Dhaka ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রতনপুরে দিনব্যাপী গনসংযোগ ও মতবিনিময় করেন এমপি রবিউল বাশার তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জের উত্তর শ্রীপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চুরি থানায় অভিযোগ বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে গ্রহণযোগ্য আহ্বায়ক কমিটি চায় শ্যামনগর বিএনপির তৃণমূল শার্শার বাহাদুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আসাদুজ্জামান আসাদ রাতের খাবারে চেতনানাশক,একই পরিবারের ৩ সদস্য হাসপাতালে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে বিদেশী মদ জব্দ রাজারহাটে অবৈধ মাছ শিকারে অভিযান, ৫০টি নিষিদ্ধ জাল জব্দ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, শুরু হচ্ছে ৭ দিনের বিশেষ অভিযান’ জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার

ধরলায় ১৭৫০ মিটার সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে চীনা প্রতিনিধি দল

কুড়িগ্রামে ধরলায় ১৭৫০ মিটার সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে চীনা প্রতিনিধি দল

 

 

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ধরলা নদীর ওপর প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে স্থান পরিদর্শন করেছেন চীনের রোড ব্রিজ কর্পোরেশনের ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

শনিবার (২৩ মে) দুপুরে সদর উপজেলার শিবরাম বাংটুর ঘাট এলাকায় গিয়ে তারা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান ও কারিগরি বিষয় পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুনঃ  বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে গ্রহণযোগ্য আহ্বায়ক কমিটি চায় শ্যামনগর বিএনপির তৃণমূল

চীনা রোড ব্রিজ কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী জাইয়া সাইয়ের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন, বিজনেস ম্যানেজার ইউ জিগিং, মার্কেটিং ম্যানেজার ওয়াং জিংওয়েই, ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার পেংটাও এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার শানতোনো।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশের সেতু বাস্তবায়ন ও ভবন ব্যবস্থাপনা ইউনিটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. এবাদত আলী, কুড়িগ্রাম এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিবসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুনঃ  মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, শুরু হচ্ছে ৭ দিনের বিশেষ অভিযান'

জানা যায়, সদর উপজেলার শিবরাম বাংটুর ঘাট এলাকায় ধরলা নদীর ওপর প্রায় ১৭৫০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা দিয়েছে এলজিইডি। দীর্ঘদিন ধরে ধরলা নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন ফুলবাড়ী, নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার মানুষের দাবির প্রেক্ষিতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, সেতুটি নির্মিত হলে তিন উপজেলার প্রায় ৮ লাখ মানুষের যাতায়াতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। পাশাপাশি সোনাহাট স্থলবন্দরকেন্দ্রিক পণ্য পরিবহনেও গতি আসবে, যা এ অঞ্চলের অর্থনীতি ও জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুনঃ  স্বাস্থ্য মন্ত্রীর তালা হসপিটাল পরিদর্শন ডাক্তারকে বদলি ও নৈশ প্রহরী বরখাস্ত

বাংলাদেশের সেতু বাস্তবায়ন ও ভবন ব্যবস্থাপনা ইউনিটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. এবাদত আলী বলেন,

ঈদের পর একটি স্টাডি টিম এসে সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা ও বিস্তারিত সুবিধা নিয়ে কাজ করবে। তাদের রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় পোস্ট

রতনপুরে দিনব্যাপী গনসংযোগ ও মতবিনিময় করেন এমপি রবিউল বাশার

ধরলায় ১৭৫০ মিটার সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে চীনা প্রতিনিধি দল

আপডেটের সময়: ০৯:০৩:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

কুড়িগ্রামে ধরলায় ১৭৫০ মিটার সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে চীনা প্রতিনিধি দল

 

 

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ধরলা নদীর ওপর প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে স্থান পরিদর্শন করেছেন চীনের রোড ব্রিজ কর্পোরেশনের ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

শনিবার (২৩ মে) দুপুরে সদর উপজেলার শিবরাম বাংটুর ঘাট এলাকায় গিয়ে তারা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান ও কারিগরি বিষয় পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুনঃ  তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

চীনা রোড ব্রিজ কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী জাইয়া সাইয়ের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন, বিজনেস ম্যানেজার ইউ জিগিং, মার্কেটিং ম্যানেজার ওয়াং জিংওয়েই, ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার পেংটাও এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার শানতোনো।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশের সেতু বাস্তবায়ন ও ভবন ব্যবস্থাপনা ইউনিটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. এবাদত আলী, কুড়িগ্রাম এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিবসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুনঃ  স্বাস্থ্য মন্ত্রীর তালা হসপিটাল পরিদর্শন ডাক্তারকে বদলি ও নৈশ প্রহরী বরখাস্ত

জানা যায়, সদর উপজেলার শিবরাম বাংটুর ঘাট এলাকায় ধরলা নদীর ওপর প্রায় ১৭৫০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা দিয়েছে এলজিইডি। দীর্ঘদিন ধরে ধরলা নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন ফুলবাড়ী, নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার মানুষের দাবির প্রেক্ষিতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, সেতুটি নির্মিত হলে তিন উপজেলার প্রায় ৮ লাখ মানুষের যাতায়াতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। পাশাপাশি সোনাহাট স্থলবন্দরকেন্দ্রিক পণ্য পরিবহনেও গতি আসবে, যা এ অঞ্চলের অর্থনীতি ও জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুনঃ  বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে গ্রহণযোগ্য আহ্বায়ক কমিটি চায় শ্যামনগর বিএনপির তৃণমূল

বাংলাদেশের সেতু বাস্তবায়ন ও ভবন ব্যবস্থাপনা ইউনিটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. এবাদত আলী বলেন,

ঈদের পর একটি স্টাডি টিম এসে সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা ও বিস্তারিত সুবিধা নিয়ে কাজ করবে। তাদের রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।