি বন বিভাগের কাছ থেকে নির্ধারিত ফি দিয়ে প্রায় ৫০ হাজার বনজীবী বছরের বিভিন্ন সময়ে সুন্দরবন থেকে মাছ, গোলপাতা ও মধুসহ বিভিন্ন বনজ সম্পদ আহরণ করেন।

বন খুললেও ইচ্ছেমতো সুন্দরবনে প্রবেশের সুযোগ থাকছে না। জেলে-বাওয়ালি ও অন্যান্য বননির্ভর মানুষকে বৈধ পাস ও পারমিট নিয়ে নির্ধারিত নিয়ম মেনে বনে প্রবেশ করতে হবে। সংরক্ষিত এলাকা ও অভয়ারণ্যে সাধারণভাবে ইচ্ছেমতো প্রবেশ করা যাবে না। যদিও অবৈধ সুবিধা নিয়ে কোন কোন বনকর্তার যোগসাজসে চলে এপ্রবেশ।

আরও পড়ুনঃ  ঝিকরগাছায় ফাজিল (স্নাতক) পরীক্ষা নকল মুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনের পশ্চিম বিভাগের খুলনা ও সাতক্ষীরা রেঞ্জের জন্য এবার প্রায় ছয় হাজার নৌযানকে বোট লাইসেন্স সার্টিফিকেট (বিএলসি) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় নজরদারি জোরদারের প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।

সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মশিউর রহমান বলেন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে সব ধরনের সম্পদ আহরণ ও পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছিল।

সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে, তাই উপকূলে ফিরেছে জীবিকার আশা। এখন প্রশ্নএই বনের সম্পদ কি জেলেদের ঘরে স্বস্তি ফেরাবে, নাকি নতুন করে তাদের সামনে দাঁড়াবে ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা?